১৯ আগস্ট ২০১৯

এক সন্তান নীতি তুলে দেয়ার পরও জন্ম লোপ চীনে

চীনের ইতিহাসে সর্বনিম্ন জন্মহার - ছবি : সংগৃহীত

আধুনিক চীন প্রতিষ্ঠিত হওয়ার ৭০ বছর পর দেশটিতে ২০১৮ সালে সন্তান জন্মহার ছিল এ যাবৎকালের সর্বনিম্ন। এক সন্তান নীতি তুলে দেয়ার পরও জন্ম লোপ পেয়েছে। গত বছরে চীনে জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে এক কোটি ৫২ লাখ ৩০ হাজার। সোমবার দেশটির প্রকাশিত সরকারি পরিসংখ্যানে এ তথ্য উঠে এসেছে। বেশি সন্তান জন্মদানে উৎসাহিত করার কর্মসূচিও মুখ থুবড়ে পড়েছে।

চীনের পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী ১৯৪৯ সালের পর গত বছর দেশটিতে জন্মহার প্রতি হাজারে সর্বনিম্ন ১০ দশমিক ৯৪ ছিল। ২০১৭ সালেও এই হার প্রতি হাজারে ছিল ১২ দশমিক ৪৩; গত বছর দেশটিতে সন্তান জন্ম নিয়েছে দেড় কোটির বেশি। কিন্তু তা আগের বছরের চেয়ে প্রায় ২০ লাখ কম। ২০১৮ সালে চীনের জনসংখ্যা ছিল ১৩৯ কোটি ৫০ লাখ। আর জন্মহার শতকরা ৩.৮১ ভাগ। সেখানে নারীদের তুলনায় পুরুষের সংখ্যা ৩ কোটি বেশি। 

দেশটিতে ১৯৬০ সালের ভয়াবহ দুর্ভিক্ষের সময়ের চেয়েও বর্তমানে স্বাভাবিক জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও মৃত্যুর হারও এ যাবৎকালের সর্বনিম্নে পৌঁছেছে। ১৯৭৯ সালে এক সন্তান নীতি চালু করেছিল চীন। ২০১৬ সালে এক সন্তান নীতি থেকে বেরিয়ে আসার ঘোষণা দেয় দেশটি। সেই সময় সন্তানের কম জন্মহার ও বয়স্ক মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে জানানো হয়, শহুরে দম্পতিরা এখন থেকে দু’টি করে সন্তান নিতে পারবে। চলতি মাসে দেশটির সরকারি একটি থিঙ্ক ট্যাংক প্রতিষ্ঠান সতর্ক করে দিয়ে জানায়, বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির এই দেশের জনসংখ্যা ২০২৭ সালের আগেই উদ্বেগজনক মাত্রায় কমে আসতে পারে। 
এ দিকে গত তিন দশকের মধ্যে ২০১৮ সালে চীনের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিও হয়েছে সর্বনিম্ন।


আরো সংবাদ




bedava internet