২০ মে ২০১৯

চিলাহাটি সরকারি কলেজে অধ্যক্ষ না থাকায় ৫ মাস কর্মচারীদের বেতন বন্ধ

-

নীলফামারীর চিলাহাটি সরকারি কলেজে অধ্যক্ষ না থাকায় পাঁচ মাস ধরে বেতন তুলতে পারছেন না প্রদর্শকসহ কর্মচারীরা। এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানটির শীর্ষ কর্মকর্তা না থাকায় ব্যাঘাত ঘটছে প্রশাসনিক কার্যক্রমসহ উন্নয়ন কর্মকাণ্ড।
কলেজ সূত্র জানায়, গেল বছরের ৩ অক্টোবর পর্যন্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন ইদ্রিস মিয়া। তিনি এখান থেকে বদলি হয়ে যান দিনাজপুর সরকারি মহিলা কলেজে। তার স্থলে চিলাহাটি সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে পদায়ন করা হয় মানিকগঞ্জ জেলার ঘিওর সরকারি কলেজের অধ্যাপক রঞ্জিত কুমার সরকারকে। রঞ্জিত কুমার সরকার এখনো যোগদান করেননি প্রতিষ্ঠানটিতে। অধ্যক্ষ যোগদান না করায় কলেজটির প্রদর্শকসহ তৃতীয় ও চুতর্থ শ্রেণীর ১৪ জন কর্মচারী অক্টোবর থেকে বেতন উত্তোলন করতে পারছেন না।
কলেজের প্রধান অফিস সহকারী হাফিজুর রহমান বলেন, বেতনভাতা উত্তোলনের জন্য অধ্যক্ষের স্বাক্ষর প্রয়োজন কিন্তু অধ্যক্ষ না থাকায় গেল পাঁচ মাস ধরে আর্থিক কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করতে না পারায় শিক্ষা উপকরণ কেনা সম্ভব হচ্ছে না, যার প্রভাব পড়ছে পাঠদানে।
অফিস সহায়ক ফজলুল হক বলেন, ছোট চাকরি করি। আট সদস্যের পরিবার চলে এখানকার বেতনের ওপর। ধার দেনা করে চলতে হচ্ছে। আরেক অফিস সহায়ক ইয়াসিন আলী বলেন, অধ্যক্ষ স্যার না থাকায় বেতন তুলতে পারছি না।
এ দিকে অধ্যক্ষ না থাকায় অ্যাকাডেমিক ভবন স্থাপনপ্রক্রিয়া থমকে যাওয়া এবং বতর্মান ভবন মেরামত বাবদ ১০ লাখ টাকা এলেও অনিশ্চয়তায় পড়েছে। সময়মতো কাজ করতে না পারলে টাকা ফেরত যাবে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সংসদ সদস্য আফতাব উদ্দিন সরকার বলেন, কলেজটিতে শিক্ষকসঙ্কট প্রকট। অধ্যক্ষও নেই। আমি অধ্যক্ষ পদায়নের বিষয়টি নিয়ে চেষ্টা করছি যাতে করে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রমে কোনো ব্যাঘাত না ঘটে।
বেতনভাতা উত্তোলনের জন্য অধ্যক্ষের স্বাক্ষর প্রয়োজন কিন্তু অধ্যক্ষ না থাকায় গেল পাঁচ মাস ধরে আর্থিক কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করতে না পারায় শিক্ষা উপকরণ কেনা সম্ভব হচ্ছে না, যার প্রভাব পড়ছে পাঠদানে।

 


আরো সংবাদ