২৪ মে ২০১৯

২ ধর্ষণের ঘটনায় ইউপি সদস্যসহ আটক ৫

চাঁদপুরে পৃথক দুটি ধর্ষণের ঘটনায় এক ইউপি সদস্যসহ পাঁচজনকে আটক করেছে হাজীগঞ্জ ও শাহরাস্তি থানা পুলিশ।

আটককৃতদের মধ্যে আরফিন আমিনুল ও এমরানকে হাজীগঞ্জের গন্ধব্যপুর থেকে আটক করা হয় এবং একই এলাকার স্থানীয় ইউপি সদস্য অহিদুল ইসলামকে ধর্ষণের বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার অপরাধে আটক করা হয়।

অপরদিকে শাহরাস্তি থানা পুলিশ এক প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ স্কুটার চালক ফাহিম ও জিহাদ নামে দুই যুবককে আটক করে। পৃথক দুটি ঘটনায় আলাদা দুটি মামলা হয়েছে।

হাজীগঞ্জ থানার তদন্ত কর্মকর্তা আবদুর রশিদ জানান, হাজীগঞ্জ উপজেলার ১০নং দক্ষিণ গন্ধর্ব্যপুর ইউনিয়নে একটি গ্রামে কিশোরীকে ধর্ষণের মামলায় শনিবার গাজী বাড়ীর রফিকুল ইসলামের ছেলে এমরান হোসেন (১৯) ও সিরাজুল ইসলামের ছেলে আরেফিন ওরফে আমিনুলকে (২০) গ্রেফতার করা হয়েছে।

তিনি জানান, এই ঘটনায় কিশোরী ছয় জনকে আসামি করে শুক্রবার রাতে মামলা দায়ের করেন। বাকি আসামিরা হলো- ওই বাড়ির ইসমাইলের ছেলে রাব্বি (১৮), বিল্লাল হোসেনের ছেলে মেরাজ (২০) ও মাতাব্বর মোস্তফা কামাল (৬৫)। তারা পলাতক রয়েছে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, প্রায় নয়মাস আগে হাজীগঞ্জ উপজেলার ১০নং দক্ষিণ গন্ধর্ব্যপুর ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ড ডাটরা শিবপুর গ্রামের গাজী বাড়ীতে চার যুবক মিলে ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করলে কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। অন্তঃসত্ত্বার কারণে মেয়েটি অসুস্থ্য হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে বিষয়টি ধরা পড়ে। কিশোরীকে জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে আসে একই বাড়ির চার যুবকের নাম। বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে এ নিয়ে শালিস বৈঠকে বসেন গ্রামের মাতব্বররা। তারা অভিযুক্ত চার যুবকের কাছ থেকে প্রায় ৫ লাখ ২০ হাজার টাকা নিয়ে ব্যাংকে জমা রাখেন। সেই টাকা দিয়ে শনিবার কিশোরীর পছন্দমতো পাত্রের সঙ্গে বিয়ের আয়োজন করেছেন মাতব্বররা। কিন্তু বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে গেলে শুক্রবার রাতেই মেয়েটিকে উদ্ধার করে পুলিশ এবং আটক করা হয় এক শালিসদার ইউপি সদস্যসহ তিন জনকে।

অপরদিকে ভোর রাতে বাগানে আম কুড়াতে গেলে প্রতিবন্ধী কিশোরীকে তুলে নিয়ে আমুজান এলাকার একটি বাগানবাড়িতে ধর্ষণ করে স্কুটার চালক ফাহিম ও জিহাদ। প্রতিবন্ধী মেয়ের দেয়া তথ্য অনুযায়ী দুই ধর্ষককে আটক করে পুলিশ।


আরো সংবাদ

Instagram Web Viewer
agario agario - agario