২০ জুলাই ২০১৯

বিদ্রোহে নেতৃত্ব হারালেন টার্নবুল, অস্ট্রেলিয়ার নতুন প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন

ম্যালকম টার্নবুল ও স্কট মরিসন -

দলের ভেতরে বিদ্রোহে প্রধানমন্ত্রী ম্যালকম টার্নবুল নেতৃত্ব হারানোর পর অর্থমন্ত্রী স্কট মরিসনকে অস্ট্রেলিয়ার পরবর্তী সরকারপ্রধান হিসেবে বেছে নিয়েছে ক্ষমতাসীন জোটের প্রধান দল লিবারেল পার্টি।

নেতৃত্বের কোন্দলে গত কয়েক দিন ধরে নানা নাটকীয়তার মধ্যে টার্নবুলের পদ খোয়ানোর বিষয়টি বৃহস্পতিবার রাতেই অনেকটা নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল।

শুক্রবার সকালে লিবারেল পার্টির নেতৃত্ব নির্বাচনের ভোটাভুটিতে ত্রিমুখী লড়াইয়ে জয়ী হন টার্নবুলের ঘনিষ্ঠ সহযোগী মরিসন।

লিবারেল পার্টির প্রধান ও প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের এ ভোটাভুটিতে মরিসনের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ছিলেন টার্নবুলের সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে অভিবাসন ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদ থেকে সরে যাওয়া পিটার ডাটন এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী জুলি বিশপ।

সাম্প্রতিক উপ-নির্বাচনগুলোতে দলের বাজে ফল এবং দলের ভেতরে রক্ষণশীল অংশের বিদ্রোহে গত কয়েকটি দিন প্রবল চাপ আর চ্যালেঞ্জের মুখে পড়া টার্নবুল আর শুক্রবারের ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামেননি।

প্রধানমন্ত্রীর পদ খোয়ানো টার্নবুল এখন পার্লামেন্টে থেকেও সরে যেতে পারেন বলে ইংগিত দিয়ে রেখেছেন। সেক্ষেত্রে তার সিডনির আসনে উপনির্বাচনের মোকাবেলা করতে হবে লিবারেল পার্টি নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারকে। আর ওই উপনির্বাচনে হারলে লিবারেল পার্টির এক আসনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা আর থাকবে না।

সম্প্রতি কয়েকটি উপ-নির্বাচনে হেরে যায় টার্নবুলের লিবারেল পার্টি। এছাড়া জনমত জরিপে দেখা যায়, টার্নবুলের প্রতি আস্থা হারিয়েছেন মানুষ। এতে দলের শীর্ষ নেতাদের চাপের মুখে পড়েন তিনি।

গত এক দশক ধরে রাজনৈতিক নেতৃত্বের সংকটে ‘ভুগছে’ অস্ট্রেলিয়া। সম্প্রতি সময়ে দেশটির কোনো প্রধানমন্ত্রী সফলভাবে পূর্ণ তিন বছর মেয়াদ শেষ করতে পারেননি।

বৃহস্পতিবার টার্নবুল ঘোষণা দেন, প্রধানমন্ত্রী পদে বহাল থাকতে আর কোনো চ্যালেঞ্জে যাবেন না। ওই সময় ডাটনের বিরুদ্ধে নেতৃত্বের লড়াইয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণের ঘোষণা দেন স্কট মরিসন। পরে জুলি বিশপ নামে দলের আরেক নেতা প্রার্থী হন।


আরো সংবাদ




gebze evden eve nakliyat instagram takipçi hilesi