film izle
esans aroma Umraniye evden eve nakliyat gebze evden eve nakliyat Ezhel Şarkıları indirEzhel mp3 indir, Ezhel albüm şarkı indir mobilhttps://guncelmp3indir.com Entrumpelung wien Installateur Notdienst Wien
২১ ফেব্রুয়ারি ২০২০

শিশুর কোলে জন্ম নেয়া শিশুর লালন-পালনে সাহায্যের আবেদন

এক কিশোরীর গর্ভে জন্ম নেওয়া পিতৃপরিচয়হীন শিশুপুত্রকে লালন পালন করার জন্য আর্থিক সাহায্য চেয়েছেন কিশোরী মা। বরগুনার বেতাগী উপজেলার এক কিশোরীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেন দক্ষিণ হাসনাবাদ গ্রামের কালাম বেপারীর ছোট ছেলে আক্কাস বেপারী।

ওই কিশোরী অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা তাকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যায়। এরপর চিকিৎসক জানায় ওই কিশোরী চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা। ঘটনাটি ছড়িয়ে পড়লে আক্কাসের পরিবারে ওই কিশোরীকে বিয়ে করার জন্য চাপ আসে। সমাজের প্রভাবশালী মহল থেকে আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসার জন্য নির্যাতিত ওই কিশোরীর পরিবারেও প্রস্তাব আসে।

ওই কিশোরীরর পরিবার এতে অসম্মতি জানিয়ে ন্যায় বিচারের জন্য বরগুনা নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালে মামলা করে। মামলার খবর পেয়ে আক্কাস ওই কিশোরীকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে এলাকা থেকে পালিয়ে যান। এমন পরিস্থিতিতে গত ২৮ আগস্ট রাতে নির্যাতিত ওই কিশোরী একটি ছেলে সন্তানের মা হয়।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে ওই কিশোরী জানায়, ‘স্ত্রীর মর্যাদা না পেয়েও সন্তানের মা হয়েছি। আমি আমার সন্তানের পরিচয় চাই।’ আমি যে আমার পোলার একটা নাম রাখবো সেই সৌভাগ্যও আমার হয়নি। যেদিন আমি প্রসব বেদনায় ছটফট করেছিলাম সেদিনও আমাকে মারার জন্য আমার ঘরের দরজা কুপিয়ে গেছে আক্কাসের বাবা কালাম বেপারী। একটি প্রভাবশালী মহলের দাপটে তারা আমাদের ভয়ভীতি দেখিয়ে চলছে।’

এলাকাবাসী জানান, যে বয়সে টিফিনের বক্স হাতে নিয়ে দৌড়ে স্কুলে যাওয়ার কথা, সেই বয়সেই একটি ছেলে সন্তানের মা হলো মেয়েটি। এক কথায় বলা যেতে পারে শিশুর কোলে শিশুর জন্ম। তবে নিষ্পাপ শিশুটি যেন তার বাবার পরিচয় পায়।

এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আক্কাসের বাবা কালাম বেপারী বলেন, ‘আমার সম্মানহানি করার জন্য এলাকার একটি কুচক্রী মহল এসব কথা রটিয়েছে। তাদের মিথ্যা মামলার কারণে আমার ছেলে পালিয়ে বেড়াচ্ছে।’

নবজাতকটির বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ওই নবজাতকের বাবা আমার ছেলে না। বেশ কিছুদিন ওই মেয়ে তার বোনের বাড়িতে ছিলো এবং তার বোন জামাইর সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক ছিলো তার। হতে পারে সন্তানটি তার বোন জামাইয়ের।’

এবিষয়ে হোসনাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান বলেন, এ ঘটনাটি ঘটার পর থেকেই আক্কাস বেপারীকে ওই মেয়েটিকে বিয়ে করার জন্য বলেছি। কিন্তু মামলা প্রক্রিয়াধীন থাকার কারণে কোনো ধরনের মীমাংসা করা সম্ভব হয়নি।

দৈনিক নয়াদিগন্ত পাঠক ফোরামের পক্ষ থেকে সহায়তা তহবিল গঠন করা হয়েছে। এই তহবিলে আর্থিক সাহায্য করার জন্য সমাজের বিত্ত ও হৃদয়বান লোকজনের কাছে বিনীত অনুরোধ করা হয়েছে। সাহায্য পাঠাতে পারেন এই নাম্বারে পার্সনাল বিকাশ-০১৮১৩৫০৯৮৬৬।


আরো সংবাদ