২৬ জুন ২০১৯

অস্ট্রেলিয়ায় নির্বাচনে ক্ষমতাসীনদের জয়

অস্ট্রেলিয়ায় ফেডারেল নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দল জয়লাভ করেছে। শনিবার অনুষ্ঠিত হয় অস্ট্রেলিয়ার ৪৬তম ফেডারেল নির্বাচন। সন্ধ্যা ৬টা থেকে শুরু হয় ভোট গণনা। বিরোধীরা পরাজয় স্বীকার করে নিয়েছে। আর ফের বিজয়ী হওয়ায় ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন।

এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হয়নি। তবে এখন পর্যন্ত ভোট গণনায় লিবারেল ও ন্যাশনাল পার্টির জোট যে কয়টি আসন পেয়েছে, তাতেই বিজয় নিশ্চিত হয়ে গেছে তাদের। এখন পর্যন্ত গণনা করা হয়েছে অন্তত ৭০ শতাংশ ভোট।

একটি দলের সরকার গঠন করতে প্রয়োজন ৭৬টি আসন। লিবারেল ও ন্যাশনাল পার্টির জোট পেয়েছে ৭৪টি আসন। অন্য ছয় আসনের মধ্যে দুটিতেই এগিয়ে রয়েছে এই জোট। অন্যদিকে সম্ভাবনা জাগিয়েও বিরোধীদল লেবার পার্টি পেয়েছে ৬৬টি আসন।

৭০ ভাগ ভোট গণনার পর দেখা গেছে, ৭৪টি আসনে জয় পেয়েছে প্রধানমন্ত্রী মরিসনের মধ্য-ডানপন্থি জোট। সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য ৭৬টি আসন দরকার। বিরোধী লেবার পার্টি জয় পেয়েছে ৬৬টি আসনে।

তবে এভাবে জয় নিশ্চিত হয়ে যাবে, তা যেন কল্পনাই করেননি ক্ষমতাসীন লিবারেল ও ন্যাশনাল পার্টির জোট প্রধান বর্তমান প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন। কারণ এর আগে বিভিন্ন জরিপে দেখা গেছে, এবারের নির্বাচনে সম্ভাবনার তুঙ্গে রয়েছে বিরোধীদল লেবার পার্টি। সেজন্য জয়ের সম্ভাবনা ফিরিয়ে আনতে বেশ হিসাব-নিকেশই করতে হয়েছে ক্ষমতাসীন জোটকে। একদম শেষ পর্যায়ে এসে ‘অলৌকিক’ ভাবেই নির্বাচনের মোড় ঘুড়িয়ে দিয়েছে ক্ষমতাসীন লিবারেল ও ন্যাশনাল পার্টির জোট।

আর সেজন্যেই স্কট মরিসন উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে তার সমর্থকদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেই ফেললেন, ‘আমি সবসময় অলৌকিক ঘটনায় বিশ্বাস করি।’

অন্যদিকে বিরোধীদল লেবার পার্টির প্রধান বিল শরটেন জানিয়েছেন, পরাজয় মেনে নিয়ে দল থেকে পদত্যাগ করবেন তিনি।

উল্লেখ্য, ভোটার হিসেবে অস্ট্রেলিয়ায় ভোট দেয়া বাধ্যতামূলক। এবার এক কোটি ৬৪ লাখ ভোটার ভোট দিয়েছেন। যেহেতু ভোট দেয়া বাধ্যতামূলক, তাই ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সের সবাই ভোট দিয়েছেন। ভোট না দিলে ২০ ডলার জরিমানার বিধান রয়েছে।

দেখুন:

আরো সংবাদ