২৩ মার্চ ২০১৯

অন্যের স্ত্রী নিয়ে ছাত্রলীগ নেতার চম্পট

অন্যের স্ত্রী নিয়ে ছাত্রলীগ নেতার চম্পট - ছবি : প্রতীকী

বরগুনার পাথরঘাটায় উপজেলা ছাত্রলীগের এক নেতা অন্যের বিবাহিত স্ত্রীকে নিয়ে চম্পট দিয়েছেন। গত ঈদের পর দিন পিতা-মাতার আয়োজনে সুমীকে ধূমধাম করে বিয়ে দেয়া হয়েছিল বলে মেয়ের স্বজনরা জানিয়েছেন।

খলিলুর রহমান পাথরঘাটা উপজেলা ছাত্রলীগের দপ্তর সম্পদক ও কালমেঘা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত হাবিবুর রহমানের ছেলে। হুমায়রা আক্তার সুমীচরদুয়ানী ইউনিয়নের মো. শাহিন খানের মেয়ে।

স্বজন, এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, চরদুয়ানী ইউনিয়নের মো. শাহিন খানের মেয়ে হুমায়রা আক্তার সুমী চট্টগামের একটি কলেজের অনার্স শ্রেণীর ছাত্রী। গত ১৭ জুন পাত্র পাত্রী উভয়ের স্বজনদের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে তার বিয়ে হয়। বিবাহিত মেয়ে রীতিমতো স্বামীর বাড়িতে যান। বিয়ের ২৪ দিনের মাথায় পাথরঘাটা উপজেলা ছাত্র লীগের দপ্তর সম্পাদক মো. খলিলুর রহমান তাকে নিয়ে সোমবার চম্পট দেন। মেয়ের বাবা পাথরঘাটায় না থাকায় তার দাদা মো. ফজলুল হক খান পাথরঘাটা থানায় বিষয়টি মৌখিকভাবে অবহিত করেছেন।

আরো পড়ুন :

আগৈলঝাড়ায় বাকপ্রতিবন্ধিকে ধর্ষণ
আগৈলঝাড়া (বরিশাল) সংবাদদাতা

বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার রতপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ মোল্লাপাড়া গ্রামে এক বাকপ্রতিবন্ধি কিশোরীকে (১৫) ধর্ষণ এর অভিযোগ উঠেছে ওই এলাকার এক প্রভাবশালী ব্যক্তির বিরুদ্ধে। ধর্ষণের পর ওই কিশোরী দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। পরবর্তীতে স্থানীয় চিকিৎসক দ্বারা গর্ভপাত ঘটায় ধর্ষিতার পরিবার। এ নিয়ে একাধিকবার স্থানীয়ভাবে সালিশ বৈঠক বসলেও বিচার পায়নি ভুক্তভুগী পরিবারটি। 

স্থানীয়রা সালিস বৈঠকে ধর্ষককে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন। দুই সপ্তাহের অধিক সময় পার হলেও নির্যাতিত পরিবারকে জরিমানার টাকা না দিয়ে প্রতিবন্ধি পরিবারকে নানা ধরনের হুমকি প্রদান করছে স্থানীয় প্রভাবশালী ধর্ষক পরিবার। হুমকির মুখে ওই প্রতিবন্ধি পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। নির্যাতিত পরিবার প্রসাশনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

সরেজমিনে এলাকাবাসী, নির্যাতিত পরিবারের সাথে কথা বলে জানা গেছে, ওই গ্রামের বুদ্ধি প্রতিবন্ধি নিখিল হালদার এর ২ মেয়ে ও ১ ছেলে। বড় মেয়ে (১৭) দৃষ্টি প্রতিবন্ধি, ছোট মেয়ে (১৫) ও ছেলে (৮) উভয়ে বাক প্রতিবন্ধি। নির্যাতিতার মা ও ঠাকুর মা ঝিয়ের কাজ ও বর্ষা মৌসুমে জমিতে শাপলা কুড়িয়ে তা বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করেন। 

