২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮

বিভিন্ন স্থানে বজ্রপাতে ছয়জনের মৃত্যু

-

দেশের বিভিন্ন স্থানে বজ্রপাতে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে দুই স্কুল ছাত্রীও রয়েছে। গতকাল আকস্মিক বজ্রপাতে তারা নিহত হন।
সুনামগঞ্জ সংবাদদাতা জানান, ছাতকে বজ্রপাতে পৃথক স্থানে দু’জন নিহত হয়েছে। বুধবার দুপুরে উপজেলার সুরমা নদীর কালারুকা এলাকায় এক নৌ শ্রমিক ও নোয়ারাই ইউনিয়নের জয়নগর এলাকায় মাছ ধরতে গিয়ে এক কিশোরের নিহত নৌ শ্রমিকের নাম মামুন মিয়া (২৮)। তিনি উপজেলার কালারুকা এলাকা থেকে ছাতকে বলগেটে আসার পথে বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন। তিনি জেলার মঠবাড়িয়া থানার ছাপালবাড়ী গ্রামের আইনুল হকের ছেলে।
অন্য দিকে একই সময়ে উপজেলার নোয়ারাই ইউনিয়নের জয়নগর গ্রামে লুলু দাশের কিশোর ছেলে হৃদয় দাশ (১৪) মাছ ধরতে গেলে বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই নিহত হয়। নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ছাতক থানার ওসি আতিকুর রহমান নিহতের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
শরণখোলা (বাগেরহাট) সংবাদদাতা জানান, বুধবার দুপুরে বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার হোগলপাতি গ্রামে বজ্রপাতে বিপুল হালদার (৫০) নিহত হয়েছেন। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্র জানায়, বুধবার বেলা সোয়া ১টার দিকে হোগলপাতি গ্রামের বিমল হালদারের ছেলে বিপুল হালদার বাড়ির গোয়ালঘরে গরুকে ঘাস কেটে দেয়ার সময় আকস্মিকভাবে তার ওপর বজ্রপাত হয়। পরিবারের লোকজন তাকে শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে এলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
সাতক্ষীরা সংবাদদাতা জানান, কালিগঞ্জ উপজেলার চম্পাফুল বাজারে বজ্রপাতে অষ্টম শ্রেণীর দুই স্কুলছাত্রী নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে একই শ্রেণীর আরো দুই ছাত্রী। নিহতরা হলোÑ কালিগঞ্জ উপজেলার সাইহাটি গ্রামের বিল্লাল খার মেয়ে বিলকিস খাতুন (১৪) ও চম্পাফুল গ্রামের আকবর শেখের মেয়ে ময়না খাতুন (১৪)। আহতরা হলোÑ একই উপজেলার বালাপোতা গ্রামের রহিম শেখের মেয়ে রুবিনা খাতুন (১৩) ও তেঁতুলিয়া গ্রামের হায়দার আলীর মেয়ে সাথী খাতুন (১৪)।
কালিগঞ্জ থানার ওসি হাসান হাফিজুর রহমান ঘটনাটি নিশ্চিত করে জানান, বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে তারা চার বান্ধবী একসাথে স্কুলে প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার পথে তারা চম্পাফুল বাজার এলাকায় পৌঁছলে বিকট শব্দে বজ্রপাত হয়। এতে ওই চারজনই গুরুতর আহত হয়। স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে আশাশুনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক বিলকিস খাতুনকে মৃত ঘোষণা করেন। এরপর বাকি তিনজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় আশাশুনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে থেকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নেয়ার পথে মারা যায় ময়না। বাকি দুই সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তাদের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
রাজবাড়ী সংবাদদাতা জানান, বালিয়াকান্দি উপজেলার একজনা গ্রামে বুধবার বিকেলে মাছধরার সময় হঠাৎ বজ্্রপাতে লালচাঁদ (২৭) নিহত হয়েছে। নিহত যুবক গ্রামের বলরামের ছেলে। বহরপুর ইউপি চেয়ারম্যান রেজাউল করিম বলেন, গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টির মধ্যে হঠাৎ বজ্্রপাতে ঘটনাস্থলেই সে নিহত হয়।

 


আরো সংবাদ