২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯

পেঁয়াজের বাজার স্থিতিশীল বেড়েছে মাছ ও সবজির দাম

-


নতুন করে পেঁয়াজের দাম বাড়েনি। প্রতি কেজি দেশী পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা কেজি দরে। আর আমদানি করা ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে সর্বোচ্চ ৪৫ টাকা দরে। ডিমের বাজারও স্থিতিশীল রয়েছে। প্রতি ডজন লাল মুরগির ডিম বিক্রি হচ্ছে ১০৫ টাকা থেকে ১১০ টাকায়। শীতের সবজি উঠতে শুরু করেছে, তবে দাম চড়া। ইলিশের সরবরাহ বাড়লেও দাম অনেক বেশি। এর সাথে নতুন করে দাম বেড়েছে মুরগিরও। রাজধানীর কয়েকটি বাজারের ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, ভারতে মূল্য না কমলে বাংলাদেশের বাজারে পেঁয়াজের মূল্য কমার কোনো সম্ভাবনা নেই। ভারতে অতিবৃষ্টিতে পেঁয়াজ পচে গেছে। তাই সেখানে পেঁয়াজের আমদানি মূল্য বাড়ার পর সরবরাহ কমেছে।
রাজধানীর কাওরানবাজার ও কোনাপাড়া বাজারের ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, বাজারে সরবরাহ বাড়তে শুরু করেছে শীতের সবজি, শিম, মুলা, ফুলকপি, বাঁধাকপির। ফুলকপি, বাঁধাকপির সাইজ ছোট, তবে মূল্য বেশি। বাজারে গ্রীষ্মকালীন সবজি চিচিঙ্গা, ধুন্দল, পটোল, বেগুনের মূল্য আগের মতোই আছে। গ্রীষ্মের সবজির উৎপাদন শেষের দিকে, অন্য দিকে শীতের সবজি পুরোপুরি আসেনি। এ কারণে মূল্য চড়া। তবে ধীরে ধীরে শীতের সবজির সরবরাহ বাড়তে শুরু করলে মূল্য কমবে।
রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, শিম বিক্রি হচ্ছে ১০০-১১০ টাকা কেজি দরে। শিমের পাশাপাশি চড়ামূল্যে বিক্রি হচ্ছে ফুলকপি, বাঁধাকপি ও মুলা। আগের সপ্তাহের মতো ছোট আকারের প্রতি পিস ফুলকপি বিক্রি হচ্ছে ৪০-৫০ টাকায়। একই মূল্যে বিক্রি হচ্ছে বাঁধাকপি। মুলা বিক্রি হচ্ছে ৪০-৬০ টাকা কেজি। তবে কিছুটা কমেছে করলা, পাকা টমেটো ও গাজরের দাম। প্রতি কেজি পাকা টমেটো বিক্রি হচ্ছে ১০০-১২০ টাকা দরে। গাজর বিক্রি হচ্ছে ৭০-৮০ টাকা কেজি দরে। করলার মূল্য কমে বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজি দরে। মূল্য অপরিবর্তিত রয়েছে বরবটি, বেগুন, পটোল, ঝিঙা, ধুন্দল, চিচিংগা, কাঁকরোল, ঢেঁড়সের। বরবটি বিক্রি হচ্ছে ৭০-৮০ টাকা কেজি দরে। বেগুন ৫০-৬০ টাকা, চিচিংগা, ঝিঙা, ধুন্দল ৪০-৫০ টাকা, কাঁকরোল ৫০-৬০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। সবজির চড়ামূল্যের মধ্যে নতুন করে মূল্য বেড়েছে মুরগির। সাদা ব্রয়লার মুরগি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৩০-১৩৫ টাকায়, যা গত সপ্তাহে ছিল ১২০-১২৫ টাকা। পাকিস্তানি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২৪০-২৫০ টাকা কেজি, যা গত সপ্তাহে ছিল ২১০-২৩০ টাকা। তবে লাল লেয়ার মুরগি আগের মতো ২০০ থেকে ২২০ টাকায় কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
মাসখানেক ধরেই রাজধানীসহ দেশের মাছের বাজার দখল করে আছে মাছের রাজা ইলিশ। দেশের সব বাজারই এখন ইলিশে ভরপুর। অনেক বছরই সাধারণ মানুষ এক কেজি ওজনের ইলিশ কেনার দুঃসাহস করেনি। কিন্তু এ বছর প্রায়ই চোখে পড়ে মধ্যবিত্ত শ্রেণীর ক্রেতারা এক কেজি ওজনের ইলিশ কিনছেন। বর্তমানে এক হাজার ১০০ থেকে এক হাজার ১৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে এক কেজি সাইজের ইলিশ। তবে ৮০০ থেকে ৯০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকা কেজি দরে। ৫০০ থেকে ৬০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৫০০ টাকা কেজি দরে। এ কারণে ক্রেতারাও অনেকটা ইলিশের দিকে ঝুঁকছেন। এরপরও কমছে না অন্য মাছের মূল্যে। আগের মতোই সব ধরনের মাছ চড়ামূল্যে বিক্রি হচ্ছে।
বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, রুই মাছ বিক্রি হচ্ছে ২৮০ থেকে ৪০০ টাকা কেজি দরে। তেলাপিয়া মাছ বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা কেজি দরে। চাষের পাঙ্গাশ বিক্রি হচ্ছে তেলাপিয়ার দামে।
পাবদা মাছ বিক্রি হচ্ছে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা, ট্যাংরা মাছ বিক্রি হচ্ছে ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা কেজি দরে। এই সিজনে দেশী শিং মাছ, মাগুর মাছ, কৈ মাছ পাওয়া যায় না বলে বাজারে চাষের শিং বিক্রি হচ্ছে সাড়ে ৪০০ থেকে সাড়ে ৫০০ টাকা কেজি দরে। কাচকি মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা কেজি দরে।

 


আরো সংবাদ




gebze evden eve nakliyat Paykasa buy Instagram likes Paykwik Hesaplı Krediler Hızlı Krediler paykwik bozdurma tubidy