২২ এপ্রিল ২০১৯

প্রশ্ন পিছু ছাড়েনি আমাকে : নন্দিতা

নন্দিতা দাশ - সংগৃহীত

গতানোগতিক ধারা থেকে একটু বাইরে গিয়ে চিন্তা করেন, কাজও করেন অন্যদের চেয়ে আলাদা ভাবে। এ জন্য প্রশংসার পাশাপাশি সমালোচিতও হয়েছেন নন্দিতা দাশ। তবে মানুষের বলা নিয়ে ভাবনা নেই নন্দিতার। তিনি মনে করেন, সমাজ পরিবর্তনের জন্য কাজ করলে, মানুষের চিন্তার স্বাধিনতার জন্য কাজ করলে ‘প্রশংসা’ ও ‘সমালোচনা’ দুটোর জন্যই প্রস্তুত থাকতে হবে। 

ভারতের বিকল্পধারার এই চলচ্চিত্র নির্মাতা  ‘অস্টম ঢাকা লিট ফেস্ট’ উপলক্ষে ঢাকায় এসে এসব কথা বলেন। ৮ নভেম্বর শুরু হওয়া এই উৎসব ১০ নভেম্বর পর্যন্ত চলার কথা। 

৯ নভেম্বর  উৎসবের দ্বিতীয় দিনে বাংলা একাডেমিতে আয়োজিত ‘ব্রেকিং ব্যাড’ নামের এক সেশনে এসে তিনি বলেন, আমি সব সময় চোখের সামনের ক্রুটি গুলো নিয়ে কাজ করতে চাই। কারণ যে ক্রটিগুলো আমার সবচেয়ে নিকটবর্তী সেগুলো দূর না করে সামনের দিকে তাকিয়ে বা ভেবে লাভ কি বলুন?’ তিনি টেলিভিশনে প্রসাধনী সামগ্রীর বিজ্ঞাপনকে উদাহরণ হিসাবে আলোচনার প্রসঙ্গ করেন। 

নন্দিতা বলেন, ‘একটু কালো বর্ণের মেয়েদের কেমন করে দেখছে সমাজ! ভাবুন তো? বিউটি প্রোডাক্ট বেড়েই চলেছে। চামড়া ফর্সা করার জন্য কত ধরণের ফেইসওয়াস যে বাজারে এসেছে! আমার মতে, এই পণ্যগুলো নারীদের মনোবল একেবারে ভেঙ্গে দিচ্ছে। আমি যখন নারীদের নিয়ে একটি ক্যাম্পেইন করেছি, তখন দেখলাম বিউটি প্রোডাক্টগুলো ওদের মনকে কিভাবে ছোট করে দেয়। কেউ কেউ তো আত্মহত্যা করতেও গিয়েছিল।’

জনপ্রিয় এই ভারতের নারী নির্মাতা বলেন, ‘কোনো ধরণের যৌন নিপীড়ন আমি একেবারেই সহ্য করব না। নারীদের বলছি, তোমরা নিজেদের উপর বিশ্বাস রাখো, বিশ্বাস হারিও না। সহ্য করতে করতে নিপীড়করা পার পেয়ে যাচ্ছে। আর না, এবার এসো প্রতিবাদ করো।’

নন্দিতা দাশ কথা বলেন তার অভিনীত সিনেমা ‘ফায়ার’ নিয়ে। দীপা মেহতার পরিচালনায় এ সিনেমাতে তিনি অভিনয় করেছিলেন এক সমকামী নারীর চরিত্রে। এই চরিত্রে অভিনয় করতে গিয়ে ও সিনেমাটি মুক্তির পর কঠোর সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল তাকে। কট্টরপন্থীদের কঠোর সমালোচনা ও প্রেক্ষাগৃহে হামলার ঘটনায় সেন্সর বোর্ড একাধিকার এই চলচ্চিত্রটির প্রদর্শন বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছিল। পরে অবশ্য ছবিটিকে আটকে রাখা যায়নি।

