আরো খবর

প্রকাশিত সংবাদ প্রসঙ্গ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দেশের কয়েকটি গণমাধ্যমে বিমানের নতুন উড়োজাহাজ বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার আকাশবীণাকে নিয়ে ভুল তথ্যসংবলিত সংবাদ গতকাল বুধবার প্রকাশিত হয়েছে, যা বিমান কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। প্রকাশিত কিছু সংবাদে বলা হয়েছে ‘ভেঙে পড়েছে আকাশবীণার দরজা’। আকাশবীণার দরজা ভাঙার বিষয়টি সত্য নয়, সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। এমনকি প্রকাশিত প্রতিবেদনে ব্যবহৃত ছবিটিও আকাশবীণার নয়। প্রকৃতপক্ষে বিমানটির কোনো দরজার ক্ষয়ক্ষতির কোনো ঘটনা ঘটেনি।
সংস্থার জনসংযোগ বিষয়ক মহাব্যবস্থাপক শাকিল মেরাজ স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রকৃতপক্ষে জরুরি নির্গমণ দরজার সাথে সংশ্লিষ্ট একটি র‌্যাফট খুলে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। জরুরি অবস্থায় যাত্রীদের বিমান থেকে বের হওয়ার জন্য এই র‌্যাফট দরজার সংযুক্ত থাকে। এর মাধ্যমে যাত্রীরা দ্রুত উড়োজাহাজ থেকে বের হতে পারেন। গত ১১ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার ভোর ৪টা ২৫ মিনিটে মালয়েশিয়া থেকে যাত্রী নিয়ে ঢাকায় ফেরে ড্রিমলাইনার আকাশবীণা। যাত্রী নেমে যাওয়ার পর নিয়মিত গ্রাউন্ড চেকের অংশ হিসেবে বিমানের প্রকৌশল বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয় বিমানটি। পরবর্তী ফাইটের যাত্রীদের খাবার বিমানে ওঠানোর জন্য দরজা খোলার সময় র‌্যাফট খুলে যায়। এ পরিপ্রেক্ষিতে প্রকৌশল বিভাগের কর্মীরা আইকাও, সিভিল এভিয়েশন এবং উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পরীক্ষা সম্পন্ন করেন এবং ওই দিন সকালে ঢাকা থেকে সিংগাপুরে ড্রিমলাইনারের নির্ধারিত ফাইট ১৮ মিনিট দেরীতে ৮টা ৪৩ মিনিটে ঢাকা ছাড়ে। উড়োজাহাজটি স্বাভাবিকভাবে চলাচল করছে এবং বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ছয়টি ফাইট পরিচালিত হয়েছে। র‌্যাফট খুলে যাওয়ার বিষয়ে কারো কোনো দায়িত্বে অবহেলা আছে কি না সে বিষয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স তার ফাইট পরিচালনায় যাত্রীদের নিরাপত্তার বিষয়টি সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে থাকে। ড্রিমলাইনার পরিচালনার জন্য বিমানের নিজস্ব ১৪ জন বৈমানিক ও ১১২ জন প্রকৌশলীকে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, বর্তমানে বোয়িং অনুমোদিত দুইজন বিদেশী বৈমানিক ও ছয়জন বিদেশী প্রকৌশলী ড্রিমলাইনার পরিচালনার বিষয়টি তত্ত্বাবধান করছেন। বিজ্ঞপ্তি।

আরো সংবাদ