১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বাজেট

ঢাকায় মশা মারার ব্যয় দ্বিগুণ

ঢাকায় মশা মারার ব্যয় দ্বিগুণ বৃদ্ধি - ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বাজেটে মশা মারার খরচ দ্বিগুণ বাড়ানো হয়েছে। রোববার দুপুরে নগর ভবনের মেয়র মোহাম্মদ হানিফ মিলনায়তনে ২০১৯-২০২০ সালের বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। বাজেট ঘোষণা করেন ডিএসসিসি’র মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন। নতুন এই বাজেটে মশা মারার খরচ বাড়িয়ে ৪৩ কোটি ৩০ লাখ করা হয়েছে। যদিও গত অর্থ বছরের সংশোধিত বাজেটে এর পরিমাণ ছিল মাত্র ১৯ কোটি ৫২ লাখ টাকা।

বাজেট ঘোষণা অনুষ্ঠানে মেয়র বলেন, আমরা ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বাজেট ঘোষণার জন্য তারিখ নির্ধারণ করেছিলাম গত জুলাই মাসের ১৬ তারিখ। কিন্তু ঢাকা শহরে মশা এবং ডেঙ্গু রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ার পর আমরা সেই তারিখ পরিবর্তন করেছি। তাই এ বছরের বাজেট ঘোষণা দীর্ঘ প্রায় দেড়মাস বিলম্বে করতে হলো।

মেয়র বলেন, আগামী বছরে ঢাকা শহরে যেন মশার উপদ্রব বৃদ্ধি না পায় সেজন্য আমরা প্রথম থেকেই সজাগ থাকবো । নগরবাসীকেও সচেতন করার কাজটি বছরের শুরু থেকেই করা হবে।

ডিএসসিসি’র বাজেট বিবরণীতে দেখা যায়, নতুন বাজেটে মশার ওষুধ ও জ্বালানী কেনায় মোট বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৩৮ কোটি টাকা। গত অর্থবছরে এই বরাদ্দ ছিল ২৩ কোটি ৭০ লাখ টাকা। যদিও এই পুরো অর্থও খরচ করতে পারেনি তারা। তাই সংশোধিত বাজেটে এই খরচ কমিয়ে করা হয়েছে ১৭ কোটি ৩৯ লাখ টাকা।

অন্যদিকে ঢাকা দক্ষিন সিটির বিভিন্ন পুকুর ও নালার কচুরীপানা ও আগাছা পরিস্কার করতে নতুন বাজেটে পাঁচগুণেরও বেশি বাড়িয়ে এ বছর বরাদ্দ রাখা হয়েছে এক কোটি ৩০ লাখ টাকা, যা গত বছরে যা ছিল মাত্র ২৫ লাখ টাকা। একই সাথে মশা মারার ফগার /হুইল/স্প্রে মেশির পরিবহনে ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ কোটি টাকা। গত অর্থ বছরে যা ছিল ২ কোটি এবং সংশোধিত বাজেটে তা কমিয়ে করা হয় মাত্র এক কোটি ৮৮ লাখ টাকা।

উল্লেখ্য ২০১৯- ২০২০ অর্থবছরের জন্য ৩৬৩১ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা করেছে ডিএসসিসি। হয়েছে। বাজেটে আগের বছরের স্থিতি রয়েছে ২০২ কোটি টাকা, রাজস্ব আয় ধরা হয়েছে, অন্যান্য খাত থেকে আয় ধরা হয়েছে ৭কোটি ৬৭ লাখ টাকা। বাজেটে সরকারি ও বৈদেশিক উৎস থেকে আয় ধরা হয়েছে ২৪৪৮ কোটি ৯৩ লাখ টাকা। নতুন ঘোষিত বাজেটে মোট পরিচালনা ব্যয় ধরা হয়েছপ ৬২৯ কোটি ৩৭ লাখ টাকা।

অন্যান্য খাতের ব্যয় ধরা হয়েছে সাড়ে তিন কোটি টাকা। নতুন বাজেটের মূল ব্যয়ের প্রধান খাত তথা মোট উন্নয়ন ব্যয় ধরা হয়েছে ২৮৯৪ কোটি ৯৩ লাখ টাকা। বছর শেষে ১০৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা তহবিলের স্থিতি রাখার কথাও বাজেটে বলা হয়েছে।


আরো সংবাদ