গতকাল রোববার বিকেলে অসহায় ও হতদরিদ্র নির্যাতির মা (৪০) অভিযোগ করে বলেন, তিনি তার বাবার বাড়ি বেড়াতে যাওয়ায় তার বাকপ্রতিবন্ধি ছোট মেয়ে (১৫) তাদের বাড়ির পাশে সুনীল সরকারের ঘরে টেলিভিশন দেখতে যায়। রাতে টেলিভিশন দেখে ঘরে ফেরার পথে স্থানীয় প্রভাবশালী ৯ সন্তানের জনক সুনীল সরকার (৬৫) ওই বাকপ্রতিবন্ধি মেয়েকে টাকা ও মোবাইল কিনে দেয়ার কথা বলে (সুনীলের) বাড়ির পুকুর পারে নিয়ে জোরপূবর্ক ধর্ষণ করে। 

এ ঘটনার পরে ওই প্রতিবন্ধী মেয়ে দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পরে। অন্তঃসত্ত্বার পর বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পরে। এক পর্যায়ে ধষর্কের স্ত্রী টগরী সরকার ও নির্যাতিতার ঠাকুর মা তার অন্তঃসত্ত্বা মেয়েকে সাহেবেরহাট জিজাস মেডিকেল হলের মালিক পল্লী চিকিৎসক বাদল চক্রবর্তীর কাছে নিয়ে যায়। বাদল চক্রবর্তী ঔষধের মাধ্যমে গর্ভপাত ঘটায়। পরবর্তীতে গত ২০ জুন রতপুর ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের সদস্য চিত্ত সমদ্দার, সংরক্ষিত মহিলা-২ এর সদস্য লিলি হাওলাদার, ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক সোহরাব হোসেন হাওলাদারসহ স্থানীয় গন্যমান্যদের উপস্থিতিতে সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। 

সালিশ বৈঠকে উপস্থিত ইউপি সদস্য চিত্ত সমদ্দার ও লিলি হাওলাদার জানান, ধষর্ককে নির্যাতিত প্রতিবন্ধি পরিবারকে ২৫ হাজার টাকা তিন দিনের মধ্যে দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়। ধর্ষক সুনীল সরকার টাকা না দিয়ে নানান তালবাহানা করেন। পরবর্তীতে সালিশরা বিষয়টি ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তফা সরদারকে অবহতি করেন।

নির্যাতিতার ঠাকুর মা অভিযোগ করে কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, ‘মোর নাতীর ইজ্জত নষ্ট কইরা, এহন হের বিচার চাইতে চেয়ারম্যান, মেম্বরসহ মাতব্বরদের কাছে দৌড়াইতে দৌড়াইতে এহন মোরা অসুস্থ্য হইয়া পড়ছি। মোরা ধর্ষক সুনীল সরকারের বিচার চাই।’ তিনি আরো অভিযোগ করেন, সালিশদের দেয়া রায়ের ২৫ হাজার টাকা না দিয়ে উল্টো তাদের পরিবারকে নানা ধরনের হুমকি প্রদান করছেন। হুমকির মুখে তাদের অসহায় পরিবারটি জীবনের নিরাপত্তাহীনতাই ভুগছেন। 

জিজাস মেডিকেল হলের মালিক পল্লী চিকিৎসক বাদল চক্রবর্তী গর্ভপাত ঘটনানোর সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘অসহায় প্রতিবন্ধি পরিবারটির দিকে তাকিয়ে আমি ঔষধ খেতে দিয়েছি।’ 

অভিযোগের ব্যাপারে অস্বীকার করে অভিযুক্ত সুনীল সরকার বলেন, ‘সালিশরা যে সিদ্ধান্ত নেন তার সাথে আমি একমত।’
রতপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোস্তফা সরদার সাংবাদিকদের জানান, ‘নির্যাতিতার মা ও দাদী আমার কাছে এসেছিলেন। আমি এসব বিষয় কোন সালিশ করিনা বলে পাঠিয়ে দিয়েছি।’
এ ব্যাপাওে আগৈলঝাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আঃ রাজ্জাক মোল্লা জানান, এ ঘটনায় আমি কোন অভিযোগ পাইনি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’


আরো সংবাদ

iptv al Epoksi boya epoksi zemin kaplama Daftar Situs Agen Judi Bola Net Online Terpercaya Resmi

Hacklink

instagram takipçi satın al ofis taşıma Instagram Web Viewer

canli radyo dinle

Yabanci Dil Seslendirme

instagram takipçi satın al