২৪ এপ্রিল ২০১৯

মার্কিন নীতির বিরুদ্ধে সরব কানাডা

মার্কিন নীতির বিরুদ্ধে সরব কানাডা - সংগৃহীত

কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো সাংবাদিকদের বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রে যা চলছে তা ভুল। আমি কল্পনা করতে পারছি না বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া পরিবারগুলো কীভাবে এই যন্ত্রণা সহ্য করছে। অবশ্যই আমরা কানাডায় এ ধরনের কোনো কিছু করি না। মার্কিন পদক্ষেপ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

ট্রাম্প প্রশাসন বৈধ কাগজপত্র ছাড়া অভিবাসীদের বিষয়ে জিরো-টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। এ নিয়ে সারা বিশ্বে সমালোচনার ঝড় শুরু হয়েছে। পরে  নিজ সিদ্ধান্ত থেকে পিছু হটেছেন ট্রাম্প। দেশে ও বিদেশে প্রবল সমালোচনার তোড়ে অবশেষে অভিবাসী পরিবারগুলোর শিশুকে মা বাবার কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন করার নীতি থেকে সরলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

বুধবার সিদ্ধান্ত পাল্টে একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, যেখানে অবৈধ অভিবাসনের অভিযোগে আটক পরিবারের সদস্যদের একসঙ্গে রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি। বুধবার হোয়াইট হাউজে ওই নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করার পর ট্রাম্প বলেন, গ্রেপ্তার বাবা-মায়ের কাছ থেকে সন্তানদের বিচ্ছিন্ন করার দৃশ্য তিনি আর দেখতে চান না।

আদেশে সই করার সময় তিনি বলেন, পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া শিশুদের ছবি তাকে নাড়া দিয়েছে।তাই তিনি এ নীতি বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেন। তিনি বলেন, ‘আজকের এই নির্বাহী আদেশটি আমার কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কেননা এর মাধ্যমে পরিবার একসঙ্গে থাকতে পারবে। একই সময় আপনারা এটাও নিশ্চিত থাকুন যে, আমাদের অনেক কঠোর সীমান্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা আছে এবং আরও কড়াকড়ি আরোপ করা হবে। এও বলে রাখি, আমাদের দেশে যারা অবৈধভাবে প্রবেশ করে তাদের ব্যাপারে আমরা জিরো টলারেন্স নীতিতে অটল থাকবো।’

সমাজকর্মী তানিয়া শ্যাভেজ বলেন, ‘আমাদের লড়াই চলবে। এ দেশ অভিবাসীদের দেশ, তাদের এভাবে আটকে রাখা কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না। যে আদেশেই ট্রাম্প সই করুন না কেন, তাকে আমরা বিশ্বাস করি না। কারণ তিনি আগেও মিথ্যা বলেছেন ভবিষ্যতেও বলতে পারেন। বিচ্ছিন্ন হওয়া পরিবারগুলো একত্র না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যেতে হবে।’

রাশিয়াকে জি-৭ জোটে ফিরিয়ে আনতে চান ট্রাম্প : ইউরোপ-কানাডা নারাজ
গার্ডিয়ান

কানাডায় জি-৭ বৈঠকের প্রথম দিনেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইউরোপীয় নেতাদের অবস্থানগত পার্থক্য বেশ ফুটে উঠেছে। ট্রাম্প জি-৭ এর সদস্য হিসেবে রাশিয়াকে ফিরিয়ে নিয়ে আসার প্রস্তাব দিয়েছেন। কিন্তু ইউরোপীয় দেশগুলোর পাশাপাশি কানাডাও ওই প্রস্তাবের বিরুদ্ধে ‘না’ বলে দেয়। ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়ামের ওপর ট্রাম্পের আরোপ করা শুল্কের বিষয়ে হওয়া আলোচনায়ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভিন্ন মত পোষণ করে বাকি সদস্যরা। ট্রাম্প শেষ পর্যন্ত ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়ামের ওপর আরোপ করা শুল্কের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করবেন বলে জানিয়েছেন।

