২৭ মে ২০১৯

জনপ্রিয়তার তুঙ্গে নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আরডার্ন

জেসিন্ডা আরডার্ন - ছবি : সংগৃহীত

এক মাস আগে বিশ্বের সবগুলো সংবাদমাধ্যমে উঠে এসেছিল নিউজিল্যান্ড। ১৫ মার্চ দেশটির ক্রাইস্টচার্চে দুইটি মসজিদে জুমার নামাযের সময় বর্বর ও নৃশংস হামলা চালায় অস্ট্রেলীয় সন্ত্রাসী ব্রেন্ডন ট্যারেন্ট। ওই হামলায় মারা গিয়েছিল ৫০ জন মুসল্লি। ওই হামলার পরপরই নিউ জিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আরডার্ন যেসব পদক্ষেপ নিয়েছিলেন তার প্রত্যেকটিই দেশে-বিদেশে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছে। তাই এত বড় একটি বিপর্যয়ের এক মাসের মধ্যে দেশটির বাসিন্দাদের কাছে তার জনপ্রিয়তা এখন আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে। সম্প্রতি এমন তথ্যই উঠে এসেছে এক জরিপে।

ওয়ান নিউজ পরিচালিত ‘কোলমাল ব্রুনটন জরিপ’-এর ফলে দেখা যায়, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আরডার্নের গ্রহণযোগ্যতা আগের চেয়ে বেড়ে ৫১ শতাংশ হয়েছে। গত ফেব্রুয়ারিতে সর্বশেষ যে জরিপ করা হয়েছিল, তাতে তার গ্রহণযোগ্যতা ছিল ৪৪ শতাংশ। অর্থাৎ এত বড় বিপর্যয় মোকাবেলা করে তার গ্রহণযোগ্যতা আগের চেয়ে সাত শতাংশ বেড়েছে। গত সোমবার এ জরিপ প্রকাশিত হয়।

জরিপের ফল প্রকাশের পর এ ব্যাপারে জেসিন্ডা আরর্ডান শুধু বলেন, আমি শুধু সর্বোচ্চ ক্ষমতা দিয়ে আমার দায়িত্ব পালন করেছি।

এদিকে জরিপের ফলে দেখা গেছে, প্রধান বিরোধীদল ন্যাশনাল পার্টির নেতা সিমন ব্রিজের জনপ্রিয়তা মাত্র পাঁচ শতাংশ।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে ক্ষমতা গ্রহণের পর জরিপে জনপ্রিয়তার দিক দিয়ে এটিই জেসিন্ডা আরডার্নের সর্বোচ্চ অবস্থান।

১৫ মার্চের ক্রাইস্টচার্চ হামলার পর জেসিন্ডা আরডার্ন তাৎক্ষণিকভাবে যে পদক্ষেপ নেন, তাতে একদিকে যেমন দেশের পরিস্থিতি খুব দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে আসে, তেমনি পুরো বিশ্ব তার প্রশংসায় মেতে ওঠে। আর এবারের জরিপে তারই প্রতিফলন ঘটেছে আরেকবার।

 

আরো পড়ুন : বিশ্বজুড়ে ভাইরাল জেসিন্ডার সেই ছবি
নয়া দিগন্ত অনলাইন, ১৮ মার্চ ২০১৯, ১১:৫৯

নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের দুইটি মসজিদে গত শুক্রবার সন্ত্রাসী হামলায় ৫০ জন নিহত হয়। পুরো বিশ্ব এতে হতভম্ব হয়ে পড়ে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আরডার্ন ওই হামলার কিছুক্ষণের মধ্যেই সংবাদ সম্মেলনে ভাষণ দিয়ে এ হামলার তীব্র নিন্দা করেন। ওই দিনটিকে নিউজিল্যান্ডের ইতিহাসের অন্যতম কালো দিন বলে আখ্যা দেন।

পরদিন শনিবার তিনি বেশ কয়েকজন মন্ত্রী, এমপিদের নিয়ে ক্রাইস্টচার্চের মুসলিম নেতৃবৃন্দের সাথে সাক্ষাত করেন। সে সময় মাথায় ওড়না দেয়া জেসিন্ডার চেহারা ছিল বিমর্ষ। তার ঠোঁটে পরিষ্কারভাবে উদ্বেগ পরিলক্ষিত হচ্ছিল। তার হাতগুলো তিনি বারবার কচলাচ্ছিলেন। এ সময় তিনি কোনো কথা বলেননি। বরং চুপচাপ সব কিছু শুনে যাচ্ছিলেন।

ক্রাইস্টচার্চের সিটি কাউন্সিলের ফটোগ্রাফার কির্ক হ্যারগ্রেভেসের তোলা এই ছবি বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে।

শনিবার আরডার্ন শরণার্থী শিবিরগুলো পরিদর্শন করেন এবং ক্রাইস্টচার্চের মুসলিম নেতৃবৃন্দের সাথে সাক্ষাত করেন। সে সময় কালো পোশাক পরিহিতা জেসিন্ডা ছিলেন অশ্রুসজল। ওই সাক্ষাতে তিনি বলেন, এই দুঃখজনক ঘটনায় পুরো দেশ আজ ঐক্যবদ্ধ।

মর্মান্তিক ওই ঘটনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ওটা নিউজিল্যান্ড নয়। নিউজিল্যান্ড এটাই, যা আপনারা এখন দেখছেন।

তিনি যখন ওই মুসলিমদের সাথে সাক্ষাতের জন্য নির্দিষ্ট কক্ষে প্রবেশ করেন, তখন হ্যারগ্রেভেস বাইরে দাঁড়িয়ে ছিলেন। তিনি বলেন, রৌদ্রোজ্জ্বল দিনে আমি বাইরে থেকে তার অন্যরকম একটি ছবি বা মুহূর্ত আবিষ্কার করি। তার চেহারায় তখন যেন আধারের কিছু বুদ্বুদ ফুটে উঠেছিল।

তখন আমি চমকে উঠলাম। ভাবলাম, এ কোন জেসিন্ডা আরডার্ন। বিভিন্ন রঙের মিশ্রণে, হিজাব পরিহিতা এই প্রধানমন্ত্রীকে দেখে মনে হচ্ছিল, পুরোপুরি ধার্মিক একজন নারী। আমার কাছে মনে হলো এটি সার্বজনীন একটি ছবি।

পরে এই ছবিটি সিটি কাউন্সিলের টুইটারে দেয়া হয় কোনো রকম সম্পাদনা ছাড়াই। তারপর সারা বিশ্বে এই ছবিটি ছড়িয়ে পড়ে।


আরো সংবাদ




Instagram Web Viewer
hd film izle pvc zemin kaplama hd film izle Instagram Web Viewer instagram takipçi satın al Bursa evden eve taşımacılık gebze evden eve nakliyat Canlı Radyo Dinle Yatırımlık arsa Tesettürspor Ankara evden eve nakliyat İstanbul ilaçlama İstanbul böcek ilaçlama paykasa
agario agario - agario