২২ জুলাই ২০১৯

গাইবান্ধা-ঢাকা চেয়ারকোচ চলাচল বন্ধ

-

পরিবহন শ্রমিক ও বহিরাগত পরিবহন মালিকদের দ্বন্দ্বের কারণে গত ৬ জুলাই থেকে একটানা পাঁচ দিন ধরে গাইবান্ধা থেকে ঢাকার সাথে চলাচলকারী দূরপাল্লার চেয়ারকোচগুলো বন্ধ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে আলহামরা, এসআর, শ্যামলী, হানিফ, অরিন, একতা পরিবহনের গাড়িগুলো। মালিক ও শ্রমিক কর্তৃপক্ষের দ্বন্দ্ব নিরসন না হওয়ায় কবে নাগাদ চেয়ারকোচগুলো চালু হবে তা অনিশ্চিত। ফলে এ জেলার ঢাকায় যাতায়াতকারী বাসযাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
শ্রমিকদের সূত্র জানা গেছে, দূরপাল্লার চেয়ারকোচগুলোর কাছে জেলা বাস টার্মিনাল থেকে ছাড়ার সময় নানা ব্যয় নির্বাহের জন্য প্রতিদিন পূর্বের ১৮০ টাকার পরিবর্তে ২৬০ টাকা করে দেয়ার দাবি জানায় তারা। সেইসাথে শ্রমিকরা মহাসড়কে চাঁদাবাজি বন্ধেরও দাবি জানায়। এ নিয়ে গাইবান্ধা জেলাপর্যায়ের মালিকদের সাথে শ্রমিক সংগঠনের দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হলে গত ৬ জুলাই থেকে বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। গাইবান্ধা জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, মটর মালিক সমিতি ও শ্রমিক সংগঠনের সাথে বিষয়টি নিষ্পত্তি হয়। ফলে এক দিন পরেই গাইবান্ধা থেকে ঢাকার চেয়ারকোচ চলাচলের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় বলে জেলা মোটর মালিক সমিতি সূত্রে জানা গেছে। কিন্তু ঢাকা বাস-ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাথে শ্রমিক সংগঠনের মহাসড়কে চাঁদাবাজি বন্ধ, বর্ধিত চাঁদা প্রদান, সড়কে যানবাহনের নিরাপত্তা বিধানসহ অন্যান্য বিষয়ে নিষ্পত্তি না হওয়ায় তারা গাইবান্ধায় একটানা পাঁচ দিন ধরে চেয়ারকোচগুলো চলাচল বন্ধ রেখেছে।
এদিকে সাতটি পরিবহন কোম্পানির প্রতিদিন গড়ে যেখানে চারটি থেকে ছয়টি পর্যন্ত চেয়ারকোচ গাইবান্ধা-ঢাকায় চলাচল করত। সেখানে একটানা পাঁচ দিন সাতটি পরিবহনের সব চেয়ারকোচ বন্ধ থাকায় যাত্রীদের সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ফলে গাইবান্ধার সর্বস্তরের বাসযাত্রীদের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের কাছে গাইবান্ধা-ঢাকায় বন্ধ থাকা চেয়ারকোচ চলাচল অবিলম্বে চালু করার দাবি জানানো হয়েছে।

 


আরো সংবাদ

gebze evden eve nakliyat instagram takipçi hilesi