২২ অক্টোবর ২০১৯, ৭ কার্তিক ১৪২৪, ১ সফর ১৪৩৯

২২ ঘণ্টা পর শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি ফেরি ও লঞ্চ চলাচল শুরু

-

বৈরী আবহাওয়ার কারণে শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুটে ফেরি লঞ্চ ও স্পিডবোট চলাচল বন্ধ ছিল প্রায় ২২ ঘণ্টা। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে এবং পরে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বড় সাইজের ডাম্প ফেরি সীমিত আকারে চললেও তা দফায় দফায় বন্ধ হয়েছে। তবে লঞ্চ ও স্পিডবোট চলাচল একেবারেই বন্ধ ছিল।
বুধবার দুপুর ১২টা আবহাওয়া অনুকূলে এলে আবার শিমুলিয়া থেকে কাঁঠালবাড়ির উদ্দেশে ছেড়ে যায় এক এক করে যাত্রীবাহী লঞ্চগুলো। বর্তমানে ফেরি ও লঞ্চ চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। বৃষ্টির কারণে স্পিড বোট ঘাট থেকে ছাড়ছে না।
বিআইডব্লিউটির শিমুলিয়া ঘাট ইনচার্জ সোলাইমান জানান, উত্তাল পদ্মায় দুর্ঘটনা এড়াতে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮ থেকে সকল নৌযান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছিল। বুধবার সকালে আবহাওয়া অনুকূলে এলে প্রায় ২২ ঘণ্টা পর আবার নৌযান চলাচল স্বাভাবিক হয়। তবে স্পিডবোট বন্ধ রয়েছে এখনো।
এদিকে প্রশাসনের তদারকি না থাকায় মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টায় শিমুলিয়া প্রান্ত থেকে লাইফ জ্যাকেট ছাড়া ২০ জন যাত্রী নিয়ে একটি স্পিডবোট কাঁঠালবাড়ি ঘাটের দিকে রওনা দেয়। পথে লৌহজং টার্নিং পয়েন্টের কাছে ফুটো স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ সময় নদীতে চলমান একটি বোট যাত্রীদের উদ্ধার করে। তবে দিন ইসলাম রনি (৮) নামে এক শিশু নিখোঁজ রয়েছে।
নিখোঁজ রনির বোন মিম আক্তার ও চাচা বাবুল হাওলাদার জানান, ত্রুটিপূর্ণ স্পিডবোটটি ২০ জন যাত্রী নিয়ে শিমুলিয়া থেকে ছেড়ে যায়। তাদের কোনো লাইফ জ্যাকেট দেয়া হয়নি। পদ্মা সেতু এলাকার লৌহজং টার্নিং পয়েন্টে গেলে স্পিডবোটটিতে পানি উঠতে থাকে। একপর্যায়ে কাত হয়ে উল্টে যায়। এ সময় একটি বোট এসে তাদের উদ্ধার করে। কিন্তু রনিকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। শিমুলিয়া ঘাটে এসে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত প্রশাসনের কাউকে তারা খুঁজে পাননি বলে জানান।
মাওয়া নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আমিনুল ইসলাম জানান, স্পিডবোট ডুবে নিখোঁজ শিশু রনিকে উদ্ধারে সেনাবাহিনী, কোস্ট গার্ড, ফায়ার সার্ভিস ও নৌপুলিশ যৌথভাবে প্রস্তুত রয়েছে। বৃষ্টি কমলেই উদ্ধারকাজ শুরু হবে।


আরো সংবাদ

সকল




portugal golden visa
paykwik