১৮ জুন ২০১৯

বিশ্বের প্রথম উভচর ড্রোন তৈরি করেছে চীন

বিশ্বের প্রথম উভচর ড্রোন তৈরি করেছে চীন - সংগৃহীত

বিশ্বের প্রথম সশস্ত্র উভচর ড্রোন জাহাজ তৈরি করেছে বলে সোমবার দাবি করেছে চীন। এই ড্রোন পানির পাশাপাশি প্রয়োজনে সড়কেও চলাচল করতে পারবে বলে জানানো হয়েছে।
গ্লোবাল টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চীনের সরকারি সংস্থা সিএসআইসির তৈরি এই এই ড্রোনের নাম দেয়া হয়েছে মেরিন লিজার্ড। সমস্ত রকম পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে লিজার্ড ৮ এপ্রিল কারখানা ছেড়েছে। তবে মেরিন লিজার্ডকে সেনার হাতে তুলে দেয়া হয়েছে কি না, তা জানানো হয়নি। এই ড্রোনের কাজের পরিধি এক হাজার ২০০ কিলোমিটার। স্যাটেলাইটের মাধ্যমে এই ড্রোনকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

জাহাজ অবস্থায় ১২ মিটার লম্বা লিজার্ডটি ডিজেল চালিত হাইড্রোজেটের মতো আচরণ করে। লুকিয়ে থাকা অবস্থায় লিজার্ডের সর্বোচ্চ গতি হতে পারে ৫০ নটস। ভূমিতে এলেই ড্রোনের পেট থেকে বেরিয়ে আসে চারটি পা। সর্বোচ্চ ২০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টায় এগতে পারে লিজার্ড। তবে ডাঙায় এর গতি আরো বাড়ানো যেতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা দাবি করেছেন। মেরিন লিজার্ডে ইলেক্ট্রো অপটিক্যাল ব্যবস্থা এবং একটি রাডার রয়েছে। দু’টি মেশিন গান, জাহাজ এবং বিমান বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে বলে এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন। যেকোনো জায়গা থেকে উলম্বভাবে উড়তে পারে মেরিন লিজার্ড।

প্রথমবার আকাশে উড়ল বিশ্বের সবচেয়ে বড় বিমান
বিবিসি

প্রথমবারের মতো আকাশে উড়েছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় বিমান। যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার মোহাভি মরুভূমি থেকে বিমানটি আকাশে পাখা মেলেছে। মাইক্রোসফটের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা পরলোকগত পল অ্যালেনের কোম্পানি স্ট্রাটোলঞ্চ এই বিমানটি তৈরি করেছে। সাদা এই বিমানটির দুই পাখার দৈর্ঘ্য একটি আমেরিকান ফুটবল মাঠের সমান। দুই ফিউজেলাজের বিমানটি চলে ছয়টি ইঞ্জিনের শক্তিতে। এটির নাম রাখা হয়েছে ‘রক’।

শনিবার সকালে এটি মোহাভি মরুভূমির একটি বিমানঘাঁটি থেকে আকাশে ওড়ে। দুই ঘণ্টার ফ্লাইট শেষে এটি আবার বিমানঘাঁটিতে ফিরে আসে। এই বিমানটি তৈরি করা হয়েছে পৃথিবীর কক্ষপথে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের জন্য। এখন স্যাটেলাইট বসানো হয় রকেট দিয়ে উৎক্ষেপণের মাধ্যমে। কিন্তু স্ট্রাটোলঞ্চের পরিকল্পনা হচ্ছে, এই বিশাল বিমানে করে স্যাটেলাইটকে প্রায় ১০ কিলোমিটার উঁচুতে তুলে তারপর পৃথিবীর কক্ষপথে ছেড়ে দেয়া হবে। এর ফলে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের খরচ অনেক কমে আসবে বলে মনে করা হচ্ছে। শনিবারের পরীক্ষামূলক ফ্লাইটে বিমানটির গতি ছিল ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১৮৯ মাইল এবং এটি ১৭ হাজার ফুট উচ্চতায় পৌঁছায়।


আরো সংবাদ