২২ জুলাই ২০১৯
মহিলা পরিষদের সার্টিফিকেট কোর্সের উদ্বোধন

‘একুশ শতকের ভাবনা হবে কেউ পেছনে পড়ে থাকবে না’

-

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ সভাপতি আয়শা খানম বলেছেন, একুশ শতকের ভাবনা হবে ‘কেউ পেছনে পড়ে থাকবে না’। জেন্ডার ইকুয়ালিটির মাধ্যমে নারী-পুরুষের সমতা আনয়ন এবং সম্পদে নারী ও পুরুষের সম-অধিকার প্রতিষ্ঠা করা।
গতকাল মহিলা পরিষদ পরিচালিত ‘জেন্ডার, নারীর ক্ষমতায়ন ও উন্নয়ন’ বিষয়ক নবম সার্টিফিকেট কোর্সের গত উদ্বোধনী অধিবেশনে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, মহিলা পরিষদের কর্মসূচি বহুমুখী ও বহুমাত্রিক। এই বহুমাত্রিক কর্মসূচির মধ্যে একটি বড় কাজ হলো নারী আন্দোলনের মাধ্যমে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রে সচেতনতা তৈরি করা। গেল শতকের ৭০-এর দশকের সময় থেকে জেন্ডার, জেন্ডার বৈষম্য এবং নারী ও পুরুষের মধ্যে যে বৈষম্য ও বিভেদ সেটি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। এর প্রেক্ষিতে নারী আন্দোলনের মাধ্যমে জেন্ডার বৈষম্য দূর করে সমতাপূর্ণ সমাজ গড়ে তুলতে রাষ্ট্রের সাথে অ্যাডভোকেসি ও লবির কাজ শুরু হয়। এটি পুরো সমাজের দায়িত্ব। সার্টিফিকেট কোর্সে বিভিন্ন পেশাজীবী, মাঠকর্মী, এক্টিভিস্ট সবার অংশগ্রহণের মাধ্যমে নিজেদের জানা, বাইরের জগতকে জানা এবং দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের মাধ্যমে জেন্ডার সমতাপূর্ণ সমাজ গড়ে তোলার কাজটি চলমান থাকবে। এই কোর্সের উদ্দেশ্য হবে সবার আত্মমুক্তির চেষ্টা করা ও আত্ম উন্নয়নের অন্বেষণ করা এবং পেশাদারী মনোভাবের মাধ্যমে সমাজ ও রাষ্ট্রের উন্নয়ন করা। সব শেষে নারী-পুরুষের সমতাপূর্ণ সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য সবাইকে উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সুফিয়া কামাল ভবন অডিটরিয়ামে মহিলা পরিষদ পরিচালিত সার্টিফিকেট কোর্সের উদ্বোধনী অধিবেশনে মহিলা পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং কোর্স পরিচালক সীমা মোসলেম বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন মহিলা পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও পাঠাগার উপপরিষদ সম্পাদক রীনা আহমেদ। মহিলা পরিষদ আয়োজিত ‘জেন্ডার, নারীর ক্ষমতায়ন ও উন্নয়ন’ বিষয়ক নবম সার্টিফিকেট কোর্সটির মেয়াদকাল তিন মাস। যার উদ্দেশ্য হচ্ছে জেন্ডার সচেতনতা তৈরির মাধ্যমে জেন্ডার সংবেদনশীল মানবসম্পদ গড়ে তোলা। কোর্সে এ বছর ২৮ জন শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন।
সীমা মোসলেম বলেন, সমাজে নারী ও পুরুষের যে বৈষম্য রয়েছে তা সমাজের তৈরি। জেন্ডার বিষয়ে যদি সুস্পষ্ট ধারণা গড়ে ওঠে তাহলে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রকে জেন্ডার সংবেদনশীল দৃষ্টিতে দেখা সম্ভব হবে। আমরা বর্তমান সময়ে সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রে যেমন নারীর দৃশ্যমান অংশগ্রহণ দেখছি পাশাপাশি নারীর প্রতি যে সহিংসতা হচ্ছে সেটিও দেখছি।

 


আরো সংবাদ

gebze evden eve nakliyat instagram takipçi hilesi