২১ আগস্ট ২০১৯

স্ত্রীকে অচেতন করে শ্যালিকাকে ধর্ষণ, অত:পর হত্যা

-

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় স্ত্রীকে অচেতন করে শ্যালিকাকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করেছে এক লম্পট ভগ্নিপতি।

বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় সদর উপজেলার নাটাই (দক্ষিণ) ইউনিয়নের শালগাঁও গ্রামে দুলাভাইয়ের বাড়ি থেকে পুলিশ শ্যালিকার লাশ উদ্ধার করেছে । নিহত শ্যালিকার নাম তামান্না আক্তার (১৫)। সে শালগাঁও গ্রামের নোয়াব মিয়ার মেয়ে। এবং শালগাঁও কালিসিমা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত দুলাভাই নাঈম ইসলাম (২৭) পলাতক রয়েছেন।

নিহত তামান্নার বড় বোন স্মৃতি আক্তার (নাঈমের স্ত্রী) জানান, তার স্বামী নাঈম ও শ্বশুর বসু মিয়া একই সাথে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের সড়ক বাজারে নৈশপ্রহরীর কাজ করেন। গত সোমবার শ্যালিকা তামান্নাকে খবর দিয়ে বাড়িতে আনেন নাঈম। বুধবার রাতে বসু মিয়া কাজে গেলেও নাঈম যাননি। স্মৃতি কাজে না যাওয়ার কারণ জানতে চাইলে নাঈম জানান তিনি সকালে ঢাকা থেকে তার মাকে আনতে যাবেন।

নাঈমের স্ত্রী স্মৃতি বলেন, রাত সাড়ে ৯টার দিকে নাঈম আমের জুস নিয়ে তার মেয়ে জান্নাতকে খাওয়ান। জুস খেয়ে জান্নাত ঘুমিয়ে পড়ে। এরপর শ্যালিকা তামান্নাকেও জুস খেতে বললে তামান্না জুস না খাওয়ায় স্মৃতি সেই জুস খান। জুস খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে স্মৃতি অচেতন হয়ে পড়েন। সকালে ঘুম থেকে উঠে তামান্নাকে ডাক দিলেও সে কোনো সাড়া দেয়নি। এরপর তামান্নার কাছে গিয়ে দেখেন তার শরীর রক্তাক্ত। খবর পেয়ে গ্রামের এক সর্দার বাড়িতে আসলে নাঈম পালিয়ে যান। নাঈম ধর্ষণের পর তামান্নাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে বলে স্মৃতির অভিযোগ ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দুপুরে তামান্নার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। তামান্নার গোপনাঙ্গ রক্তাক্ত ছিল। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিস্তারিত জানা যাবে।


আরো সংবাদ

সকল




bedava internet