১৭ অক্টোবর ২০১৯

সচিবালয়ের গেট আধুনিকায়ন করা হচ্ছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

-

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, সরকারের প্রাণকেন্দ্র সচিবালয়। তাই নিরাপত্তার জন্য সচিবালয়ের গেটগুলো আধুনিকায়ন করা হচ্ছে। আধুনিক স্ক্যানার বসানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সময় দিলে চলতি মাসেই ই-পাসপোর্ট উদ্বোধন করা হবে বলেও তিনি জানান।
গতকাল বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সচিবালয়ে কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরামের (বিএসআরএফ) নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির নেতাদের সাথে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। বিএসআরএফের সভাপতি তপন বিশ্বাস ও সাধারণ সম্পাদক শামীম আহমেদের নেতৃত্বে ২১ সদস্যের প্রতিনিধিদল সভায় অংশ নেয়।
সাংবাদিকরা পাঁচ নম্বর গেট (প্রেস ক্লাবের পাশে) দিয়ে সচিবালয়ে প্রবেশের অনুমতি চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সচিবের সাথে পরামর্শ করে এ বিষয়ে একটি উদ্যোগ নেবো। এটি কোনো কঠিন কাজ নয়। বিএসআরএফের সদস্যরা পাসপোর্ট সংক্রান্ত যাবতীয় কাজ যাতে সচিবালয়ের অভ্যন্তরে করতে পারেন, সে ব্যাপারেও মন্ত্রীর উদ্যোগ চেয়েছেন। তিনি তাদের একটি তালিকা চেয়েছেন। তালিকায় যাদের নাম আসবে তাদের এ সুযোগ দেয়ার ব্যবস্থা করা হবে বলে মন্ত্রী জানান।
ই-পাসপোর্ট চালু হচ্ছে বলে কয়েক দফা তারিখ ঘোষণা করা হলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি। কবে নাগাদ ই-পাসপোর্ট চালু হচ্ছেÑ জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা ই-পাসপোর্টের আগে এমআরপি করেছি। ২ কোটি ৬০ লাখ মানুষের কাছে এমআরপি (মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট) হ্যান্ডওভার করতে পেরেছি। সারা পৃথিবীতে নতুন প্রযুক্তিতে ই-পাসপোর্ট চলে আসছে। ই-পাসপোর্ট ও ই-গেট করতে আমরা প্রজেক্ট নিয়ে কাজ করছি। জার্মানির একটি খ্যাতনামা কোম্পানি পুরো প্যাকেজ নিয়ে কাজ করছে। তারা সব ধরনের কাজ গুছিয়ে এনেছেন। জুলাইয়ের যেকোনো সময় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এটা উদ্বোধন করতে পারবেন। যদি না হয়, এটা প্রধানমন্ত্রীর সময়ের ওপর নির্ভর করছে। কারণ এটা একটা ঐতিহাসিক জিনিস আমরা করতে যাচ্ছি। সেই জায়গাটিতে যখন যাবো প্রধানমন্ত্রী তখন সেটা উদ্বোধন করবেন। এটা প্রায় রেডি হয়ে আছে, যেকোনো সময় আমরা করতে পারব।
অত্যাধুনিক ই-পাসপোর্ট একটি বায়োমেট্রিক পাসপোর্ট, যাতে একটি এমবেডেড ইলেকট্রনিক মাইক্রোপ্রসেসর (মোবাইলের মেমোরি কার্ডের মতো) চিপ থাকবে। এই মাইক্রোপ্রসেসর চিপে পাসপোর্টধারীর বায়োগ্রাফিক ও বায়োমেট্রিক (ছবি, আঙুলের ছাপ ও চোখের মণি) তথ্য সংরক্ষণ করা হবে, যাতে পাসপোর্টধারীর পরিচয়ের সত্যতা থাকে। ই-পাসপোর্ট চালু হলে জালিয়াতি ও পরিচয় গোপন করার কাজ কঠিন হবে বলে দাবি করছে অধিদফতর। পৃথিবীর ১১৯টি দেশের নাগরিকরা ই-পাসপোর্ট ব্যবহার করেন।
প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের জুলাইয়ে অধিদফতরের সাবেক মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাসুদ রেজওয়ান জার্মানির কোম্পানি ভেরিডোসের সাথে ই-পাসপোর্টের চুক্তি করেন। এরপর ডিসেম্বর মাসে পাসপোর্ট দেয়ার কথা থাকলেও সেই সিদ্ধান্তে কিছুটা পরিবর্তন আনে অধিদফতর।

 


আরো সংবাদ




astropay bozdurmak istiyorum