১৯ এপ্রিল ২০১৯
বীমার পর এবার ব্যাংকিং খাতে শতভাগ মূল্যবৃদ্ধি

সংশোধন শেষ করে পুঁজিবাজার সূচকের ফের উন্নতি

-

দুই দিন সংশোধনের পর ফের ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে পুঁজিবাজার। উন্নতি হয়েছে দেশের দুই পুঁজিবাজার সূচকের। গতকাল সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবসে সূচকের বড় ধরনের উন্নতি ধরে রেখেই দিন শেষ করে দুই বাজার। এর আগে গত সপ্তাহের শেষ দুই দিন সংশোধনের শিকার হয় বাজারগুলো। গতকাল দিনের শুরু থেকে ঊর্ধ্বমুখী হওয়া বাজারগুলো বড় কোনো বিক্রয়চাপ ছাড়াই দিন শেষ করে। এ সময় উভয় বাজারেই লেনদেন হওয়া বেশির ভাগ কোম্পানির মূল্যবৃদ্ধি হয়।
দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স গতকাল ৬১ দশমিক ৭১ পয়েন্ট বৃদ্ধি পায়। ৫ হাজার ৮২৫ দশমিক ৫৬ পয়েন্ট থেকে দিন শুরু করা সূচকটি রোববার দিনশেষে পৌঁছে যায় ৫ হাজার ৮৮৭ দশমিক ২৭ পয়েন্টে। একই সময় ডিএসই-৩০ ও ডিএসই শরিয়াহ সূচকের উন্নতি হয় যথাক্রমে ২০ দশমিক ৯১ ও ৯ দশমিক ০৬ পয়েন্ট। এর আগে বিগত দুই দিনে প্রধান সূচকটির প্রায় ৪০ পয়েন্ট হারায় ডিএসই। দেশের দ্বিতীয় পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক ও সিএসসিএক্স সূচকের উন্নতি হয় যথাক্রমে ২০৭ দশমিক ৩১ ও ১২৭ দশমিক ৯৪ পয়েন্ট। এখানে সিএসই-৫০ ও সিএসই শরিয়াহ সূচকে যোগ হয় যথাক্রমে ১৮ দশমিক ৯৯ ও ৫ দশমিক ৭৪ পয়েন্ট।
সূচকের উন্নতির এ দিনে দুই পুঁজিবাজারের লেনদেনের চিত্র ছিল ভিন্ন। ঢাকায় লেনদেন কমলেও বেড়েছে চট্টগ্রামে। ডিএসই গতকাল ৯৬৮ কোটি টাকার লেনদেন নিষ্পত্তি করে যা আগের দিন অপেক্ষা ৪৩ কোটি টাকা কম। গত বৃহস্পতিবার ডিএসইর লেনদেন ছিল এক হাজার ১১ কোটি টাকা। তবে চট্টগ্রাম শেয়ারবাজারে ৪৯ কোটি টাকা থেকে ৫১ কোটিতে পৌঁছে লেনদেন।
এদিকে বীমা খাতের পর এবার ব্যাংকিং খাতে ব্যাপক মূল্যবৃদ্ধির ঘটনা ঘটেছে। গতকাল দেশের দুই পুঁজিবাজারেই এ খাতের শতভাগ কোম্পানির মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে। এ তালিকায় ছিল মিউচুয়াল ফান্ড খাতও। আর মূলধনসমৃদ্ধ এ দু’টি খাতের ব্যাপক মূল্যবৃদ্ধির ফলে সম্ভব হয় সূচকের বড় ধরনের উন্নতি। অন্য দিকে টানা বৃদ্ধির পর গতকাল বীমা খাতে বেশ কিছুটা সংশোধন হয়। এ খাতের বেশ কয়েকটি কোম্পানিকে দেখা যায় দরপতনের শীর্ষ তালিকায়।
পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, এ মুহূর্তে বাজার চলছে খাতওয়ারি। টেক্সটাইল খাতের পর বীমা খাতের মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে। আর গতকাল ব্যাংকিং ও মিউচুয়াল ফান্ড খাতে মূল্যবৃদ্ধি হলো শতভাগ কোম্পানির। এভাবে একদিকে বাজারে সংশোধন ও একই সাথে মূল্যবৃদ্ধির প্রবণতা চলতে থাকলে বাজার একসময় স্বাভাবিক চরিত্র ফিরে পাবে। তবে সব কিছুর ওপরে বিনিয়োগকারীদের কারো পাতা ফাঁদে পা না দেয়ার মানসিকতা তৈরি করতে হবে যাতে খারাপ কোম্পানিগুলোর অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি রোধ করা সম্ভব হয়। এভাবেই শৃঙ্খলা ফিরে আসবে বাজারে।
গতকাল সূচকের উন্নতি দিয়েই দিন শুরু করে দুই পুঁজিবাজার। ঢাকায় ডিএসইএক্স সূচকটি ৫ হাজার ৮২৫ দশমিক ৫৬ পয়েন্ট থেকে যাত্রা করে বেলা ১১টায় পৌঁছে যায় ৫ হাজার ৮৮৫ পয়েন্টে। এ সময় ডিএসই সূচকের উন্নতি রেকর্ড করা হয় ৬০ পয়েন্ট। লেনদেনের এ পর্যায়ে সাময়িক বিক্রয়চাপ সৃষ্টি হলে বেলা সোয়া ১১টায় সূচকটি নেমে আসে ৫ হাজার ৮৬৪ পয়েন্টে। কিন্তু বিক্রয়চাপ সামলে দ্রুতই আবার ঊর্ধ্বমুখী হয়ে ওঠে বাজার সূচক। বেলা সোয়া ১টায় সূচকটি পৌঁছে যায় ৫ হাজার ৯০০ পয়েন্টে। তবে দিনের শেষভাগে বৃদ্ধি পাওয়া সূচকের একটি অংশ হারালে দিনশেষে ৫ হাজার ৮৮৭ দশমিক ২৭ পয়েন্টে স্থির হয় সূচকটি।
ডিএসইতে গতকাল লেনদেনের শীর্ষে উঠে আসে বেক্সিমকো লিমিটেড। ২২ কোটি ২৬ লাখ টাকায় কোম্পানিটির ৮৫ লাখ ৬৮ হাজার শেয়ার হাতবদল হয় গতকাল। ২১ কোটি ৫৪ লাখ টাকায় ১ কোটি ৪৩ লাখ শেয়ার বেচাকেনা করে প্রিমিয়ার ব্যাংক উঠে আসে দ্বিতীয় স্থানে। ডিএসইর লেনদেনের শীর্ষ দশ কোম্পানির অন্যগুলো ছিল যথাক্রমে জেএমআই সিরিঞ্জ অ্যান্ড মেডিক্যাল ডিভাইস, ইউনাইটেড ফিন্যান্স, লঙ্কাবাংলা ফিন্যান্স, ইউনাইটেড পাওয়ার, ডাচবাংলা ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংক, বিবিএস ক্যাবলস ও ড্রাগন সোয়েটার অ্যান্ড স্পিনিং।

 


আরো সংবাদ




iptv al Epoksi boya epoksi zemin kaplama Daftar Situs Agen Judi Bola Net Online Terpercaya Resmi

Hacklink

Bursa evden eve nakliyat
arsa fiyatları tesettür giyim
Canlı Radyo Dinle hd film izle instagram takipçi satın al ofis taşıma Instagram Web Viewer

canli radyo dinle

Yabanci Dil Seslendirme

instagram takipçi satın al