১৪ নভেম্বর ২০১৯

ইসলামী সংস্কৃতির বিকাশে মহানবী সা:-এর অবদান অবিস্মরণীয় বায়তুশ শরফ পীর

-

বায়তুশ শরফের পীর বাহ্রুল উলূম মাওলানা মোহাম্মদ কুতুব উদ্দিন বলেছেন, মানব সভ্যতার ইতিহাসে ইসলামী সাহিত্য ও সংস্কৃতির বিকাশে মহানবী সা:-এর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ অবদান অবিস্মরণীয়। তিনি একজন পূর্ণাঙ্গ বোধের মানুষ ছিলেন এবং এই পূর্ণাঙ্গ বোধই হচ্ছে ইসলামী সংস্কৃতির ভিত্তিভূমি। রাসূল সা: সর্বকালের, সব দেশের সব মানবের আদর্শ পুরুষ।
তিনি গত বৃহস্পতিবার রাতে বায়তুশ শরফ আনজুমনে ইত্তেহাদ বাংলাদেশ আয়োজিত পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী সা: উপলক্ষে চার দিনব্যাপী ইসলামী সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার অনুষ্ঠানমালায় মনোজ্ঞ ইসলামী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পাখ-পাখালির আসরে সভাপতির বক্তব্যে একথা বলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন আইএমএস গ্রুপের চেয়ারম্যান আবুল বশর আবু। বিশেষ অতিথি ছিলেন আল্লামা শাহ্ আবদুল জব্বার ফাউন্ডেশন, চট্টগ্রামের চেয়ারম্যান মাওলানা মুহাম্মদ আবদুল হাই নদ্ভী, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের এক্সিকিউটিব ভাইস প্রেসিডেন্ট মুহাম্মদ শামসুল হুদা।
মাসিক দ্বীন-দুনিয়ার সম্পাদক মুহাম্মদ জাফর উল্লাহর সঞ্চলনায় অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তৃতা করেন বায়তুশ শরফ আনজুমনে ইত্তেহাদ বাংলাদেশের সিনিয়র সহ-সভাপতি এম এ আবদুল আউয়াল।
বায়তুশ শরফ পীর বলেন, সংস্কৃতির বিকাশে রাসূল সা:-এর অবদান অপরিসীম। মহানবী সা: সাহিত্য সংস্কৃতির প্রতি উদার পৃষ্ঠপোষকতার উদাহারণস্বরূপ বলা যায় ইসলাম গ্রহণের পর কা’ব ইবনে যুহায়র একটি বিখ্যাত প্রশস্তি গাথা ‘বানাত সু’আদ’ রচনা করেন। এই ‘বানাত সু’আদ’ কবিতাটি শোনে রাসূল সা: এতই অভিভূত হয়ে পড়েন যে, তিনি তাঁর নিজ কাঁধ থেকে অতিমূল্যবান চাদরটি কবিকে উপটৌকন হিসেবে দিয়ে তাঁকে বিরল সম্মানে ভূষিত করেন।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বায়তুশ শরফ জামে মসজিদের খতিব মাওলানা নুরুল ইসলাম, ইসলামিক ফাউন্ডেশন চট্টগ্রামের সাবেক বিভাগীয় পরিচালক মাওলানা আবুল হায়াত মোহাম্মদ তারেক, মজলিসুল ওলামা বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা মামুনুর রশিদ নুরী, মাওলানা কাজী জাফর আহমদ, মাওলানা নুরুল আলম ফারুকী, বায়তুশ শরফ আন্জুমনে ইত্তেহাদ বাংলাদেশের সহ-সভাপতি ইদ্রিস মিয়া, সাধারণ সম্পাদক লুৎফুল করিম, ঈদে মিলাদুন্নবী সা: উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক মাওলানা মুহাম্মদ ওবায়দুল্লাহ, যুগ্ম আহ্বায়ক মাওলানা ওবায়দুল্লাহ প্রমুখ।


আরো সংবাদ