১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯

রাখাইনে জাতিসঙ্ঘসহ ত্রাণ সংগঠনের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

রাখাইনে জাতিসঙ্ঘসহ ত্রাণ সংগঠনের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা - ফাইল ছবি

সংঘাত কবলিত রাখাইনের গ্রামগুলোতে জাতিসঙ্ঘসহ মানবিক সহযোগিতা প্রদানকারী সংগঠনের তৎপরতা নিষিদ্ধ করেছে রাজ্যটির সরকার। এ নিয়ে সেখানকার নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে উদ্বেগ। শুক্রবার থেকেই এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হয়েছে।

রাখাইন রাজ্য সরকারের তথ্য অধিদফতরের ঘোষণা অনুযায়ী, এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে রোহিঙ্গা অধ্যুষিত বুথিডাউং, মংডু, পন্নাগিউন, কাইয়াকতাউ ও রাথেডাউং এলাকা। দেশটির সংবাদমাধ্যম মিয়ানমার টাইমস এ খবর জানিয়েছে।

অবশ্য অধিদফতর জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক রেডক্রস ও বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি এই নিষেধাজ্ঞার আওতার বাইরে থাকবে।

সম্প্রতি রাখাইনে মিয়ানমার সেনাবাহিনী ও স্বাধীনতাকামী আরাকান আর্মির মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। ৪ জানুয়ারি আরাকান আর্মির হামলায় দেশটির ১৫ পুলিশ কর্মকর্তা নিহত ও অপর ৯ জন আহত হয়েছেন।

মংডু শহরের প্রধান ইউ সোয়ে অং রোববার রাজ্য সরকারের কাছ থেকে জাতিসঙ্ঘসহ সব ধরনের স্থানীয় ও বিদেশি বেসরকারি ত্রাণ সংস্থাকে নিরাপত্তাজনিত কারণে গ্রামগুলোতে প্রবেশ করতে না দেয়ার নির্দেশ পাওয়ার কথা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গ্রামগুলোতে যাওয়ার জন্য সবগুলো ত্রাণ সহায়তা সংস্থাকে রাজ্যের সহযোগিতা কমিটির কাছে অবশ্যই আবেদন করতে হবে।

ইউ সোয়ে অং আরো বলেন, এখন উদ্বাস্তুদের যথেষ্ট পরিমাণে খাবার রয়েছে। কিন্তু প্রতিদিনই উদ্বাস্তুদের সংখ্যা বাড়ছে। এনজিওগুলো এখন যদি গ্রামে সহযোগিতা বিতরণে যায় তাহলে সমস্যায় পড়বে।

জাতিসঙ্ঘের মানবিক সহযোগিতা সমন্বয়কারী সংস্থার মতে, সাম্প্রতিক সংঘাতের ফলে ৫ হাজারের বেশি মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে উদ্বাস্তু হিসেবে আশ্রয় নিয়েছেন।

উল্লেখ্য, গত বছরের নভেম্বর মাস থেকে স্বাধীনতাকামী আরাকান আর্মি ও সেনাবাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। এরপর গত ২১ ডিসেম্বর মিয়ানমার সেনাবাহিনী রাখাইন ছাড়া দেশটির অনেক রাজ্যে ৯ মাসের অস্ত্রবিরতি ঘোষণা করে।


আরো সংবাদ

সকল