film izle
esans aroma gebze evden eve nakliyat Ezhel Şarkıları indir Entrumpelung wien Installateur Notdienst Wien webtekno bodrum villa kiralama
২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০

বুলবুলের আগমণে উত্তাল সমুদ্র, এখনো ফেরেনি জেলেরা

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ বাংলাদেশ-ভারত উপকূলের দিকে ক্রমশ ধেয়ে আসছে। সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাবে এরই মধ্যে সাগর উত্তাল হয়ে উঠেছে।

শুক্রবার সন্ধ্যায় আবহাওয়া অধিদফতর ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’-এর প্রভাবে মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত এবং চট্টগ্রাম বন্দরে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত জারি করেছে।

এর আগে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরসমূহকে ৪ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছিল।

শুক্রবার (৮ নভেম্বর) ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ মোকাবিলায় বেলা ১১টার দিকে জরুরি সভা করেছে পাথরঘাটা উপজেলা প্রশাসন। সকাল থেকেই পাথরঘাটা আকাশ মেঘলা এবং বৃষ্টিপাত হচ্ছে। বাতাস না থাকায় উপকূলীয় মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) দিনগত রাত সোয়া ১২টা থেকেই ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ এর প্রভাবে উপকূলীয় উপজেলা পাথরঘাটায় বৃষ্টি শুরু হয়েছে।

জরুরি সভায় জানানো হয়েছে, পাথরঘাটা উপজেলায় সরকারি তালিকাভুক্ত ৭৪টি সাইক্লোন শেল্টারসহ মাধ্যমিক ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবনগুলো খোলা রাখার সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যেই সব সাইক্লোন শেল্টারগুলো বসবাসযোগ্য করা হয়েছে এবং পাথরঘাটা বণিক সমিতিকে সব ধরনের পর্যাপ্ত শুকনা খাবার রাখার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

পাথরঘাটা উপজেলা ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তার কার্যালয়ের প্রকৌশলী মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, আমরা ঘূর্ণিঝড়ের সতর্কবার্তা দেখে সবাইকে নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি।

পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. হুমায়ুন কবির বলেন, দুর্যোগ থেকে জানমাল রক্ষার্থে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। সরকারি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের গতিবিধি লক্ষ্য রেখে সে অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাথরঘাটা উপজেলা উপকূলবর্তী হওয়ায় বেশি ঝুঁকিতে থাকায় আমরাও সজাগ রয়েছি। তাছাড়া বরগুনা জেলাট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরীকে তাদের ট্রলারগুলোর সাথে যোগাযোগ করে তাদেরকে নিরাপদ আশ্রয়ের থাকার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেন, ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যায় শতশত ট্রলার। আবহাওয়া খারাপ দেখে ইতোমধ্যে বেশ কিছু ট্রলার ঘাটে আসলে অসংখ্য ট্রলার সাগরে আছে। তাদেরকে উপকূলে নিয়ে আসার জন্য চেষ্টা করা হচ্ছে।

তাছাড়া সাগরে মাছধরা ফিশিং জাহাজগুলোর মাধ্যমে মাইকিং করে নিরাপদ আশ্রয়ে ফিরতে বলা হচ্ছে। যাদেরকে মোবাইল নেটওয়ার্কের আওতায় পাওয়া যাচ্ছে তাদেরকে উপকূলের কাছাকাছি থাকতে বলা হচ্ছে। তারা যেকোন সময় সুন্দরবন সংলগ্ন আলোরকোল, দুর্বলার চর, মেহের আলী কটকা এলাকায় আশ্রয় নিতে পারবে।


আরো সংবাদ




short haircuts for black women short haircuts for women Ümraniye evden eve nakliyat