ঢাকা

পতিত জমিতে ডাল উৎপাদনে পুষ্টি চাহিদা নিশ্চিত করনে বারিতে সেমিনার

বাংলাদেশ, ভারত ও নেপালে আমন ধানের পর পতিত জমিতে ডাল উৎপাদনের মাধ্যমে উক্ত অঞ্চলের মানুষের পুষ্টি চাহিদা নিশ্চিত করনের লক্ষ্যে গাজীপুরস্থিত বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটে (বারি) দু’দিন ব্যাপী রিভিউ এন্ড প্ল্যানিং ওয়ার্কশপ বুধবার হতে শুরু হয়েছে। এনহ্যাচিং ফুড নিউট্রিশনাল সিকিউরিটি এন্ড ইমপ্রুভড লিভলিহুডস থ্রো ইনটেনসিফিকেশন অব রাইস-ফলো সিস্টেম উইথ পাল্স ক্রপস ইন সাউথ এশিয়া (বাংলাদেশ, ভারত ও নেপাল) শীর্ষক এ ওয়ার্কশপ বারি’র সেমিনার কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। উদ্বোধনী দিনে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বারি’র মহাপরিচালক ড. আবুল কালাম আযাদ।

অনুষ্ঠানে ডাল গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালক ড. মুহাম্মদ হোসেনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. বীরেশ কুমার গোস্বামী, বারি’র পরিচালক (সেবা ও সরবরাহ) মো. শোয়েব হাসান, পরিচালক (গবেষণা) ড. মো. লুৎফর রহমান, দু:স্থ স্বাস্থ্য কেন্দ্র (উঝক) এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও বারি’র বোর্ড অব ম্যানেজমেন্টের সদস্য ড. মাসুদুল কাদের।

অনুষ্ঠানে প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশ, ভারত ও নেপালে আমন ধান কাটার পর পতিত জমি ব্যবহারের মাধ্যমে গত ২০১৭-১৮ রবি মৌসুমে কি কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে তা সংক্ষেপে তুলে ধরেন প্রকল্পের প্রধান ইনভেষ্টিগেটর ওঈঅজউঅ এর বিজ্ঞানী ড. আশুতোষ সরকার। ইফাদ-আইসিএআরডিএ অর্থায়নে দুই দিনব্যাপী এ কর্মশালায় আগামী ২০১৮-১৯ সালের রবি মৌসুমে ডালের উৎপাদন বৃদ্ধির উপর কি কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে সেই বিষয়ে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নেওয়া হবে। বৃহষ্পতিবার এ কর্মশালা শেষ হবে।

বিজ্ঞানীগণ বক্তব্যকালে দেশের পতিত জমি ব্যবহারের বিশেষ করে বরেন্দ্র অঞ্চল এবং দক্ষিনাঞ্চলে ডাল ফসল চাষের প্রতি কৃষকদের আগ্রহ বৃদ্ধির পাশাপাশি বাংলাদেশে জাতীয় উৎপাদনে ডাল ফসলের মোট উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন।

আরো সংবাদ