২০১৪ সালে ক্রিমিয়া দখল করার পর জি-৭ থেকে রাশিয়াকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। আর এখন ট্রাম্প চাইছেন তাকে ফিরিয়ে আনতে। ট্রাম্প বলছিলেন, ‘আপনাদের ভালো লাগুক আর না লাগুক, এমন কি বিষয়টি যদি রাজনৈতিক দিক থেকে ভুল হয়েও থাকে তাহলেও বিশ্ব পরিচালনার স্বার্থে এখন যেটা জি-৭, রাশিয়াকে ফিরিয়ে এনে সেটাকে আবার জি-৮ হিসেবে গড়ে তোলা উচিত।’ কিন্তু সম্মেলনের সভায় জার্মানির চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মারকেল জানিয়ে দেন, ইউক্রেনের বিষয়ে কোনো অগ্রগতি না হলে জি-৭ জোটে রাশিয়াকে ফিরিয়ে আনার পক্ষপাতী নন তারা। কানাডাসহ অন্য দেশগুলোও জার্মানির কথায় সমর্থন দেয়।

ট্রাম্প হঠাৎ রাশিয়াকে ফিরিয়ে আনার প্রস্তাব দিয়েছেন এ জন্য যে, ট্রাম্প ভালো করেই জানতেন ইউরোপীয় নেতারা রাশিয়াকে ফেরত আনার বিষয়ে রাজি হবেন না। আর রাশিয়াও জানিয়ে দিয়েছে তারা জি-৭ টাইপের কোনো সংগঠনে যেতে ইচ্ছুক নয়, অন্য কোনো সংগঠনে যেতে আগ্রহী তারা। এরকম পরিস্থিতিতে ট্রাম্পের রাশিয়াপ্রীতিকে নিছকই দৃষ্টি অন্য দিকে ঘোরানোর চাল হতে পারে। 

ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়ামের ওপর আরোপ করা শুল্কের বিষয়েও সদস্যরা ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেন। ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্তকে ‘অবৈধ’ বলেছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী ট্রুডো। অন্য দিকে ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড টাস্ক সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, শুল্ক, জলবায়ু পরিবর্তন ও ইরান বিষয়ে ট্রাম্পের অবস্থান বিপজ্জনক।

তার ভাষ্য, ‘যা আমাকে সবচেয়ে বেশি ভাবিয়ে তুলেছে তা হলো ঐকমত্যের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত আন্তর্জাতিক সম্পর্ক হুমকির মুখে পড়েছে। আর তা সাধারণত যাদের সন্দেহ করা হয় তাদের মাধ্যমে নয় বরং এই ব্যবস্থার মূল আর্কিটেক্ট ও গ্যারান্টার যুক্তরাষ্ট্রের কারণে।’ ফরাসি প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাতের পর ট্রাম্প তাকে বলেছেন, শুল্কের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র একটু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছিল তবে এখন তারা বিষয়টি পুনর্বিবেচনার কথা ভাবছে। জবাবে ফরাসি প্রেসিডেন্ট মন্তব্য করেন, তারা সবাই একটি সমঝোতাই চাইছেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সম্মেলন শেষের দুই দিন আগেই কানাডা ত্যাগ করবেন। ১২ জুন সিঙ্গাপুরে তার উত্তর কোরীয় নেতা কিম জং-উনের সঙ্গে এক সম্মেলনে যোগ দেয়ার কথা।

 


আরো সংবাদ

iptv al Epoksi boya epoksi zemin kaplama Daftar Situs Agen Judi Bola Net Online Terpercaya Resmi

Hacklink

Bursa evden eve nakliyat
arsa fiyatları tesettür giyim
Canlı Radyo Dinle hd film izle instagram takipçi satın al ofis taşıma Instagram Web Viewer

canli radyo dinle

Yabanci Dil Seslendirme

instagram takipçi satın al
hd film izle
gebze evden eve nakliyat