২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮

পিটের বিরুদ্ধে ভয়ঙ্কর অভিযোগ জোলির

পিটের বিরুদ্ধে ভয়ঙ্কর অভিযোগ জোলির - ছবি : সংগৃহীত

বিচ্ছেদের দু’‌বছর পরেও ব্র্যাড পিটের উদ্দেশে তোপ দাগতে পিছপা নন হলিউড মেগাস্টার অ্যাঞ্জেলিনা জোলি। সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে জোলি দাবি করেছেন, সন্তানদের প্রতি দায়িত্ববান ছিলেন না পিট। পিতা হিসেবে সন্তানদের দেখভালের যে দায়িত্ব, সেটা পালন করেননি তিনি। বিবাহবিচ্ছেদের পরে সন্তানরা কার কাছে থাকবে এনিয়ে আদালতে পিট–জোলির লড়াই এখনো চলছে।

সেই প্রসঙ্গে মন্তব্য করতে গিয়ে জোলি বলেছেন, ‘‌আমি কখনোই চাইব না, পিটের মতো একজন দায়িত্বজ্ঞানহীন মানুষ আমার সন্তানের দায়িত্ব পাক। শুধু দেখভালই নয় পিতা হিসেবে যে অর্থনৈতিক দায়িত্ব হয়, সেটাও ঠিকমতো পালন করেনি পিট।’

সন্তানদের অধিকারের মামলার শু‌নানি পিটের দীর্ঘসূত্রতার জন্য বিলম্বিত হচ্ছে বলে মনে করেন জোলি। বিচারকের কাছে তার আবেদন, ‘‌যত দ্রুত সম্ভব এই মামলার শুনানি শেষ হোক। কারণ, এখানে কতগুলি নিষ্পাপ শিশুর ভবিষ্যৎ জড়িয়ে আছে।’‌ জোলির দাবি, পিট একজন দয়ামায়াহীন মানুষ। তিনি বলেছেন, ‘‌একবার একটি উড়ানে বিমানের মধ্যে আমার সন্তানদের সঙ্গে ও যে নৃশংস আচরণ করেছিল, সেটা ক্ষমার অযোগ্য। শিশুদের প্রতি যার ভালোবাসা নেই, সে আর যাই হোক আদর্শ পিতা হতে পারে না। তার হাতে শিশুদের ভবিষ্যতের দায়িত্বও ছাড়া যায় না।’‌

আরো পড়ুন :

হুমায়ূন স্মরণে ম্যাড থেটারের নাটক নদ্দিউ নতিম
আলমগীর কবীর
হুমায়ূন আহমেদ আমাদের ভালোবাসার গণ্ডি ছাড়িয়ে চলে গেছেন অন্য ভুবনে, নিয়তি নির্ধারিত তার মেঘের ওপর বাড়িতে, আমাদের জোছনা আর বৃষ্টিস্নাত পৃথিবীতে তার অনুপস্থিতির কাল ছয় বছর। তার উপন্যাসের পাতা থেকে উঠে আসা একজন কাল্পনিক কবি ‘নদ্দিউ নতিম’ দিনের শেষে সাজঘরে তাকে খুঁজে ফেরে, যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ তখন অন্ধকারের গানে তাকে স্মরণ করে। বৃষ্টি ছিল হুমায়ূন আহমেদের খুব প্রিয়, বৃষ্টি বিলাসে মনটাকে ভিজিয়ে সজীব রাখতেন নিজেকে। ছয় বছর আগে শ্রাবণ মাসের ৪ তারিখে ভরা বাদলে হুমায়ূন আহমেদে চলে গেলেন অনেক অনেক দূরে। শ্রাবণ মেঘের দিনে হুমায়ূন চলে গেলেন অনন্ত নক্ষত্র বীথির মাঝে।

তার স্মরণে আগামী ২৭ শ্রাবণ (১১ আগস্ট) রোজ শনিবার শিল্পকলা একাডেমির স্টুডিও থিয়েটার হলে প্রদর্শিত হবে ম্যাড থেটারের নাটক ‘নদ্দিউ নতিম’। কিংবদন্তি কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের ‘কে কথা কয়’ উপন্যাস অবলম্বনে ‘নদ্দিউ নতিম’ নাটকটি রচনা ও নির্দেশনা দিয়েছেন আসাদুল ইসলাম। অভিনয়ে আসাদুল ইসলাম, সোনিয়া হাসান ও আর্য মেঘদূত, যারা একই পরিবারের সদস্য। এটিও বাংলা নাটকের নতুন মেরুকরণ। দর্শকদের মাঝে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টিকারী নাটকটির গত নভেম্বরে লন্ডনে তিনটি প্রদর্শনী হয়। এরপর থেকে প্রতিটি প্রদর্শনীতে দর্শকদের মধ্যে অভূতপূর্ব সাড়া ফেলে যায় নাটকটি। আগামী ২৭ শ্রাবণ (১১ আগস্ট) হুমায়ূন আহমেদ স্মরণে প্রদর্শিত হতে যাচ্ছে ‘নদ্দিউ নতিম’ নাটকের ৪৩তম প্রদর্শনী।

বাংলাদেশের মূলধারার নাটকে ‘নদ্দিউ নতিম’ই প্রথম নাটক যেখানে একজন শিশু একটি কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছে। বর্তমান সময়ে একজন মানুষ অন্য একজনকে হত্যার জন্য নিজেকে আত্মাহুতি দিচ্ছে। এ নাটকে দেখা যায় একজন মানসিক প্রতিবন্ধী শিশুকে বাঁচাতে একজন কবির নির্বিকার আত্মাহুতি। অর্থাৎ অন্যকে হত্যা করতে নয়, বরং বাঁচাতেই আরেক মানুষের জীবন উৎসর্গ, যা এই সময়ের জন্য এক অনন্য আদর্শ হিসেবে পরিগণিত। এই নাটকে একটি কাল্পনিক পরিবারের কাহিনী মঞ্চস্থ হয় যা একটি বাস্তব পরিবারের সদস্যরা অভিনয়ের মাধ্যমে দর্শকের সামনে ফুটিয়ে তোলে। নাটকটির সহযোগী নির্দেশক আনিসুল হক বরুণ, সেট ও লাইট ডিজাইন ফয়েজ জহির, পোশাক সোনিয়া হাসান, আবহসঙ্গীত আর্য মেঘদূত, আলোক নিয়ন্ত্রণে আরিফ আহমেদ ও আবহসঙ্গীত নিয়ন্ত্রণে রয়েছেন আদর।

দেশে ও দেশের বাইরে ‘নদ্দিউ নতিম’ নাটকের একের পর এক সফল প্রদর্শনীর মধ্য দিয়ে ম্যাড থেটার দর্শকদের মন জয় করে চলেছে।


আরো সংবাদ