১৬ অক্টোবর ২০১৯

বাঙালির মনন ও মানসজুড়ে সাম্য ও বিদ্রোহের কবি নজরুল : অনিন্দ্য ব্যানার্জি

-

নজরুল বাংলা ও বাঙালির চিরদিনের জন্য অহঙ্কারের মানুষ। এপার ওপার দুই বাংলার মানুষের কাছে নজরুল চির অম্লান। বিংশ শতাব্দীর ঊষালগ্নে ভারতীয় উপমহাদেশে সাহিত্যজগতে তার আবির্ভাব ছিল অনেকটা ধূমকেতুর মতো। সংস্কৃতি ও সাহিত্যে এমন কোনো শাখা নেই যেখানে তিনি অবদান রাখেননি। বাঙালির জীবনে সুখ-দুঃখ যা আসুক না কেন নজরুল ছিলেন সব সময় তাদের নিত্যসঙ্গী। নজরুলকে স্মরণ করা মানেই বাঙালির অস্তিত্বকেই স্মরণ করা। বাঙালির অনুভবে নজরুল চির প্রবহমান। নজরুলের সব গান বাঙালির চিন্তা-চেতনায় ঝরনাধারার মতো বয়ে চলেছে। সাম্য ও বিদ্রোহের কবি কাজী নজরুল বাঙালির মনন ও মানসে চির প্রবহমান। গতকাল রোববার বিকেলে চট্টগ্রামে সঙ্গীত পরিষদ আয়োজিত নজরুল স্মরণানুষ্ঠানের উদ্বোধনী বক্তব্যে চট্টগ্রামের ভারতীয় দূতাবাসের সহকারী হাইকমিশনার অনিন্দ্য ব্যানার্জি উপরোক্ত মন্তব্য করেন। সঙ্গীত পরিষদের সভাপতি মেজর জেনারেল (অব:) আবদুল মতিনের সভাপতিত্বে ওই অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত ভাষণ দেন পরিষদের সম্পাদক তাপস হোড়। প্রধান অতিথি ছিলেন কলকাতার রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক প্রফেসর ড. নূপুর গাঙ্গুলি।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, নজরুলকে স্মরণের মাধ্যমে বাঙালির অস্তিত্বকেই স্মরণ করা হয়। বাঙালির অনুভবে মিশে আছে নজরুল। প্রেম ও দ্রোহে, সত্যে ও সততায়, দ্বিধাহীন চেতনার আলোকে এই ঝরনাধারা আজো বইয়ে দিচ্ছেন নজরুল। তাই আসুন আমরা সবাই নজরুলকে বুকে ধারণ করে অসাম্প্রদায়িক সমাজ গড়ে তুলি।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পরিষদের ছাত্রছাত্রীরা ‘অঞ্জলি লহ মোর সঙ্গীতে’ গানটি সমবেতকণ্ঠে পরিবেশন করে। ছাত্রছাত্রীরা একক ও সমবেতকণ্ঠে নজরুলসঙ্গীত পরিবেশনের পর প্রফেসর ড. নূপুর গাঙ্গুলি ঘণ্টাব্যাপী একককণ্ঠে নজরুলের গান পরিবেশন করেন। তার কণ্ঠে শোনা নজরুলের সঙ্গীতে উপস্থিত দর্শকবৃন্দ বিমোহিত হয়ে যান। সমগ্র অনুষ্ঠান উপস্থাপন করেন অধ্যাপক দেবাশীষ রুদ্র। সঙ্গীতানুষ্ঠান পরিচালনা করেন পরিষদের শিক্ষক মিতালী রায়, পিন্টু ঘোষ, শম্পা ভট্টাচার্য্য, বনানী চক্রবর্তী, জয় প্রকাশ ভট্টাচার্য্য, প্রান্ত আচার্য্য ও দীপ্ত দত্ত প্রমুখ। বিজ্ঞপ্তি।


আরো সংবাদ




astropay bozdurmak istiyorum