film izle
esans aroma Umraniye evden eve nakliyat gebze evden eve nakliyat Ezhel Şarkıları indirEzhel mp3 indir, Ezhel albüm şarkı indir mobilhttps://guncelmp3indir.com Entrumpelung wien Installateur Notdienst Wien
২২ ফেব্রুয়ারি ২০২০

পায়ের আঙুল দিয়ে জেডিসি পরীক্ষা দিচ্ছে রাসেল

-

দুই হাত নেই। ডান পা নেই। বাঁ পা রয়েছে, তা-ও আবার অনেক ছোট। সেই পায়ের আঙুলের ফাঁকে কলম রেখে সিংড়া শোলাকুড়া ইসলামিয়া আলিম মাদরাসাকেন্দ্রে জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা দিচ্ছে রাসেল। সে সিংড়া পৌর শহরের শোলাকুড়া গ্রামের দিনমজুর আব্দুর রহিম মৃধার ছেলে। তার এই অদম্য স্পৃহা স্থানীয়দের বিস্মিত করেছে।
সরজমিনে শোলাকুড়া মাদরাসাকেন্দ্রে খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, পরীক্ষার কক্ষে সবাই বেঞ্চে বসে একমনে খাতায় লিখে যাচ্ছে প্রশ্নের উত্তর। তাদের পাশে বসে লিখছে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী রাসেল মৃধা (১৪)। তার হাতে কলম নেই, টেবিলের ওপর নেই পরীক্ষার খাতাও। বিশেষ কৌশলে বেঞ্চের ওপর খাতা রেখে সেখানেই বসেই ছোট্ট বাম পায়ের দুই আঙুলের ফাঁকে কলম রেখে মনোযোগ দিয়ে লিখে যাচ্ছে সে। তার এই শারীরিক প্রতিবন্ধিতা দমাতে পারেনি তাকে।
স্থানীয় মানবাধিকার কর্মী আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, শুধু একটি ছোট্ট পা দিয়েই তার জীবন সংগ্রাম। সে পা দিয়ে লেখে এবং শুকনো খাবার খায়। লেখাপড়ার প্রতি প্রবল আগ্রহ আর মনের জোরে বাম পায়ে কলম ধরে সে পরীক্ষা দিচ্ছে। আর শারীরিক প্রতিবন্ধী হওয়া সত্ত্বেও হাল ছাড়েননি রাসেলের বাবা-মা। তাকে স্থানীয় শোলাকুড়া ইসলামিয়া আলিম মাদরাসায় ভর্তি করিয়ে দেন।
রাসেলের মা লাভলী বেগম জানান, তার দু’টি সন্তান নিয়ে তিনি সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন। তার প্রতিবন্ধী ছেলের ইচ্ছা বড় হয়ে একজন আদর্শবান শিক্ষক হয়ে দেশ ও জাতির সেবা করা। সরকারি সহায়তা পেলে রাসেলকে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলবেন।
শোলাকুড়া ইসলামিয়া আলিম মাদরাসার কেন্দ্রসচিব মো: নাজমুল হক বলেন, শুধু ছোট্ট একটি পা দিয়ে পরীক্ষা দেয়াটা সবাইকে বিস্ময় করে তুলেছে। তার জন্য সকল প্রকার সুযোগ-সুবিধাসহ অতিরিক্ত সময়ও বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
সিংড়া উপজেলা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা ও কেন্দ্র তদারকি কর্মকর্তা রামকৃষ্ণ পাল বলেন, ছেলেটির হাত ও পা না থাকা সত্ত্বেও ছোট্ট একটি পা দিয়ে সুন্দরভাবে লিখে পরীক্ষা দেয়া তার অদম্য স্পৃহা সবাইকে মুগ্ধ করেছে।


আরো সংবাদ