২২ জুন ২০১৮

মামলা তুলে নিতে মসজিদের ইমামকে মারধর

-

পুর্ব বিরোধের জের মেটাতে এবং মামলা তুলে নিতে মসজিদের ইমামকে মারধর করে হাত ভেঙ্গে দেয়। সম্প্রতি বরগুনার পাথরঘাটায় এ ঘটনার পর প্রায় সময়ই ইমাম আ. রাজ্জাক মাল (৬০)সহ তার স¦জনদের হত্যার হুমকি দিয়ে আসছে একই বংশের হযরত মাল ওরফে বন্দুক মাল।

এ ঘটনায় রোববার দুপুরে পাথরঘাটা প্রেসক্লাবে আহত ইমাম আ. রাজ্জাক ও তার ছেলে সায়েম মাল সংবাদ সম্মেলন করেন। অভিযোগ করেন, কালীবাড়ি হোসেন হাওলাদার বাড়ি জামে মসজিদের ইমাম আ. রাজ্জাক মালের সাথে একই বংশের হযরত মাল ওরফে বন্দুক মালের সাথে জমি নিয়ে একাধিক মামলা চলে আসছে। ২০০৮ সালে ইমামের ছেলে সায়েম মালকে কুপিয়ে আহত করার মামলায় বর্তমানে রায়ের অপেক্ষায়। ওই মামলাসহ তার বিরুদ্ধে সকল অভিযোগ তুলে নিতে ইমাম আ. রাজ্জাক মালকে ৭ জুন রড দিয়ে পিটিয়ে ডান হাত ভেঙ্গে দেয় ও মেরুদন্ডে গুরুতর যখম করে।।

অভিযোগে আরও বলা হয়, হযরত মাল সুন্দরবনের কুখ্যাত জলদস্যূ বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড ছিল, ওই বাহিনীর প্রধান বন্দুকযুদ্ধে মারা যাওয়ার পরে সে এলাকায় আসে। এছাড়াও হযরত মালের বিরুদ্ধে ১৭টি মামলা ও একাধিক জিডিও রয়েছে। এছাড়া আ. রাজ্জাক মালের জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে হযরত মালের বিরুদ্ধে একাধিক জিডিও করা হয়েছে। ১৯৯৩ সালে পাথরঘাটা পৌরসভার মেয়রসহ ৬ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হযরত মাল একজন সন্ত্রাসী, জলদস্যূ মর্মে প্রশাসনের কাছে সুপারিশ করেন বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

এ বিষয় অভিযুক্ত হযরত মালের সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও কথা বলা সম্ভব হয়নি।

এবিষয়ে পাথরঘাটা থানা ভারপ্রপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোল্লা মো. খবীর আহমেদ এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার কাছে একটি অভিযোগ আসছে। তদন্ত করে ব্যাবস্থা নেয়া হবে।


আরো সংবাদ