২৬ এপ্রিল ২০১৯

সাগরে ট্রলার ডুবিতে ৭ জেলে নিখোঁজ

ঘাটে শত শত ট্রলার অপেক্ষা করছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে মাছ ধরতে সাগরে যাবে ট্রলারগুলো। - ছবি: নয়া দিগন্ত

দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় বঙ্গোপসাগর উত্তাল হয়ে ওঠায় গভীর সমুদ্রে ২টি মাছ ধরা ট্রলার ডুবির ঘটনায় ৭ জেলে নিখোঁজ রয়েছেন।

নিখোঁজ জেলেরা হচ্ছে মাঝি মনির হাওলাদার (৩২), কাদের (৫৫), ইব্রাহিম (৪৫), মাহাবুব (২৬), ছিদ্দিক (২৮), ফাইজুল (২৮) ও জাহিদ (২৭)। নিখোঁজ জেলে জাহিদের বাড়ি বরগুনা জেলার খাকবুনিয়া এবং অন্যদের বাড়ি মহিপুরের নজিবপুর এলাকায় বলে জানাযায়।

বুধবার সকাল থেকে গভীল সমুদ্র উত্তাল হয়ে উঠে। প্রচণ্ড ঢেউয়ের মধ্য দিয়ে তীরে ফিরে আসার সময় মহিপুরের নজিবপুর এলাকার এফ,বি, ইলিয়াছ ও লতাচাপলী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো: আনছার উদ্দিন মোল্লার মালিকানাধীন এফ,বি মারজিয়া আক্তার রিমা নামের দুটি ট্রলার বুধবার গভীর রাতে মাঝি মাল্লাসহ সুন্দরবন সংলগ্ন সমুদ্রে নিমজ্জিত হয়।

এসময় নজিবপুর এলাকার এফ,বি, ইলিয়াছ ট্রলারের ১৩ জেলের মধ্যে ৬ জেলে অন্য একটি ট্রলারের সাহায্যে তীরে ফিরে আসে। তবে ট্রলার ডুবির দু’দিন অতিবাহিত হলেও নিখোঁজ ৭জেলের সন্ধান মেলেনী আজও।

অপরদিকে এফ,বি মারজিয়া আক্তার রিমা ট্রলারের ১৭ জেলে আরেকটি ট্রলারের সাহায্যে মৎস্য বন্দর আলীপুর নিয়ে আসলেও নিমজ্জিত ট্রলার ২টি উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

জেলেদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, বুধবার সকাল থেকে বৃহস্পতিবার শেষ বিকেল পর্যন্ত মাছ ধরা ট্রলারগুলো উপকূলে এসে আশ্রয় নিয়েছে। তবে এখনও কিছুসংখ্যক মাছ ধরার ট্রলার তীরে এসে পৌঁছাতে পারেনি।

জেলেরা বরফ, তৈল ও দৈনন্দিন বাজার নিয়ে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে গেলেও বৈরী আবহাওয়ার কারণে ফিরে আসতে হয়েছে। দু’একদিনের মধ্যে সবগুলো ট্রলার ঘাটে এসে পৌঁছাবে এমনটাই জানিয়েছেন এখানকার ট্রলার মালিকরা।

কুয়াকাটা সংলগ্ন আলীপুর-মহিপুর শিববাড়িয়া নদীতে নিরাপদে আশ্রয় নোঙর করে আছে সহস্রাধিক মাছ ধরা ট্রলার। এছাড়াও উপকূলীয় অঞ্চলের বিভিন্ন নদী, খালে মাছধরা ট্রলার নিরাপদ আশ্রয় নিয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।

সাগর থেকে ফিরে আসা জেলে সোহরাফ হোসেন বলেন, সাগর উত্তাল হওয়ার কারণে আমাদের ট্রলারের মাঝি মাল্লা সবাই বমি করেছে। মনে করছিলাম কুলে ফিরতে পারবো না, ট্রলার সমুদ্রে পড়ে যাবে।

নজিবপুর এলাকার এফ,বি, ইলিয়াছ ট্রলারের মালিক মো: ইলিয়াছ বলেন, অনেক সখ করে একটি ট্রলার সাগরে পাঠিয়েছিলাম কিন্তু সে ট্রলারটি আজ ডুবে গেল, ট্রলার ডুবিতে আমার ১০ লাখ টাকার ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে। শুধু তাই নয় আমার ১৩ জেলের মধ্যে সাত জেলে এখনও নিখোঁজ রয়েছে এটা আরও কষ্টদায়ক বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

কুয়াকাটা আলীপুর মৎস্য আড়তদার সমবায় সমিতি লিঃ’র সভাপতি ও লতাচাপলী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মো: আনছার উদ্দিন মোল্লা জানান, হঠাৎ সাগর উত্তাল হয়ে ওঠে। জেলেরা সমুদ্রে টিকতে না পেরে নিরাপদে আশ্রায় ফেরার পথে সুন্দরবন সংলগ্ন সমুদ্রে আমার ট্রলারটি ডুবে গেছে। অন্য একটি ট্রলার আমার মাঝি মাল্লাদের ঘাটে নিয়ে এসেছে।

এব্যাপারে নৌ-যান শ্রমিক ও কর্মচারী ইউনিয়ন কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার সম্পাদক ও ডেমরাঘাট শাখার সভাপতি মো: জাকির হোসেন বলেন, এই সময় সরকারের পক্ষে জরুরীভাবে শক্তিশালী নৌ-যান নিয়ে নিমজ্জিত এলাকা চিহ্নিত করে জেলেদের খুজে দেখা উচিৎ।

নৌ-যান শ্রমিক ও কর্মচারী ইউনিয়ন, ডেমরাঘাট শাখার কার্যকরী সভাপতি মোঃ ফারুক হোসেন এর সাথে তিনি বলেন, গভীর সমুদ্রে যেকোন ট্রলার ডুবির ঘটনা হলে তাৎক্ষণিক কোষ্টগার্ডের হেলিকপ্টার নিয়ে অনুসন্ধান করা।


আরো সংবাদ

iptv al Epoksi boya epoksi zemin kaplama Daftar Situs Agen Judi Bola Net Online Terpercaya Resmi

Hacklink

Bursa evden eve nakliyat
arsa fiyatları tesettür giyim
Canlı Radyo Dinle hd film izle instagram takipçi satın al ofis taşıma Instagram Web Viewer

canli radyo dinle

Yabanci Dil Seslendirme

instagram takipçi satın al
hd film izle
gebze evden eve nakliyat