নন্দিতা দাশ বলেন, ‘এখন ভারতের আদালতে সমকামিতাকে বৈধতা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সে সময়ে একজন নারী অভিনেত্রী বোল্ড ক্যারাক্টার প্লে করবে, তাও আবার সমকামী নারীর চরিত্রে, ভূভারতের সংস্কৃতি কি তা মেনে নেবে? সমাজ নারী স্বাধীনতার কথা বললেও সে সময়ে আমাদের সে সিনেমাটিকে তারা মেনে নিতে পারেনি। আমার পরিচিতজনরা দেখা হলেই বলত, ‘আচ্ছা আপনি এই বাজে সিনেমাটিতে কেন অভিনয় করলেন বলুন তো! আচ্ছা আপনি তো সমকামী চরিতে অভিনয় করেছেন, বাস্তবেও কি আপনি সমকামী?’ আমি যখন বিমানে উঠেছি অন্য দেশে যাব বলে, তখনও সেই প্রশ্ন। প্রশ্ন পিছু ছাড়েনি আমাকে।’

নন্দিতা ঢাকায় এসেছেন মূলত তার নির্মিত ‘মান্টো’ ছবির প্রচারণা করতে। উৎসবের প্রথম দিনে ছবির বাংলাদেশ প্রিমিয়ার শো হয়েছে। অসাধারণ এক মানুষের ওপর তৈরি এক অসাধারণ চলচ্চিত্র। উর্দু সাহিত্যের এক অনন্য প্রতিভা সা’দত হাসান মান্টোকে ভারত ও পাকিস্তান দুই দেশই তাদের লোক মনে করে। তার ওপর ২০১৫ সালে পাকিস্তানেও ‘মান্টো’ নামেই ছবি তৈরি হয়েছে।

১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের সময় পাঞ্জাব ও বাংলাকে কেটে দুই টুকরো করে ভারত ও পাকিস্তানের পাতে একেক টুকরো তুলে দেওয়া হয়। এ সময় সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় পাঞ্জাব ও বাংলায় অসংখ্য মানুষ প্রাণ হারায়। লাখ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়। দেশ বিভাগের এই নির্মমতার ছবি এঁকে যে কজন উর্দু লেখক উর্দু সাহিত্যে একটি বিশিষ্ট ধারা প্রবর্তন করেছেন, তাদের পুরোভাগে আছেন মান্টো। 

মান্টো তার সময় থেকে এগিয়ে ছিলেন বলে বিতর্ক তার পিছু ছাড়েনি। তার লেখার বিরুদ্ধে অশ্লীলতার অভিযোগ ওঠায় বারবার তাকে কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হয়েছে। ব্রিটিশ ভারতে যেমন, তেমনি আযাদ পাকিস্তানে। সব সময় দুই দেশের মুক্তমনা মানুষ তার পক্ষে দাঁড়িয়েছেন। নিজের লেখা সম্পর্কে আদালতে দাঁড়িয়ে তিনি বলেছেন, ‘আমি তো পর্নোগ্রাফি লেখক নই, আমি সাহিত্যিক। আমরা চোখের সামনে যা ঘটেছে দেখতে পাই, তা নিয়ে লিখতে আপত্তি কেন?’ তার লেখায় খোলা চোখে দেখা সমাজের রূঢ়, অপ্রিয় বাস্তবতা ও অসংগতির অকুণ্ঠ প্রকাশ সমাজকে, রাষ্ট্রযন্ত্রকে বিচলিত করে তুলত।

নন্দিতা দাস মান্টোর পুরো জীবনকে ধরেননি। মান্টোর জীবনের সবচেয়ে উত্তাল সময় ১৯৪৬ থেকে ১৯৫০ এই চার বছরকে অবলম্বন করে তিনি মান্টোকে তুলে ধরেছেন। মান্টো তার জীবনের এই সময়ের অভিজ্ঞতার আলোকেই সবচেয়ে শক্তিশালী, আলোচিত-বিতর্কিত গল্পগুলো লিখেছেন। ছবির ঘটনাস্থল বোম্বে ও লাহোর। যে দুই শহরে ভারত বিভাগের অব্যবহিত পূর্বে ও পরে মান্টো বাস করতেন। গত বছর মান্টোকে নিয়ে নন্দিতা দাস ‘ইন ডিফেন্স অব ফ্রিডম’ নামে একটি শর্টফিল্ম তৈরি করেন। সেটি ‘টরন্টো আন্তর্জাতিক ফিল্ম ফেস্টিভালে’ প্রশংসিত হয়েছে। ফিল্মটি ইউটিউবে পাওয়া যায়।

