২৩ মার্চ ২০১৯

ভূরুঙ্গামারীতে ইটের গুঁড়ায় কেমিক্যাল মিশিয়ে তৈরি হচ্ছে কীটনাশক

ভেজাল ধানবীজ ও সারে প্রতারিত কৃষক
কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারীতে নকল দানাদার কীটনাশক তৈরির সামগ্রী, বিভিন্ন কোম্পানির ধানবীজ, সার ও কীটনাশকের খালি মোড়ক উদ্ধার করে ভ্রাম্যমান আদালত :নয়া দিগন্ত -

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে ইটের গুঁড়া ও কেমিক্যাল দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে দানাদার কীটনাশক। দেশের নামীদামি কোম্পানির প্যাকেটে নি¤œমানের ধানবীজ ও সার ঢুকিয়ে বাজারজাত করে প্রতারিত করা হচ্ছে কৃষকদের।
গত রোববার সন্ধ্যায় ভ্রাম্যমাণ আদালত এক দোকানে অভিযান চালিয়ে নকল কীটনাশক, ধানবীজ, সার তৈরির সরঞ্জাম, ইটের গুঁড়া, খালি প্যাকেট ও কেমিক্যাল উদ্ধার করেছে। সুমন বীজ ভাণ্ডার নামের একটি প্রতিষ্ঠান দীর্ঘ দিন ধরে দেশের প্রতিষ্ঠিত বিভিন্ন কোম্পানির ধানবীজ, সার ও দানাদার কীটনাশকের প্যাকেট সংগ্রহ করে নিজের তৈরি ভেজাল বীজ, সার ও কীটনাশক ঢুকিয়ে বাজারজাত করে আসছে। প্রতিষ্ঠানটির মালিক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ। তিনি শিলখুড়ি ইউনিয়নের চর উত্তর তিলাই গ্রামের আলাল উদ্দিনের ছেলে। জানা গেছে, তিনি প্রায় সাত বছর যাবত ভূরুঙ্গামারী বাজারে এই ভেজাল কৃষিপণ্যের ব্যবসা চালিয়ে স্থানীয় কৃষকদের প্রতারিত করছেন। গত রোববার সন্ধ্যায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস এইচ এম মাগফুরুল হাসান আব্বাসী ও উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম অভিযান চালিয়ে ব্রি ধান-২৯, ব্রি ধান-২৮, সুফলা ভারত সিড সুফলা-২৮, হীরা-২, এসিআই-২, হীরা-১, তেজ, ইস্পাহানি-১, ব্যাবিলন-২, ব্রি ধান-৪৯, সম্পদ, তিন পাতা সুপার, দানাদার কীটনাশক বাসুডিন, প্রোকেম, রেকাডিন, ফুরাডান, তাজা, ভিট টাকো, যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানির ইউরিয়া সারের খালি বস্তা, বিভিন্ন কোম্পানির ধানবীজের খালি প্যাকেট, প্যাকেটকরণ মেশিন, দানাদার কীটনাশক তৈরির কাজে ব্যবহৃত ইটের গুঁড়া, কেমিক্যাল ও বিপুল পরিমাণ মেয়াদ উত্তীর্ণ তরল কীটনাশক উদ্ধার করে।
অভিযুক্ত ওই ব্যবসায়ী ঢাকা থেকে এসব খালি প্যাকেট ও বস্তা এনে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত নি¤œমানের ধানবীজ, নিজের তৈরি দানাদার কীটনাশক ও নি¤œমানের সার ঢুকিয়ে বাজারজাত করে আসছে।
কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম জানান, সুমন বীজ ভাণ্ডার থেকে একজন ক্রেতা ভিট টাকো কিনে তার সন্দেহ হলে কৃষি দফতরে যোগাযোগ করেন। তার অভিযোগের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এইচ এম মাগফুরুল হাসান আব্বাসী জানান, সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে মোবাইলকোর্ট পরিচালনা করে উল্লিখিত নকল ও ভেজালসামগ্রী উদ্ধার করা হয় এবং ওই ব্যবসায়ীর ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
ভুক্তভোগীরা ক্ষোভের সাথে জানান, এত বড় প্রতারণার শাস্তি মাত্র ৩০ হাজার টাকা কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না।

 


আরো সংবাদ

iptv al Epoksi boya epoksi zemin kaplama Daftar Situs Agen Judi Bola Net Online Terpercaya Resmi

Hacklink

instagram takipçi satın al ofis taşıma Instagram Web Viewer

canli radyo dinle

Yabanci Dil Seslendirme

instagram takipçi satın al