২০ মে ২০১৯

কাঁচা কৈ মাছ খেতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু

কাঁচা কৈ মাছ খেতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু - সংগৃহীত

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে পুকুরে মাছ ধরতে গিয়ে অসাবধানতাবশত গলায় তাজা কৈ মাছ আটকে বাচ্চু মিয়া (৪০) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনি মারা যান।

নিহত বাচ্চু উপজেলার চরমোহনা ইউনিয়নের উত্তর রায়পুর গ্রামের তবিবউল্যা মিয়ার ছেলে। তার সংসারে স্ত্রী, দুই মেয়ে ও এক ছেলে আছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, উপজেলার উত্তর রায়পুর গ্রামে বৃহস্পতিবার দুপুরে বাচ্চু মিয়া নিজের পুকুরে মাছ ধরতে নামেন। এ সময় তিনি দুটি কই মাছ পান। এর মধ্যে একটি হাতে অন্যটি মুখে নিয়ে আবারও মাছ ধরতে পানিতে ডুব দেন। এতে মুখে থাকা মাছটি গলার ভেতরে গিয়ে আটকে যায়। পরে অসুস্থ অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

আরো পড়ুন : প্রভুভক্ত কুকুর উদ্ধার করলো মনিবের চুরি যাওয়া গরু
হোসেনপুর (কিশোরগঞ্জ) সংবাদদাতা ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ২১:৩২

এক প্রভুভক্ত কুকুর সনাক্ত করলো মনিবের চুরি হয়ে যাওয়া প্রায় লাখ টাকা দামের গরুর চামড়া ও মাংস। চাঞ্চল্যকর এ ঘটনাটি ঘটেছে কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার সিদলা ইউনিয়নের চর-বিশ্বনাথপুর গ্রামে।

জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার চর-বিশ্বনাথপুর গ্রামের কৃষক মোঃ মধু মিয়ার একটি গরু গোয়াল ঘর থেকে চুরি হয়ে যায়। শুক্রবার সকালে মধু মিয়া গোয়াল ঘরে গিয়ে দেখে তার গরুটির সাথে পোষা কুকুরটিও নেই। অনেক খোঁজাখুজির পরও গরু ও পোষা কুকুরের সন্ধান না পেয়ে হতাশ হয়ে বাড়ির আঙ্গিনায় বসে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন কৃষক মধু মিয়া।


এমন সময় হঠাৎ তার পোষা কুকুরটি একটি রক্তমাখা গরুর কান মুখে নিয়ে তার দিকে ছুঁটে আসে। বিষয়টি বাড়ির লোকজনেরও দৃষ্টি আকর্ষণ করে। এ সময় কুকুরটি তার মনিব মধু মিয়ার পড়নের লুঙ্গিতে কামড় দিয়ে সামনে যাওয়ার ইঙ্গিত করে। তখন মধু মিয়া বাড়ির লোকজন সাথে নিয়ে কুকুরের পিছনে পিছনে যেতে থাকেন।

৩ কিলোমিটার যাওয়ার পর এক সময় কুকুরটি নতুন বাজারে অবস্থিত একটি (কসাইয়ের) মাংসের দোকানে এসে মাংস, চামড়া ও দড়ি তছনছ করতে থাকে। তখন উপস্থিত লোকজনের সন্দেহ হলে তারা গরুর চামড়া ও দড়ি দেখে মধু মিয়ার চুরি যাওয়া গরুর বলে সনাক্ত করেন।

খবর পেয়ে হোসেনপুর পৌর মেয়র আব্দুল কাইয়ুম খোকন ও সিদলা ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ সিরাজ উদ্দিন ঘটনাস্থল থেকে মধু মিয়ার চুরিকৃত ওই গরুর চামড়া ও দড়ি উদ্ধার করে ইউপি চেয়ারম্যান সিরাজের জিম্মায় রাখেন এবং সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস দেন।


এদিকে প্রভুভক্ত কুকুরের এমন নাটকীয় কায়দায় চুরি যাওয়া গরুর সন্ধান দেয়ার বিষয়টি এলাকায় দারুণ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। ওই কুকুরটিকে এক নজর দেখতে মধু মিয়ার বাড়িতে ভিড় করছেন উৎসুক জনতা।

চরমোহনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সফিকুর রহমান পাঠান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।


আরো সংবাদ