মান্টো ছবিতে মান্টোর জীবনের মাত্র চার বছরের চিত্রায়ণে উঠে এসেছে বোম্বেতে ইসমত চুঘতাই, কৃষণ চন্দর, অভিনেতা অশোক কুমার ও শ্যাম চাড্ডার সাথে তার সখ্য, দাঙ্গার কারণে পাকিস্তানে চলে যাওয়া, পাকিস্তানে ‘ঠান্ডা গোস্ত’ গল্প নিয়ে অশ্লীলতার মামলা, স্ত্রী সাফিয়া ও পারিবারিক জীবন, অর্থসংকট, অত্যধিক মদ্যপান, দেশ বিভাগের পরিণতি থেকে তৈরি হওয়া মানসিক যাতনা এবং সর্বোপরি একজন লেখকের স্বাধীনতার জন্য তার ক্লান্তিহীন লড়াইয়ের কথা।

মান্টোর বিখ্যাত গল্পগুলোকে নন্দিতা দাস অসাধারণ মুনশিয়ানার সাথে ছবিতে তুলে এনেছেন। ছবি শুরু হয়েছে ‘দশ রুপাই’ গল্প দিয়ে। যে গল্পে এক শিশু যৌনকর্মীর একদিন খদ্দেরের সাথে বেড়াতে যাওয়ার কথা আছে। তার বিখ্যাত গল্প ‘ঠান্ডা গোস্ত’ কিংবা ‘খোল দো’কে পরিচালক অতুলনীয় নৈপুণ্যে কাহিনির সাথে মিশিয়ে দিয়েছেন। দেশ বিভাগের সময় নারী নির্যাতনের ভয়াবহতা অস্বস্তিকরভাবে তুলে ধরার জন্য এই দুটো গল্পের জন্য পাকিস্তানে মান্টোকে কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হয়। ছবির শেষ হয় মান্টোর আরেকটি বিখ্যাত গল্প ‘টোবা টেক সিং’ দিয়ে। দেশভাগের পর ভারত ও পাকিস্তান সরকার হিন্দু পাগলদের ভারত এবং মুসলিম পাগলদের পাকিস্তানে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়। লাহোরের এক মানসিক হাসপাতালে থাকা একজন পাগল বিষাণ সিংয়ের বাড়ি পাকিস্তানের টোবা টেক সিংয়ে। সে ভারত–পাকিস্তান চেনে না। কেবল তার গ্রাম টোবা টেক সিং যেতে চায়। অবশেষে দুই দেশের সীমানায়, নোম্যান্স ল্যান্ডে কাঁটাতারের দুই পাশে দুই পা রেখে বিষাণ সিং মারা যায়। সেই নোম্যান্স ল্যান্ডই যেন হয়ে যায় বিষাণ সিংয়ের টোবা টেক সিং।

মান্টো চরিত্রে নাকি ইরফান খানের অভিনয় করার কথা ছিল। তার বদলে নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকীকে নিয়ে নন্দিতা ঠিক কাজটি করেছেন। বিখ্যাত অভিনেতা ইরফান খানের মধ্যে বেচারা মান্টোকে হারিয়ে ফেলার ঝুঁকি ছিল। কিন্তু নওয়াজ চমৎকারভাবে নিজেকে মান্টোতে রূপান্তরিত করেছেন। ছোট ছোট একেকটি দৃশ্যে জাভেদ আখতার, ঋষি কাপুর, পরেশ রাওয়ালের মতো হেভিওয়েটদের দেখে ভালো লেগেছে।

