২৩ আগস্ট ২০১৯

হাত-পা বেঁধে ছাত্রীকে ধর্ষণ

সাইফুল ইসলাম - ছবি : সংগ্রহ

সারাদেশে একের পর এক ধর্ষণের খবরের মধ্যে চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায়ও বাড়িতে মা না থাকার সুবাদে হাত-পা বেঁধে নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে এক কোচিং সেন্টারের মালিকের বিরুদ্ধে। গত ১২ এপ্রিল লোহাগাড়া উপজেলার আমিরাবাদ ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর কোচিং সেন্টারটি বন্ধ রয়েছে। পলাতক রয়েছেন অভিযুক্ত সাইফুল।

এ ঘটনায় গত ১৫ এপ্রিল লোহাগাড়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন স্কুলছাত্রীর মা। মামলা সূত্রে জানা গেছে, সাইফুল ইসলাম উত্তর আমিরাবাদ এলাকায় সৃজনশীল নামে একটি কোচিং সেন্টার খুলেন। ভিকটিম ওই ছাত্রীসহ একই পরিবারের ৪ সহোদর সেই কোচিং সেন্টারে পড়তেন।

অভিযুক্ত সাইফুল ইসলামের বাড়িও একই এলাকায়। তিনি উত্তর আমিরাবাদ পূর্ব মুহুরি পাড়ার আব্দুস সোবহানের ছেলে। তার বয়স ২৭।

ওই ছাত্রীর মা জানিয়েছেন, ঘটনার আগের দিন আমি বড় মেয়ের শ্বশুরবাড়িতে যাই। পরদিন ১২ এপ্রিল সকাল ৮টার দিকে সাইফুল আমাকে ফোন করে আমি কোথায় আছি তা জানতে চান। আমি বড় মেয়ের শ্বশুরবাড়িতে আছি বলে জানাই। এরপর তিনি আমাদের ঘরে এসে আমার মেয়েকে একা পেয়ে হাত-পা বেঁধে ধর্ষণ করে গুরুতর আহত করেন। এ সময় মেয়ের চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এলে সাইফুল পালিয়ে যান। পরে মেয়েকে উদ্ধার করে লোহাগাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করে। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে দীর্ঘ এক সপ্তাহ চিকিৎসার পর সুস্থ হয়ে উঠলে ১৮ এপ্রিল মেয়েকে নিয়ে বাড়ি আসি।

এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে লোহাগাড়া থানার ওসি মো. সাইফুল ইসলাম বিস্তারিত তথ্যের জন্য মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই বিকাশ রুদ্রের সাথে কথা বলার পরামর্শ দেন।

এসআই বিকাশ রুদ্র নয়া দিগন্তকে বলেন, আসামীর মোবাইল নাম্বার বন্ধ থাকাতে টেকনিক এপ্লাই করেও তাকে ধরতে পারছি না। আমি এই মুহূর্তেও আসামীর বাড়িতে আছি। এই পরিবারের পুরুষ সদস্যরাও পালিয়ে গেছে। আমরা এও শুনেছি যে অভিযুক্ত সাইফুল দেশের বাইরে পালিয়ে যাবার চেষ্টা করছে। তা ঠেকাতে তার বহির্গমনে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, তাকে ধরে দিতে পারলে আমি ব্যক্তিগতভাবে পুরস্কার ঘোষণা করেছি। কারণ এধরনের মানুষেরা পশুর চেয়েও নিকৃষ্ট।


আরো সংবাদ




mp3 indir bedava internet