০৭ ডিসেম্বর ২০১৯

উৎসুক জনতা হিসেবে এসে দেখলেন চাচা-চাচির লাশ

উৎসুক জনতা হিসেবে এসে দেখলেন চাচা-চাচির লাশ - ছবি : সংগৃহীত

উৎসুক জনতা হিসেবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় ট্রেন দুর্ঘটনাস্থলে এসেছিলেন চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার রাজারগাঁও এলাকার মো. শাহাদৎ। কিন্তু সেখানে এসে দেখলেন নিজের চাচা মজিবুর রহমান (৫০) ও চাচি কুলসুমা (৪৩) লাশ হয়ে পড়ে আছেন। লাশ কসবা উপজেলার বায়েক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বারান্দায় শুয়ে আছেন তারা।

ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের‏ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার মন্দভাগ রেলওয়ে স্টেশনে দুই ট্রেনের সংঘর্ষে অন্তত ১৬ জন নিহত এবং শতাধিক আহত হয়েছেন। হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। সোমবার দিবাগত রাত ২টা ৪৮মিনিটে চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী তূর্ণা নিশিথা ও সিলেট থেকে ছেড়ে আসা চট্টগ্রামগামী উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেনের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। হতাহতরা সবাই উদয়ন ট্রেনের যাত্রী।

শাহাদৎ জানান, তিনি মন্দবাগ এলাকায় থেকে ফার্নিচার তৈরির কাজ করেন। মন্দবাগ রেলওয়ে স্টেশনে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনার খবর শুনে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন। এরপর সেখান থেকে বায়েক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আসেন মরদেহ দেখতে। কিন্তু বারান্দায় থাকা নিজের চাচা মজিবুর রহমান ও চাচি কুলসুমার মরদেহ দেখে হতবাক হয়ে পড়েন তিনি।

তিনি বলেন, মজিবুর রহমান মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে ব্যবসা করতেন। উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেনে করে তিনি ও তার স্ত্রী চাঁদপুরে নিজ বাড়িতে ফিরছিলেন।


আরো সংবাদ




Paykwik Paykasa
Paykwik