বাংলাদেশের কথাসাহিত্যিক আখতারুজ্জামান ইলিয়াস বলতেন যে তিনি পাঠকের মনে আরাম দেওয়ার জন্য লেখেন না। তিনি লেখেন যেন তার লেখা পড়ে সমাজের নানা অসংগতি দেখে মানুষের মনে অস্বস্তি সৃষ্টি হয়। গতকাল নন্দিতা দাসও তার ছবি সম্পর্কে একই কথা বললেন। হ্যাঁ, এই ছবি দেখে মনে একটি অস্বস্তি সৃষ্টি হয় বৈকি। মান্টোর লেখা পড়ে যে অস্বস্তি ও হাহাকার একসঙ্গেই হয়, তা–ই এই ছবির পরতে পরতে ছড়িয়ে আছে। একজন সাহসী, সময়ের চেয়ে অগ্রসর মানুষ মান্টোর জীবনের ছবিও তার গল্পের মতো সমাজের নানা অসংগতির দিকে, অবিচারের প্রতি, স্বার্থান্ধতার প্রতি আমাদের মনোযোগ টানে। 

মান্টো তার একটি গল্পে বলেছেন, ‘এ কথা বলো না যে এক লাখ হিন্দু বা এক লাখ মুসলমান মারা গেছে। বলো যে দুই লাখ মানব সন্তান নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে।’ মান্টো এ কথাগুলো যে সময়ে বলেছেন, তারপর অনেকগুলো বছর পার হয়ে গেছে। কিন্তু আজও মানুষ তার ধর্মীয় পরিচয়, জাতীয় পরিচয়ের নিগড় ভেঙে মানুষ পরিচয় নিয়ে দাঁড়াতে পারেনি; বরং মানুষ যেন আরও বেশি করে হিন্দু, মুসলমান, ইহুদি, খ্রিষ্টান হয়ে উঠছে। হিংসায় আরও উন্মত্ত হচ্ছে পৃথ্বী।

প্রায় পৌনে এক শতাব্দী আগে মান্টোকে বাক্‌স্বাধীনতার জন্য লড়তে হয়েছিল। আজও বিশ্বব্যাপী লেখক–শিল্পীদের সেই লড়াই করতে হচ্ছে, বারবার হেরে যেতে হচ্ছে, হারিয়ে যেতে হচ্ছে, মরতে হচ্ছে।

মান্টোর আগে বলিউডে ‘ফেরাক’ সিনেমা পরিচালনা করে আলোচিত হয়েছিলেন নন্দিতা। এ সম্পর্কে নন্দিতা বলেন, ‘ফেরাক-সিনেমা মুক্তির পর সবাই ভাবল, এই সেরেছে! একজন নারী অভিনেত্রীর সিনেমা মুক্তি পেল! পরিচালক হিসেবে নয়, আমার পরিচয় হল আমি নারী, আমার পরিচালক সত্তার কথা বেমালুম ভুলে গেলো ওরা।’

তারপরেও সমালোচনায় দমে যাননি পরিচালক নন্দিতা দাশ। বললেন, ‘আমি মোটেও দমে যাইনি। এতটুকুও লজ্জা পাইনি। নিজের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড আমি নিজেই করে নিয়েছি।’

বলিউডের আইটেম গানগুলোতে নারীদের বাজেভাবে প্রদর্শন করার কঠোর সমালোচনাও করেন নন্দিতা দাশ। বললেন, ‘কজন পরিচালকের মুখ্য উদ্দেশ্যই হচ্ছে, নারীদের অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলোকে কিভাবে পর্দায় ফুটিয়ে তুলবেন। ভায়োলেন্সের ব্যাপারটা কিভাবে নান্দনিকভাবে ফুটিয়ে তুলবে, সেটাই ভাবতে থাকে ওরা। ব্যাপারটি ভীষণ অস্বস্তিকর।’

