film izle
esans aroma Umraniye evden eve nakliyat gebze evden eve nakliyat Entrumpelung wien Installateur Notdienst Wien
১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০

রিফাত হত্যা : দুই আসামীর জামিন নামঞ্জুর

বরগুনার বহুল আলোচিত চাঞ্চল্যকর শাহনেওয়াজ রিফাত শরীফ হত্যা মামলা শিশু আদালতে বুধবার সকালে দুইজন সাক্ষ্য দিয়েছেন। বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক ও জেলা জজ মো: হাফিজুর রহমান তাদের সাক্ষ্য ও ১০ জন আইনজীবীর জেরা রেকর্ড করেন। পরে দুই শিশু আসামীর জামিন নামঞ্জুর করেছে আদালত। জেলা ও দায়রা জজ আদালতে বুধবার সাক্ষ্যগ্রহণ হয়নি। বৃহস্পতিবার জেলা ও দায়রা জজ আদালতে তিনজন এবং শিশু আদালতে আরো দুই জনের সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য্য রয়েছে।

বুধবার সকালে বরগুনা কারাগার থেকে ৯ জন শিশু আসামীকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। আসামীরা হল - রাশেদুল হাসান রিশান ফরাজি, রাকিবুল হাসান রিফাত হাওলাদার, আবু আবদুল্লাহ রায়হান, অলি উল্লাহ অলি, মো: নাঈম, তানভীর হোসেন, রাকিবুল হাসান নিয়ামত, সাইয়েদ মারুফ বিল্লাহ ও জয়চন্দ্র সরকার। এ ছাড়া জামিনে থাকা প্রিন্স মোল্লা, মারুফ মল্লিক, নাজমুল হাছান, রাতুল সিকদার ও আরিয়ান শ্রাবণ আদালতে উপস্থিত ছিল।

সাক্ষ্য শেষে মো: জাকারিয়া বলেন, ঘটনার দিন ২৬ জুন আমি বাদীর বাড়ির পাশে ছিলাম। তারা তিন ভাই দুলাল শরীফ, আবদুল আজিজ শরীফ ও সালাম শরীফ দ্রুত মোটর সাইকেলে সকাল আনুমানিক সাড়ে ১০টার সময় বরগুনা যেতে দেখি। আমি তাদেরকে জানতে চাই- আপনারা কোথায় যান। এই সময় দুলাল শরীফ বলে রিফাতকে নাকি সন্ত্রাসীরা কোপাইছে। তোরাও হাসপাতালে আয়। একটু পর আমি ও হারুন অন্য একটি মোটর সাইকেলে বরগুনা হাসপাতালে যাই। বরগুনা হাসপাতালে গিয়ে রিফাতকে ব্যান্ডেজ করা অবস্থায় দেখি। শরীর থেকে রক্ত পড়ছিল। ওই সময় রিফাতের বাবা ও দুই চাচা দুলাল শরীফ রিফাতের কাছে জানতে চায়- তাকে কে কোপাইছে। তখন রিফাত বলে আমাকে নয়ন বন্ড, রিফাত ফরাজি, রিশান ফরাজি, রায়হান, চন্দন, রাব্বি আকন, সিফাত, টিকটক হৃদয়সহ প্রায় ২০-২৫ জন লোক ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়েছে এবং কিল-ঘুষি মেরেছে। আমি পাশে থেকে সেটা শুনি।

আসামীপক্ষের আইনজীবী বিমান গুহ বলেন, আমরা আশা করি আসামীরা ন্যায়বিচার পাবেন। শিশু আসামী সাইয়েত মারুফ বিল্লাহ ও আবু আবদুল্লাহ রায়হানের পক্ষে বুধবার জামিন শুনানী হয়। আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করেন। তবে এই আসামীরা নাবালক। আদালত জামিন দিতে পারতেন।

রাষ্ট্রপক্ষের বিশেষ পিপি মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এ পর্যন্ত ৭ জন সাক্ষ্য দিয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের বিশ্বাস আসামীদের সাজা হবে।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ২৬ জুন সকাল সাড়ে ১০টায় বরগুনা সরকারি কলেজ গেটের সামনে নয়ন বন্ডের নেতৃত্বে একদল উশৃঙ্খল যুবক তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নির্মমভাবে কুপিয়ে জখম করে রিফাত শরীফকে। পরে ওইদিন বিকেল সাড়ে তিনটায় বরিশাল শেরে-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যায় রিফাত শরীফ। এরপর ২৭ জুন রিফাত শরীফের বাবা আবদুল হালিম দুলাল শরীফ নয়ন বন্ডসহ ১২ জনকে আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ১ সেপ্টেম্বর তদন্তকারী কর্মকর্তা দুই খন্ডে ২৪ জনকে আসামী করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এর আগে ২ জুলাই পুলিশের সাথে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয় রিফাত হত্যার মূল আসামী নয়ন বন্ড।


আরো সংবাদ