২০ জুলাই ২০১৯

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে শিশু অধিকার কমিশন প্রয়োজন

-

ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট মো: ফজলে রাব্বী মিয়া বলেছেন, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে শিশু অধিকার সুরক্ষায় শিশু অধিকার কমিশন বা শিশু অধিদফতর গঠন করা প্রয়োজন।
জাতীয় সংসদ এলাকায় আইপিডি কনফারেন্স হলে (মিডিয়া সেন্টারের পাশে) অনুষ্ঠিত এক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। মো: ফজলে রাব্বী মিয়া আরো বলেন, শিশু অধিকারের বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য সংসদ সদস্যদের আরো বেশি সক্রিয়তা প্রয়োজন। ককাস ও সংসদ সক্রিভাবে কাজ করলে এবং শিশু অধিদফতর গঠন করা হলে দেশের শিশুদের উন্নয়ন আরো বেশি ত্বরান্বিত হবে যা বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের ভিত্তি আরো বেশি মজবুত করবে।
সভায় শিশু অধিকার রক্ষায় ২৫ সদস্যবিশিষ্ট ককাসের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন পাবনা মো: শামসুল হক টুকু এবং কো-চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য আরমা দত্ত। সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ শিশু অধিকার ফোরামের চেয়ারপারসন ড. খাজা সামছুল হুদা এবং সঞ্চালনা ও মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিএসএএফ-এর পরিচালক আব্দুস সহিদ মাহমুদ।
সভার শুরুতে বিএসএএফ-এর পরিচালক আব্দুস সহিদ মাহমুদ বাংলাদেশের সার্বিক শিশু অধিকার পরিস্থিতি তুলে ধরেন এবং শিশু অধিকার ও শিশু সুরক্ষায় সংসদ সদস্যদের করণীয় কিছু দিক তুলে ধরেন। এতে গ্লোবাল মার্চ এগেইনস্ট চাইল্ড লেবারের যোগাযোগ কর্মকর্তা ময়না শর্মা বলেন, সংসদ থেকে শুরু করে স্থানীয়পর্যায় পর্যন্ত সব ক্ষেত্রে আমাদের শিশু অধিকার ভিত্তিক সচেতনতা বৃদ্ধির প্রয়োজন আছে। তবে সংসদ সদস্যরা শিশু সুরক্ষার ব্যাপারে গতিশীল হলে সর্বস্তরে তার প্রভাব দ্রুত পড়ে। সে ক্ষেত্রে এই ককাসের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
টেরে ডেস হোমস- নেদারল্যান্ডসের কান্ট্রি ডিরেক্টর মাহমুদুল কবির বলেন, দেশে স্থানীয়পর্যায়ে জনগণ এবং প্রশাসন উভয় ক্ষেত্রেই শিশু অধিকারবিষয়ক জ্ঞানের ঘাটতি রয়েছে। সেই জন্য প্রয়োজন পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের মাধ্যমে কাজ করা।
ইউএনডিপি- মানবাধিকার কর্মসূচির জাতীয় সমন্বয়ক তাসলিমা ইসলাম বলেন, আমাদের উচিত জাতীয়পর্যায়ের এ রকম আলোচনায় শিশুদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা। সেই সাথে শিশু অধিকার সুরক্ষায় এবং এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ককাস বড় একটি নির্ণায়ক হিসেবে কাজ করবে বলে মত দেন তিনি।


আরো সংবাদ




gebze evden eve nakliyat instagram takipçi hilesi