নন্দিতা দাশের জন্ম ১৯৬৯ সালে মুম্বাই নগরে। হিন্দি ভাষার পাশাপাশি এই অভিনেত্রী তিনটি বাংলা ছবি, মালায়ালাম, তামিল, উর্দু, রাজস্থানী, কনড়সহ ভারতের বেশ কিছু  আঞ্চলিক ভাষার সিনেমায় অভিনয় করেছেন। এ পর্যন্ত ১০ টি ভাষার ৪০টির বেশি সিনেমায় অভিনয় করেছেন। তার অভিনীত চলচ্চিত্রের মধ্যে ফায়ার, ১৯৪৭ আর্থ, বাওয়ান্দার, আজাগি, বিফোর দ্য রেইনস অন্যতম।

নন্দিতা দাশের সমাজ ও রাজনীতি-সচেতনতা তার সিনেমায় স্পষ্ট। ১৯৯৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত হিন্দি ভাষার সিনেমা ‘১৯৪৭ আর্থ’-এ অভিনয়ের জন্য তিনি ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিষেক অভিনেত্রীর পুরস্কার লাভ করেছিলেন। ২০০৭ সালের মুক্তিপ্রাপ্ত মালায়ালাম-ইংরেজি সিনেমা ‘বিফোর দ্য রেইন’ মূলত ভারতের ইংরেজ শাসন এবং এর প্রভাবকেন্দ্রিক।

তার পরিচালিত প্রথম সিনেমা ‘ফিরাক’। ছবিটি হিন্দি, উর্দু এবং গুজরাটি ভাষায় মুক্তি পেয়েছিল ২০০৮ সালে। ‘মান্টো’ তার দ্বিতীয় সিনেমা। লিট ফেস্টের প্রথম দিন উৎসবে প্রদর্শিত হয় ছবিটি।

২০০৯ সালে চলচ্চিত্রে বিশেষ অবদানের জন্য ফ্রান্স সরকার তাকে ‘অড্রে দেস আর্টস অ্যাট দেস লেটারস’ সম্মাননায় ভূষিত করে। চলচ্চিত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘এশিয়ান ফেস্টিভ্যাল অব ফার্স্ট ফিল্ম পুরস্কার’, ‘নন্দী পুরস্কার’, ‘ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল অব কেরালা পুরস্কার’সহ অনেক পুরস্কার লাভ করেছেন তিনি। দুইবার কান চলচ্চিত্র উৎসবের বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনিই প্রথম ভারতীয় যিনি শিল্পকলায় অবদানের জন্য আন্তর্জাতিক নারী ফোরামের কাছ থেকে সম্মানিত হন।

 


আরো সংবাদ

শ্রীলঙ্কা হামলা সম্পর্কে চাঞ্চল্যকর তথ্য : বিস্ফোরণের আগে কী করছিল আত্মঘাতীরা! প্রেমিকের পরকীয়া : স্ত্রীর স্বীকৃতি না পেয়ে তরুণীর কেরোসিন ঢেলে আত্মহত্যা যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় নিরাপত্তা বাহিনী সজাগ রয়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজবাড়ীতে বিকাশ প্রতারক চক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার শ্রীলঙ্কায় এবার মসজিদে হামলা ব্রুনাইয়ের সাথে বাংলাদেশের ৭টি চুক্তি স্বাক্ষর মানিকছড়ি বাজারে সিসি ক্যামেরা স্থাপনে সেনাবাহিনীর অনুদান শবেবরাতের নামাজের জন্য বেরিয়ে সহপাঠীদের হাতে খুন স্কুলছাত্র কলম্বিয়ায় ভূমিধসে ১৯ জনের প্রাণহানি উজিরপুরে লঞ্চচাপায় ডাব বিক্রেতার মৃত্যু : আটক ২ অভিনন্দনকে একটা বীর চক্র দিলেই সত্য পাল্টে যাবে না : পাকিস্তান

সকল




iptv al Epoksi boya epoksi zemin kaplama Daftar Situs Agen Judi Bola Net Online Terpercaya Resmi

Hacklink

Bursa evden eve nakliyat
arsa fiyatları tesettür giyim
Canlı Radyo Dinle hd film izle instagram takipçi satın al ofis taşıma Instagram Web Viewer

canli radyo dinle

Yabanci Dil Seslendirme

instagram takipçi satın al
hd film izle
gebze evden eve nakliyat