২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯

চলন্ত বাস থেকে যাত্রী ফেলে দেয়ার অভিযোগ

চলন্ত বাস থেকে মা ও ছেলেকে ফেলে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বরগুনার আমতলী উপজেলার আমতলী-পটুয়াখালী মহাসড়কের চৌরাস্তায় নামকস্থানে এ ঘটনাটি ঘটে ।

মিশুক নামে একটি বাসের সুপারভাইজার জামাল মিয়ার বিরুদ্ধে এ অভিযোগ। এতে আহত হয়েছেন শিক্ষক মো. মনিরুল ইসলাম ও তার বৃদ্ধা মা সাফিয়া বেগম। এসময় স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। সোমবার সকাল ১১ টার সময় আমতলী উপজেলার ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বরগুনার আমতলী সরকারি কলেজের হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক মো. মনিরুল ইসলাম ও তার বৃদ্ধা মা সাফিয়া বেগমের চোখের চিকিৎসার উদ্দেশে পটুয়াখালী যাওয়ার জন্য আমতলী বটতলায় বাসের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। পরে কলাপাড়া থেকে ছেড়ে আসা মিশুক বাসটির সুপারভাইজার জামাল মিয়া বাসে সিট আছে বলে তাদের ডেকে ওঠান। কিন্তু ওই বাসে কোনো সিট খালি ছিল না। সিট না পেয়ে শিক্ষক তার অসুস্থ মাকে নিয়ে ওই বাসে যাবেন না বলে জানান। এতে ক্ষেপে যায় বাসের সুপারভাইজার জামাল। একপর্যায় আমতলী-পটুয়াখালী মহাসড়কের একে স্কুল নামক স্থানে চলন্ত বাস থেকে শিক্ষক মনিরুল ইসলাম ও তার মাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন। এতে শিক্ষক মনিরুল ইসলামের পা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত এবং মা সাফিয়া বেগমও আহত হন।

আহত আমতলী সরকারি কলেজের প্রভাষক মো. মনিরুল ইসলাম জানান, আমি বাস থেকে নামিয়ে দিতে বলা মাত্রই চলন্ত বাস থেকে আমাদের ধাক্কা দিয়ে নামিয়ে দেয় সুপারভাইজার। এতে আমি ও আমার মা গুরুতর আহত হয়েছি। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।

বরগুনা জেলা বাস শ্রমিক ইউনিয়নের সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং বাস মালিক সমিতির সদস্য মো. হাসান জানান, বিষয়টি আমি শুনেছি, এটা অন্যায় করা হয়েছে।

এবিষয়ে আমতলী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আবুল বাশার বলেন, এখন পর্যন্ত থানায় কোনো অভিযোগ পাইনি। লিখিত অভিযোগ পাওয়া মাত্র আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরো সংবাদ