২৬ মে ২০১৯

বলিউড ইন্ডাস্ট্রি ‘দেশদ্রোহী’! শাবানার বিরুদ্ধে হুঙ্কার কঙ্গনার

বলিউড ইন্ডাস্ট্রি ‘দেশদ্রোহী’! শাবানার বিরুদ্ধে হুঙ্কার কঙ্গনার - সংগৃহীত

পুলওয়ামায় সন্ত্রাসী হামলার জবাবে প্রতিশোধের জিগির এবং শান্তিকামী মতামতকে আক্রমণ করার ব্যাপারে রীতিমতো প্রতিযোগিতায় নেমে পড়েছেন বলিউড সেলেব্রিটিদের একাংশ। সোনু নিগম, মাধবন, অনুপম খের তো ছিলেনই। সবাইকে টপকে গিয়েছেন কঙ্গনা রানাবত। তিনি সরাসরি সর্বজন শ্রদ্ধেয় শাবানা আজমি এবং জাভেদ আখতারকে দেশদ্রোহী বলে আখ্যা দিয়ে বসেছেন।

কেন? শাবানার বাবা, কবি কাইফি আজমির এটা জন্মশতবর্ষ। সেই উপলক্ষে পাকিস্তানের করাচি আর্ট কাউন্সিলের পক্ষ থেকে শাবানাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল কাইফি স্মরণে একটি অনুষ্ঠানে। পুলওয়ামার ঘটনার পরে শাবানা জানিয়ে দেন, তিনি ওই অনুষ্ঠানে যাবেন না। এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের সঙ্গে সাংস্কৃতিক আদানপ্রদান চলতে পারে না, টুইটে লেখেন তিনি।

কঙ্গনার দাবি, শাবানাদের যে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল পাকিস্তানে এবং তারা যে প্রাথমিক ভাবে সেই আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছিলেন, সেটাই তাদের দেশদ্রোহের ‘প্রমাণ’। কঙ্গনার অভিযোগ, শাবানার মতো শিল্পীরা শত্রুদের মনোবল বাড়িয়ে থাকেন! তারা নাকি ‘ভারত তেরে টুকড়ে হোঙ্গে’ বলে স্লোগান তোলেন। এখন পাকিস্তান সফর বাতিল করে মুখরক্ষা করা যাবে না, হুঙ্কার কঙ্গনার। তার মতে, বলিউড ইন্ডাস্ট্রি ‘দেশদ্রোহী’তে ভরে গিয়েছে! পাকিস্তানকে ধ্বংস করাই এখন একমাত্র লক্ষ্য হওয়া উচিত। যারা শান্তির কথা বলবে, তাদের রাস্তায় ধরে চড় মারা উচিত বলেও নিদান হেঁকেছেন তিনি।

কঙ্গনার তর্জনের উত্তর অবশ্য খুব শান্ত ভাবেই দিয়েছেন শাবানা। প্রবীণ অভিনেত্রীকে এক সাক্ষাৎকারে এ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘‘গোটা দেশ যখন শোকার্ত মনে নিহত জওয়ানদের স্মরণ করছে, তখন আমাকে কে ব্যক্তিগত আক্রমণ করল, সেটা কি আদৌ মাথা ঘামানোর মতো বিষয়? স্রষ্টা ওকে (কঙ্গনাকে) আশীর্বাদ করুন!’’

সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা

গোটা দেশকে দোষ দেয়া যায় কি? মন্তব্য সিধুর

মাঠে তিনি ব্যাট হাতে নামলে বাউন্ডারি- ওভার বাউন্ডারির প্রত্যাশা করতেন সমর্থকরা। ছয় মারার অনায়াস দক্ষতার জন্য তাকে সিক্সার সিধু নামেও ডাকা হতো। চালিয়ে খেলতে গিয়ে একাধিকবার কম রানে প্যাভিলিয়নে ফিরতে হয়েছে। সেই ধারা বজায় রেখেই রাজনৈতিক ইনিংস খেলে চলেছেন পাঞ্জাবের মন্ত্রী নভজ্যোত সিং সিধু। কাশ্মিরে সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা করতে গিয়ে তার মন্তব্যে নতুন চিন্তার সৃষ্টি করে বসলেন কিছু দিন আগে বিজেপি ছেড়ে কংগ্রেসে আসা প্রাক্তন ভারতীয় ওপেনার।

সিধু বলেন, কয়েকটি লোকের জন্য একটা গোটা দেশকে দোষ দেয়া যায় কি? কোনো দেশের নাম না করলেও তার বক্তব্যকে ভারতের অনেকেই সহজভাবে নিতে পারছে না। তবে নিজের বক্তব্যের সমর্থনে তিনি আরো বলেন, কোনো একজন ব্যক্তির জন্য গোটা দেশকে দোষ দেয়া কি উচিত?
উল্লেখ্য, ইমরান খান পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ডাক পান সিধু এবং আরো কয়েকজন প্রাক্তন খেলোয়ার। সেখানে যান সিধু। শুধু যাওয়া নয়, পাকিস্তানের সেনা প্রধানের সঙ্গে আলিঙ্গনও করেন সিধু।


আরো সংবাদ

Instagram Web Viewer
agario agario - agario