২৫ এপ্রিল ২০১৯

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সহিংস অপরাধ বৃদ্ধি

-

মিয়ানমার সীমান্তবর্তী বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলায় উখিয়া ও টেকনাফের ত্রিশটি আশ্রয় শিবিরে অবস্থান করছে প্রায় এগারো লক্ষ রেহিঙ্গা। গত বছরের ২৫ আগস্ট নির্যাতনের মুখে রাখাইন রাজ্যে থেকে প্রায় সাত লাখ রোহিঙ্গা বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে। এছাড়া, আগে থেকেই প্রায় চার লক্ষ রোহিঙ্গা সেখানে আশ্রয় নিয়ে আছে।
প্রায় তিন দশক আগে থেকে রোহিঙ্গা মুসলমান নাগরিক মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিতে শুরু করে।
২০১২ সাল থেকে ২০১৬ সাল নাগাদ দফায় রেহিঙ্গাদের আগমন ঘটেছে। মিয়ানমার সেনাবাহিনী ও তাদের সহযোগী রাখাইন সন্ত্রাসীদের নির্মম নিযাতনের হাত থেকে বাঁচতে গতবছর আগস্ট থেকে প্রায় সাত লক্ষ রোহিঙ্গা নারী-পুরুষ-শিশুরা বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নিয়েছে।
আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থার সহযোগিতায় এ বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গা নাগরিকদের বাংলাদেশে আশ্রয় ও খাদ্য সরবরাহ করা হচ্ছে। ওদিকে বাংলাদেশ-মিয়ানমার দ্বিপাক্ষিক উদ্যোগ এবং জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক মহলের নানাবিধ তৎপরতা সত্ত্বেও রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরত নেবার ব্যাপারে এখনো কোনো কার্যকর অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না।
বাংলাদেশে আপাতত: আশ্রয়, খাদ্য ও চিকিৎসার সুযোগ পাওয়া গেলেও প্রত্যাবাসন বিলম্বিত হওয়া এবং আশ্রয় শিবিরে ঠাসাঠাসি করে দীর্ঘদিন কর্মহীন অবস্থায় থাকার কারণে রেহিঙ্গা শরণার্থীরা জড়িয়ে পড়ছে নানা সহিংস অপরাধে। রোহিঙ্গাদের এমন অপরাধ প্রবণতা স্থানীয় অধিবাসী এবং প্রশাসনের জন্য উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার কারণ হয়ে দেখা দিয়েছে।
উখিয়া ও টেকনাফ পুলিশের তথ্যমতে, গত ১ বছরে ৩০টি ক্যাম্পে ২০ জন রোহিঙ্গা খুন হয়েছে। রোহিঙ্গাদের দ্বারা সংঘটিত অপরাধের প্রায় শতাধিক অভিযোগ তদন্তনাধীন রয়েছে।
সর্বশেষ ঘটনায় গত সোমবার সকাল ও বিকেলে হোয়াইক্যং চাকমারকুলের গহীন অরণ্য থেকে পুলিশ ক্ষতবিক্ষত ও রক্তাক্ত গলাকাটা জখম অবস্থায় ৬ রোহিঙ্গাকে উদ্ধার করেছে। তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদেরকে উখিয়ার কুতুপালং ও বালুখালী ক্যাম্প থেকে অস্ত্রধারী রোহিঙ্গারা অপহরণ করে হত্যার উদ্দেশ্য আটকিয়ে রেখেছিল বলে জানা গেছে।
টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রনজিত কুমার বড়ুয়া জানান, গত ৬ মাসে টেকনাফের ১০টি ক্যাম্পে ১০/১২ জন রোহিঙ্গা খুন হয়েছে। বিভিন্ন অপরাধে প্রায় অর্ধশত অভিযোগ লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।
কক্সবাজার শহরের বাঁকখালী নদীতে মাছ ধরার ট্রলার থেকে অস্ত্র, গুলি ও ইয়াবাসহ মিয়ানমারের এক রোহিঙ্গাকে আটক করেছে ডিবি পুলিশ।
এ প্রসঙ্গে উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকমর্তা জহিরুল ইসলাম জানান, পূর্ব শত্রুতার জেরধরে সহিংসতা, ইয়াবা ব্যবসা এবং অশিক্ষা ও উগ্র আচরণের কারণে এদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হচ্ছে। পরিস্থিতি মোকাবেলায় আতিরিক্ত ৬টি পুলিশ ক্যাম্প বসানো হয়েছে এবং গতকাল থেকে যৌথবাহিনীর সার্বক্ষণিক টহল ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে উখিয়া সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম বলেন, একটি থানা এলাকায় এতো বিপুলসংখ্যক মানুষের অবস্থান তুলনা করলে সারা বাংলাদেশের গড় অপরাধ প্রবণতার চেয়ে এখানে অপরাধ তেমন বেশী হচ্ছে সেটা বলা যাবে না। তবুও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখাতে প্রশাসন বিশেষভাবে সক্রিয় রয়েছে।
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন কমিটির সভাপতি গফুর উদ্দিন চৌধুরী জানান, রোহিঙ্গাদের মাঝে সহিংসতা দিন দিন বেড়েই চলছে। এসবের বিরুদ্ধে কথা বলতে গেলে মামলায় জড়িত হবার ভয় রয়েছে। সে কারণে রোহিঙ্গাদের বহুমুখী অপরাধ প্রবণতা সম্পর্কে ব্যাখ্যা দিতে তিনি অনীহা প্রকাশ করেন।


আরো সংবাদ

বিচার চেয়ে কাঁদলেন কণ্ঠশিল্পী মিলা বিচার চেয়ে কাঁদলেন কণ্ঠশিল্পী মিলা অর্থ পাচারের মামলায় মামুনের ৭ বছর কারাদণ্ড বেল্ট অ্যান্ড রোড ফোরামে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন শিল্পমন্ত্রী ওয়াকফ প্রশাসনকে উন্নত প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে হবে : ধর্ম প্রতিমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রে সিপ্রোহেপটাডিন রফতানির অনুমোদন পেল বেক্সিমকো ফার্মা টঙ্গীতে ওয়ালটনের বর্ণাঢ্য বৈশাখী শোভাযাত্রা অবৈধ ব্যবহারে বিদ্যুতের অপচয় হচ্ছে : সংসদে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী কৃষিতে বাংলাদেশ এখন বিশ্বে উদাহরণ : কৃষিমন্ত্রী কেরানীগঞ্জে অন্তঃসত্ত্বার রহস্যজনক মৃত্যু জায়ানের মৃত্যুতে সেলিমকে সমবেদনা স্পিকারের

সকল




iptv al Epoksi boya epoksi zemin kaplama Daftar Situs Agen Judi Bola Net Online Terpercaya Resmi

Hacklink

Bursa evden eve nakliyat
arsa fiyatları tesettür giyim
Canlı Radyo Dinle hd film izle instagram takipçi satın al ofis taşıma Instagram Web Viewer

canli radyo dinle

Yabanci Dil Seslendirme

instagram takipçi satın al
hd film izle
gebze evden eve nakliyat