বিবিধ

এবার ‘টারজান’ চরিত্রে হিরো আলম (ভিডিও)

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পরিচিত মুখ হিরো আলম। আলোচনা, সমালোচনা ও বিতর্কের শেষ নেই তাকে নিয়ে। তবে এসবের মধ্যেই চলছেন আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম। এবার তিনি অভিনয় করেছে বিখ্যাত ‘টারজান’ চরিত্রে। একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে এই রূপে আসছেন তিনি।

এর আগে ‘মারছক্কা’ নামের একটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন হিরো আলম। সামনে আরেকটি চলচ্চিত্রে কাজ করার কথাও শোনা যাচ্ছে। তবে এবার ইউটিউবের জন্য একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে কাজ করলেন তিনি। এর নাম ‘টারজান দ্য হিরো আলম’। এর ট্রেলার প্রকাশ হয়েছে সম্প্রতি।

আর এখানেই দেখা গেল টারজানের অবয়বে। হিরো আলম বলেন, আমাকে এই স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে কাজের প্রস্তাব দেওয়া হয়। এরপর রাজী হয়ে গেলাম। এখানে টারজানের চরিত্রে অভিনয় করেছি। এটা আমার কাছে অনেক ভালো লেগেছে। এরকম আরও চরিত্রে কাজ করতে চাই। এখানে হিরো আলমের বিপরীতে অভিনয় করেছেন রুবিনা, অমি রুবেলসহ অনেকে। এটি পরিচালনা করেছেন ইয়াসিন বিন আরিয়ান।

নিজের ফেসবুক পেজেও ইতোমধ্যেই প্রচারণা শুরু করেছেন আলম। হিরো আলমের আসল নাম হলো আশরাফুল আলম। নিজেই নিজের নাম রেখেছেন তিনি হিরো আলম। তিনি এখন পর্যন্ত ৬০০টি গানের ভিডিও বানিয়েছেন। সব গানের মডেল হয়েছেন তিনি নিজেই। ইউটিউব ও বগুড়ার স্থানীয় ডিশ চ্যানেলে হিরো আলম সেই গানগুলো প্রচার করেছেন নিজেই। গত বছর ইউটিউব ও ফেসবুকে হিরো আলমের সেই মিউজিক ভিডিওগুলো ব্যাপক সাড়া জাগায়। এরপরই তিনি সবার কাছে পরিচিতি পান।

দেখুন সেই সিনেমার ট্রেলার

 

আরো পড়ুন : কলকাতার দাদা বাবু চঞ্চল
আগামী ঈদের জন্য বেশ কয়েকটি সাত পর্বের ঈদ ধারাবাহিকে অভিনয় করছেন জনপ্রিয় অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী। এরমধ্যে গল্প এবং চরিত্রানুযায়ী একটু ব্যতিক্রমভাবেই উপস্থিত হচ্ছেন তিনি ইমরাউল রাফাত পরিচালিত ‘কলকাতার দাদা বাবু’ ঈদ ধারাবাহিকে। এই ঈদ ধারাবাহিকে তিনি নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন। এরই মধ্যে রাজধানীর পুরনো ঢাকায় নাটকটির দৃশ্য ধারণের কাজ শেষ হয়েছে। তবে চঞ্চল চৌধুরী জানান, আরো একদিন তাকে এই ধারাবাহিকের শুটিংয়ে অংশ নিতে হবে।

আপেল মাহমুদের গল্পে ‘কলকাতার দাদা বাবু’ গল্পে দেখা যাবে দু’টি মুসলমান হিন্দু পরিবার একটি বাড়িতে বসবাস করে। কিন্তু কলকাতা থেকে এক সময় একজন দাদা বাবু এসে কাগজপত্র দেখিয়ে দাবি করে এটা তার বাপ-দাদার পৈতৃক সম্পত্তি। এই নিয়ে শুরু হয় নানা জটিলতা। এমনই গল্প নিয়ে এগিয়ে যাবে এই ঈদ ধারাবাহিকের গল্প। ধারাবাহিকটিতে অভিনয় প্রসঙ্গে চঞ্চল চৌধুরী বলেন,‘ ঈদ এলে তো দর্শকের বিনোদনের কথা ভেবে সবসময় হাস্যরসাত্মক গল্পের নাটকে অভিনয় করার চেষ্টা করি। কিন্তু কলকাতার দাদা বাবু নাটকের গল্প বেশ সিরিয়াস।

এতে আমি কলকাতার দাদা বাবুর চরিত্রে অভিনয় করছি। চরিত্রটি আমি বেশ উপভোগ করেছি। দর্শক নাটকটি বেশ ভালোলাগা নিয়ে উপভোগ করবেন আশা করছি।’ আগামী ঈদে একটি স্যাটেলাইট চ্যানেলে নাটকটি প্রচার হবে বলে জানিয়েছেন ইমরাউল রাফাত। এ দিকে এই ঈদে আরো দু’টি ঈদ ধারাবাহিকে দেখা যাবে চঞ্চল চৌধুরীকে। নাটক দু’টি হচ্ছে ‘হিরো যখন ভিলেন’ ও ‘চরিত্র স্ত্রী’। দু’টি নাটকই নির্মাণ করেছেন মাসুদ সেজান।

এ দিকে গতকাল পর্যন্ত চঞ্চল চৌধুরী ব্যস্ত ছিলেন মোস্তফা সরয়ার ফারুকী পরিচালিত ‘আয়েশা’ টেলিফিল্মের কাজ নিয়ে। এতে তার বিপরীতে আছেন নূসরাত ইমরোজ তিশা। এটি আসছে ঈদে চ্যানেল আইতে প্রচার হবে। এ দিকে আগামী ঈদে বৃন্দাবন দাসের রচনায় সাগর জাহান, সকাল আহমেদ ও দীপু হাজরার তিনটি ভিন্ন নাটকে অভিনয়ে দেখা যাবে চঞ্চল চৌধুরীকে। গেল ৮ জুলাই চঞ্চল চৌধুরী ২০১৬ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে অমিতাভ রেজা চৌধুরী পরিচালিত ‘আয়নাবাজি’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেতা হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ভূষিত হন। 

আরো সংবাদ