২৫ মার্চ ২০১৯

থাইল্যান্ডে প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হচ্ছেন নুর মাতহা

ওয়ান মোহাম্মদ নুর মাতহা - ছবি : সংগ্রহ

থাইল্যান্ডের আসন্ন নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির বর্ষীয়ান রাজনীতিক ওয়ান মোহাম্মদ নুর মাতহা। এই মুসলিম নেতা তার নির্বাচনী অঙ্গীকারের শীর্ষে রেখেছেন বিদ্রোহপ্রবণ দক্ষিণাঞ্চলের স্বায়ত্বশাসন।

নতুন প্রতিষ্ঠিত দল প্রাচাচাত পার্টির হয়ে তিনি নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী পদে প্রার্থী হচ্ছেন। আগামী ২৪ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে দেশটির সাধারণ নির্বাচন। ২০১৪ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর থাইল্যান্ডে এই প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। স্থানীয় পত্রিকা ব্যাংকক পোস্ট জানিয়েছে এই খবর।

বুধবার সঙ্খালা প্রদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ৪০০ জন ইমামকে নিয়ে অনুষ্ঠিত এক সম্মেলনে মোহাম্মাদ নুর মাতহা বলেন, ‘এটি আমার শেষ রাজনৈতিক যুদ্ধ।’ মালয়েশিয়ার ৯৩ বছর বয়সী প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মাদের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, বয়স যদিও ৭০, তবু আমি শারীরীকভাবে ফিট রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনের জন্য।

প্রচাচাত দলটি বহুসংস্কৃতির দল উল্লেখ করে নুর মাতহা বলেন, এটি এমন একটি দল যেখানে সব ধর্ম, বর্ণ ও গোত্রের লোকদের সম্মিলন হয়েছে। ‘আমি মুসলমান, আরেক শীর্ষ নেতা পল কল বৌদ্ধ, কেন্দ্রিয় গুরুত্বপূর্ণ নেতা নাহাতাই তিউপাইঙ্গাম খ্রিস্টান ধর্মের লোক।’

তিনি বলেন, আমরা সব ধর্ম বর্ণের মানুষদের নিয়ে দেশ শাসন করতে চাই। দলটির নির্বাচনী অঙ্গীকারের শীর্ষে রয়েছে দক্ষিণাঞ্চলীয় বিদ্রোহপ্রবণ এলাকায় শান্তি আনা। ওই অঞ্চলে কয়েকটি মুসলিম গ্রুপ সহ বেশ কয়েকটি গোষ্ঠি স্বাধীনতা বা স্বায়ত্বশাসনের জন্য দীর্ঘ দিন ধরে লড়াই করছে।

নুর মাতহা বলেন, সংবিধান জনগণের বৃহত্তর স্বার্থের পক্ষে আমরা, যাতে জনগন তাদের নিজের ভবিষ্যত নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারে। আমরা স্থানীয় প্রশাসনকে স্বায়ত্বশাসন দেয়ার অঙ্গীকার করছি।এর আগে তিনি দেশটির উপপ্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। দায়িত্ব পালন করেছেন একাধীক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে।

নিজের দল সম্পর্কে নুর মাতহা বলেন, সাম্প্রতিক জনমত জরিপগুলোতে দেখা গেছে প্রাচাচাত দলের জনপ্রিয়তা ক্রমশ বাড়ছে। বিশেষ করে দক্ষিণাঞ্চলীয় ইয়ালা, পাত্তানি ও নারাথিওয়াট প্রদেশে।

পূর্ব এশিয়ার দেশ থাইল্যান্ড বৌদ্ধ প্রধান। দেশটিতে মুসলিম জনসংখ্যা খুবই কম। মোট জনসংখ্যার ৫ শতাংশেরও কম অধিবাসী মুসলিম।

 

আরো পড়ুন:

‘আমি দুঃখিত’ : থাই রাজকন্যা

থাই রাজকন্যা উবলরাতানা নির্বাচনে তার প্রার্থী ঘোষণার জন্যে ক্ষমা চেয়েছেন। মঙ্গলবার রাতে ইনস্ট্রগ্রামে দেয়া এক পোস্টে ৬৭ বছর বয়সী রাজকন্যা রাজনৈতিক নাটকে তার ভূমিকার জন্যে ক্ষমা চেয়ে বলেছেন, ‘দেশের জন্যে কাজ করার আমার আন্তরিক ইচ্ছের কারণে যে সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে এই সময় তা উচিত হয়নি। আমি দুঃখিত।’

থাই রাজকন্যা উবলরাতানা গত শুক্রবার আগামী ২৪ মার্চ অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে থাই রাকসা চার্ট পার্টি থেকে প্রধানমন্ত্রী পদে লড়াইয়ের ঘোষণা দেয়ার পর থেকেই দেশটির রাজনৈতিক নাটক বেশ জমে ওঠে। তিনি যে থাই রাকসা চার্ট পার্টি থেকে লড়াইয়ের ঘোষণা দেন সে পার্টি দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রা গোষ্ঠীর সঙ্গে সম্পর্কিত। থাকসিন বর্তমানে কারাদন্ড এড়াতে স্বেচ্ছানির্বাসনে রয়েছেন।

এদিকে উবলরাতানার প্রার্থীতা ঘোষণার পরপরই তার ভাই ও থাই রাজা মহা ভাজিরালংকর্ন এক বিবৃতিতে বলেন, রাজপরিবারের উচ্চপর্যায়ের কোন সদস্যের নির্বাচনে অংশগ্রহণ সংবিধান পরিপন্থী।

এর পর থাই রাজকন্যাকে সোমবার প্রধানমন্ত্রী পদে প্রার্থী হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে অযোগ্য ঘোষণা করে দেশটির নির্বাচন কমিশন।

থাই রাজকন্যার সঙ্গে সম্পর্কিত পার্টি ভাঙার প্রক্রিয়ায় ইসি
থাইল্যান্ডের নির্বাচন কমিশন বুধবার বলেছে, থাই রাজকন্যা যে পার্টি থেকে প্রধানমন্ত্রী পদে প্রার্থিতার ঘোষণা দিয়েছিলেন সাংবিধানিক আদালতকে তারা তা ভেঙে দিতে বলবে।

থাই রাজকন্যা উবলরাতানা গত শুক্রবার আগামী ২৪ মার্চ অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে থাই রাকসা চার্ট পার্টি থেকে প্রধানমন্ত্রী পদে লড়াইয়ের ঘোষণা দেন। এর পরপরই তার ভাই ও থাই রাজা মহা ভাজিরালংকর্ন এক বিবৃতিতে বলেন, রাজপরিবারের উচ্চপর্যায়ের কোনো সদস্যের নির্বাচনে অংশগ্রহণ সংবিধান পরিপন্থী।

এর পর থাই রাজকন্যাকে সোমবার প্রধানমন্ত্রী পদে প্রার্থী হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে অযোগ্য ঘোষণা করে দেশটির নির্বাচন কমিশন।


আরো সংবাদ

iptv al Epoksi boya epoksi zemin kaplama Daftar Situs Agen Judi Bola Net Online Terpercaya Resmi

Hacklink

Canlı Radyo Dinle hd film izle instagram takipçi satın al ofis taşıma Instagram Web Viewer

canli radyo dinle

Yabanci Dil Seslendirme

instagram takipçi satın al