২০ এপ্রিল ২০১৯

তিমির পেট যেন প্লাস্টিকের গুদাম

ফিলিপাইনের সমুদ্রতটে ভেসে আসা মৃত একটি তিমির পাকস্থলীতে ৪০ কেজি পরিমাণ প্লাস্টিকের ব্যাগ পাওয়া গেছে। ডি বোন কালেক্টর মিউজিয়ামের কর্মচারীরা চলতি মাসের শুরুতে তিমি মাছটিকে উদ্ধার করেন দাভাও সিটির পূর্বাঞ্চল থেকে।

মিউজিয়ামটির অফিসিয়াল ফেসবুক পোস্টে বলা হয়, একটি তিমির ভেতরে এত বিপুল প্লাস্টিক তারা আগে কখনো দেখেননি। তিমির পাকস্থলীতে ১৬টি চালের বস্তা এবং অসংখ্য শপিং ব্যাগ ছিল বলে উল্লেখ করেন তারা। এ ছাড়া মাছটির পেটে আর কী কী জিনিস পাওয়া গেছে তার বিস্তারিত তালিকা কয়েক দিনের মধ্যে প্রকাশ করবে মিউজিয়াম কর্তৃপক্ষ।

ফিলিপাইনসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অনেক দেশ থেকেই সমুদ্রে ব্যাপকভাবে প্লাস্টিক বর্জ্য ফেলা হয়। পরিবেশ সংরক্ষণ বিষয়ে প্রচারণা চালানো প্রতিষ্ঠান ওশ্যান কনসার্ভেন্সি ও ম্যাককিনসে সেন্টার ফর বিজনেস অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট ২০১৫ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী পাঁচটি এশীয় দেশ- চীন, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ড সমুদ্রে ফেলা ৬০ শতাংশ প্লাস্টিক বর্জ্যরে জন্য দায়ী।

গত বছরে থাইল্যান্ডে একটি তিমির মৃতদেহ পাওয়া গিয়েছিল, যেটি ৮০ কেজি প্লাস্টিক ব্যাগ গিলে ফেলায় মারা যায়। এরপর নভেম্বরে ইন্দোনেশিয়ায় একটি তিমির পাকস্থলীতে ১১৫টি কাপ, চারটি প্লাস্টিকের বোতল, ২৫টি ব্যাগ এবং দুই জোড়া চপ্পল পাওয়া যায়। ২০১৫ সালের এক সমীক্ষা অনুযায়ী বছরে সমুদ্রে গিয়ে পড়ছে প্রায় ৮০ লাখ মেট্রিক টন প্লাস্টিক।

 

আরো দেখুন : মরা তিমির পেট যেন প্লাস্টিকের গুদাম
গার্ডিয়ান; ২১ নভেম্বর ২০১৮, ১৩:০০
ইন্দোনেশিয়ার উত্তরাঞ্চলে ঢেউয়ে ভেসে এসেছিল একটি মরা তিমি। তার পেটে স্যান্ডেল, পানির কাপসহ প্লাস্টিকের বিশাল স্তূপ পাওয়া গেছে। গত সোমবার ইন্দোনেশিয়ার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ সুলাওয়েসির ওয়াকাতবি ন্যাশনাল পার্কের কাছ থেকে সাড়ে নয় মিটার (৩১ ফুট) লম্বা মরা তিমিটি উদ্ধার করা হয়। বিষয়টি নিয়ে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ প্লাস্টিক দূষণকারী দেশটির পরিবেশবিদ ও সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।

পার্কটির প্রধান হেরি স্যানটোসো বলেন, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ গ্রুপ ডব্লিউডব্লিউএফ এবং পার্কের সংরক্ষণ অ্যাকাডেমি তিমিটির পেট থেকে পাঁচ দশমিক নয় কেজি প্লাস্টিকের বিভিন্ন জিনিস বের করে। এর মধ্যে ছিল ১১৫টি প্লাস্টিকের কাপ, চারটি প্লাস্টিকের বোতল, ২৫টি প্লাস্টিকের ব্যাগ, দুটি স্যান্ডেল, একটি নাইলনের ব্যাগ। এছাড়া হরেক রকম সহস্রাধিক প্লাস্টিকের টুকরাও সেখানে পাওয়া যায়।


ডব্লিউডব্লিউএফ-ইন্দোনেশিয়ার সমন্বয়ক দাউই সুপ্রাপ্তি বলেন, যদিও আমরা তিমিটির মৃত্যুর কারণ শনাক্ত করতে পারছি না, কিন্তু তারপরও যে বিষয়টি দেখা গেছে, তা সত্যই খুব ভয়াবহ। যদি এর মৃত্যুর কারণ এই প্লাস্টিকই হয়, তাহলে কোনোভাবেই এটি উপেক্ষা করা যাবে না।

এ বছরের জানুয়ারিতে সায়েন্স নামক এক জার্নালে প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, ২৬ কোটি মানুষের দেশ ইন্দোনেশিয়া চীনের পর বিশ্বে দ্বিতীয় শীর্ষ প্লাস্টিক দূষণকারী দেশ। ওই রিপোর্টে বলা হয়, অব্যবস্থাপনার কারণে প্রতি বছর দেশটিতে ৩২ লাখ টন প্লাস্টিক বর্জ্য জমা হয়, যার প্রায় ১৩ লাখ টনের শেষ জায়গা হয় সাগর।

ইন্দোনেশিয়ার সমুদ্রবিষয়ক সমন্বয়কারী মন্ত্রী লুহুত বিনসার পান্ডজাইতান বলেন, তিমির ভেতরে এত পরিমাণ প্লাস্টিক পাওয়া যাওয়ার বিষয়টি প্লাস্টিকের ব্যবহার হ্রাসে মানুষকে সচেতন করে তুলবে। একই সাথে সরকারকেও সমুদ্র রক্ষায় কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণে উৎসাহিত করবে।

তিনি আরো বলেন, অন্যান্য সামুদ্রিক প্রাণীগুলোও প্লাস্টিক দূষণের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, যা আমাদের জন্য খুবই বিপজ্জনক।


আরো সংবাদ




iptv al Epoksi boya epoksi zemin kaplama Daftar Situs Agen Judi Bola Net Online Terpercaya Resmi

Hacklink

Bursa evden eve nakliyat
arsa fiyatları tesettür giyim
Canlı Radyo Dinle hd film izle instagram takipçi satın al ofis taşıma Instagram Web Viewer

canli radyo dinle

Yabanci Dil Seslendirme

instagram takipçi satın al