২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮

বিয়ের নামে প্রতারণা করে কোটি টাকা হাতানোর অভিযোগ

-

প্রতারণা করে কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে নিলা। সে সুন্দর যুবক দেখলে প্রেমের ফাদে ফেলে বিয়ে করে কাবিন নামায় উল্লেখিত টাকা দাবি করে। টাকা না দিয়ে উল্টো যৌতুক ও দেনমোহর টাকা আদায়ের মামলা দায়ের করে। এ ঘটনায় ঢাকার আদালতপাড়ায় ব্যাপক গুঞ্জনের সৃষ্টি হয়েছে। শারমীন ইসলাম শিলার বয়স ২৩ বছর। তিনি এক চক্রের মাধ্যমে এ পর্যন্ত সাতটি বিয়ে করেছেন বলে ভুক্তভোগী ইমরান শেখ জানান। তিনি বলেন, আমাকে বিয়ে করার আগে সুমন নামে এক ব্যক্তিকে বিয়ে করে তার কাবিননামায় সে নিজেকে কুমারী উল্লেখ করে। ওয়াদুত নামে আরেক ব্যক্তিকে বিয়ে করে সে নিজেকে কুমারী দাবি করে। আমার নিকট বিয়ের রাতে কাবিনের টাকা দাবি করে এবং পরক্ষণে আরো পাঁচ লাখ টাকা দাবি করে সে। টাকা না দেয়ায় আমার বিরুদ্ধে ঢাকার সিএমএম আদালতে যৌতুকের মামলা করে। শুধু যৌতুক নয় ঢাকার সহকারী জজ ও পারিবারিক আদালতে দেনমোহর ও খোরপোষ আদায়ের মামলা করে। আমাকে নাজেহাল করে ভয়ভীতি দেখায়। সে জন্য আমি শারমিন ইসলাম নিলা ও তার মাসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করি। পরে আমার মা সাবিনা ইয়াসমিনের কাছে পাঁচ লাখ টাকা দাবি করে। টাকা না দেয়ায় আমার মাকে হত্যার হুমকি দেয়। এ ব্যাপারে সাবিনা ইয়াসমিন বলেনÑ আমি শারমিন ইসলাম নিলা ও তার বাবার বিরুদ্ধে ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করি। কাগজপত্র পর্যালোচনায় দেখা যায় শারমিন ইসলাম নিলা কখনো নিজের বাবা হিসেবে শাহআলম দাবি করে আবার নিজেকে শারমিনের পরিবর্তে শাহরিন ইসলাম নিলা বাবা ফিরোজ মিয়া উল্লেখ করেন। প্রত্যেক কাবিননামায় এই প্রতারণার আশ্রয় নিয়েছে। সে কখনো নিজেকে পিরোজপুর জেলার মেয়ে কখনো নারায়ণগঞ্জ জেলার মেয়ে উল্লেখ করে।
মামলার নথি থেকে জানা যায়, আবুল হোসেনের ছেলে সুমনকে শারমিন ইসলাম নিলা প্রেমের ফাঁদে ফেলে বিয়ে করে। বিয়ে রাতে স্বামীর কাছে কাবিনের টাকা দাবি করে। টাকা না দেয়ায় ভয়ভীতি দেখায়। পরে তার ভয়ে সুমন মিরপুর এলাকা ছেড়ে বিদেশে চলে যায়। অতঃপর নিলা তার শাশুড়ি রহিমার কাছে ৫ লাখ টাকা যৌতুক ও কাবিনের ৩ লাখ টাকা দাবি করায় তার বিরুদ্ধে ঢাকার সিএমএম আদালতে মামলা হয়।

 


আরো সংবাদ

সকল