আন্তর্জাতিক সংস্থা

গভীর উদ্বেগে জাতিসঙ্ঘ, গাজায় পাঠাবে তদন্ত দল

ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের বিরোধপূর্ণ সীমান্তবর্তী অঞ্চল গাজায় তদন্ত দল পাঠাবে জাতিসঙ্ঘ মানবাধিকার কাউন্সিল। গাজার ফিলিস্তিনি আন্দোলনকারীদের ওপর ইসরাইলি বাহিনীর হামলার তদন্ত করবে এই দল। বিষয়টি কাউন্সিলের বিশেষ সভায় শুক্রবার এক ভোটাভুটিতে পাস হয়।  

সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় কাউন্সিলের প্রধান কার্যালয়ে এ বিষয়ে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে এক ভোটাভুটির আয়োজন করা হয়। ‘জরুরি ভিত্তিতে স্বাধীন, আন্তর্জাতিক তদন্ত কমিশন’ শিরোনামে এই ভোটাভুটি আয়োজিত হয়। কাউন্সিলের বিশেষ সভায় আয়োজিত এই ভোট ২৯টি সদস্য রাষ্ট্রের ভোটে পাস হয়। তবে যুক্তরাষ্ট্রসহ ও অস্ট্রেলিয়া এই দুই রাষ্ট্র এই তদন্ত দল পাঠানোর বিরুদ্ধে ভোট দেন। ভোট দান থেকে নিজেদের বিরত রাখে ১৪টি সদস্য রাষ্ট্র।  

ভোটের রেজ্যুলেশনে বলা হয়, তদন্তকারী দল ৩০ মার্চ ২০১৮ থেকে হওয়া বেসামরিক নাগরিকদের ওপর যে ব্যাপক হামলা ইসরাইলি সামরিক বাহিনী করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে তা তদন্ত করবে।

এদিকে গাজার বর্তমান পরিস্থিতিতে ইসরাইলি বাহিনী ‘যুদ্ধাপরাধ’ করছে বলে মন্তব্য করেছেন গাজার মানবাধিকার পরিস্থিতি বিষয়ক জাতিসঙ্ঘের বিশেষ মুখপাত্র মাইকেল লিঞ্চ। তিনি বলেন, “ইসরাইলি বাহিনী যেভাবে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে শক্তি প্রয়োগ করছে তা যুদ্ধাপরাধের সামিল’।

তবে মানবাধিকার কাউন্সিলের এই অভিযোগের সমালোচনা করেছেন কাউন্সিলের মার্কিন প্রতিনিধি থিওডোর এলেগ্রা। এই ভোটাভুটিকে ‘পক্ষপাতমূলকভাবে ইসরাইলের প্রতি’ বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ‘হামাসের বিরুদ্ধে কোন তদন্তের আদেশ না দিয়ে শুধু ইসরাইলের বিরুদ্ধে তদন্তের এই আদেশ এক তরফা’।

১৯৪৮ সালে ইসরাইলিরা সেসময়কার ফিলিস্তিনের যে অংশগুলো দখল করেছিল সেগুলো ফিরে পেতে আন্দোলন শুরু করে ফিলিস্তিনিরা। ‘মার্চ অফ রিটার্ন’ বা পুরনো জমি ফিরে পাওয়ার দাবিতে গাঁজা অভিমুখে পদযাত্রার আয়োজন করে তারা। তবে এই আন্দোলনের সাথে সন্ত্রাসী সশস্ত্র গোষ্ঠী ‘হামাস’ যুক্ত আছে দাবি করে পদযাত্রায় গুলি বর্ষণ করে ইসরাইলি সেনারা।   

আরো সংবাদ