দেশ মহাদেশ

ক্রিকেটার থেকে রাজনীতিবিদ

একসময়ে পাশ্চাত্যেই তাকে বেশি দেখা যেত। অক্সফোর্ডÑশিক্ষিত প্লেবয় হিসেবেই যার খ্যাতি ছিল, লন্ডনের নাইটকাবগুলোতে যার বিচরণ ছিল অবাধ। সচ্ছল পরিবারের সন্তান হিসেবে অনেক কিছুরই পরোয়া তার না করলেও চলত। তবে তাকে সবচেয়ে বড় খ্যাতি এনে দিয়েছিল ক্রিকেট। সর্বকালের সেরা অধিনায়কদের একজন হিসেবে তিনি পরিচিত।
তিনি ১৯৯০-এর দশকে রাজনৈতিক ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন ওই ১৯৯২ সালের বিশ^কাপ জয়ের মূলধনকে পুঁজি করেই। আর ক্ষমতার সত্যিকারের দাবিদার হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করতে তাকে আরো দুটি দশক অপেক্ষা করতে হয়েছিল।
২০১৩ সালে তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই, পাকিস্তান জাস্টিজ মুভমেন্ট) পার্টি খোলস ছেড়ে বের হয়ে পাকিস্তানের তৃতীয় বৃহত্তম রাজনৈতিক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। তখন সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের দল মুসলিম লিগ (এন) সরকার গঠন করে, সাবেক প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারির পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) হয়েছিল দ্বিতীয়।
এর পাঁচ বছর পর ইমরান খান ও তার অনুসারীদের স্বপ্ন সত্যি হলো। নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণার সময় তিনি সবচেয়ে বেশি জোর দিয়েছিলেন পরিবর্তনের ওপর। প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন শিক্ষা ও স্বাস্থ্য পরিচর্যায় উন্নতি ঘটাবেন, তরুণদের জন্য আরো চাকরির ব্যবস্থা করবেন। পাকিস্তানের জনসংখ্যার ৬৪ ভাগই তরুণ। তারাই ছিল ইমরানের ভরসা। সেখান থেকেই তিনি আসল সমর্থন পেয়েছেন।

আরো সংবাদ