০৯ ডিসেম্বর ২০১৯
চিপসের প্যাকেটে খেলনা

বিএসটিআইকে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ

-

চিপসের প্যাকেটে খেলনা ঢুকিয়ে কিভাবে বাজারজাত করা হচ্ছে সে বিষয়ে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনকে (বিএসটিআই) প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে এ বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়ে রুলও জারি করেছেন আদালত। রুলে চিপসের প্যাকেটসহ অন্যান্য শিশু খাদ্যের প্যাকেটে খেলনা না ঢুকাতে উৎপাদক কোম্পানিগুলোকে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না মর্মে জানতে চাওয়া হয়েছে।
এ-সংক্রান্ত রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো: মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ গতকাল রোববার রুলসহ এ আদেশ দেন।
বাণিজ্য সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, এম এম ইস্পাহানী লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও হেড অব মার্কেটিং, ইনগ্রিন লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও হেড অব মার্কেটিং, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর ও বিএসটিআইর মহাপরিচালককে আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো: মনিরুজ্জমান। এই আইনজীবীই গত ৪ নভেম্বর রিট আবেদনটি দায়ের করেছিলেন। অন্য দিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তুষার কান্তি রায়।
পরে আইনজীবী মো: মনিরুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, প্রতিবেশী দেশ ভারতে চিপসের সাথে খেলনা খেয়ে ফেলার পর দু’টি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। উৎপাদনকারী কোম্পানি ছোট ছোট খেলনা চিপসের প্যাকেটে দিয়ে দেয়। এখন সেই চিপসের সাথে যদি শিশুরা সেটিও খেয়ে ফেলে তা হলে আমাদের শিশুদেরও একই পরিণতি হতে পারে। প্রিভেনশন ইজ বেটার দ্যান কিওর। এ কারণেই রিট আবেদনটা করেছিলাম। আদালত সন্তুষ্ট হয়েছেন আমাদের আবেদনে। তাই নির্দেশনাসহ রুল জারি করেছেন।
আদালতের আদেশের বরাত দিয়ে এই আইনজীবী বলেন, আদালত এটাও বলেছেন, এটা (শিশু খাদ্যের প্যাকেটে খেলনা ঢোকানো) ক্রিমিনাল অফেনসের পর্যায়ে পড়ে। কারণ চিপস বা শিশু খাদ্যের প্যাকেটে খেলনা দিয়ে শিশুদের প্রলুব্ধ করা হচ্ছে। সেই খাবার খাওয়ার সময় কোনো শিশু যদি অসচেতনভাবে খেলনা খেয়ে ফেলে এবং সে কারণে যদি কোনো রকম ক্ষতি হয় তা হলে সংশ্লিষ্ট কোম্পানি প্ররোচনার জন্য দায়ী হতে পারে। এম এম ইস্পাহানীর ‘মাইটি’ ও ইনগ্রিনের ‘ডরে ডরে’ চিপসের প্যাকেটে খেলনা পাওয়ার কথা জানানো হয়েছে রিট আবেদনে।

 


আরো সংবাদ

সকল