১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯

কে হচ্ছেন ডিএমপির পরবর্তী কমিশনার?

আসাদুজ্জামান মিয়া - ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ পুলিশের সবচেয়ে বড় ইউনিট প্রধান কে হবেন তা নিয়ে নানা জল্পনা চলছে। এ নিয়ে খোদ পুলিশ প্রশাসনে আলোচনার শেষ নেই। ব্যতিক্রম নাহলে বর্তমান কমিশনার আসাদুজ্জামান মিয়া আগামী ১৪ আগস্ট অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটিতে যাবেন। চাকরি জীবনের ৫৯ বছর পূর্তিতে আগামী ১৩ আগস্ট হবে তার সর্বশেষ কর্মদিবস। ২০১৫ সালের ৭ জানুয়ারি থেকে তিনি ডিএমপি কমিশনার হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। ১৯৮৫ সালে বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে এএসপি হিসাবে পুলিশ সার্ভিসে যোগ দেন আসাদুজ্জামান মিয়া। তার জন্ম ১৯৬০ সালে ফরিদপুর জেলার আলফাডাঙ্গায়। 

পুলিশ বিভাগের প্রেস্টিজিয়াস এ পদে যোগদানের জন্য অনেকেই যেমন তদবির করছেন ঠিক তেমনি সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকেও এ পদে কাকে নিয়োগ দেয়া যায় তা নিয়ে বিস্তর অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে। সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে সৎ-যোগ্য-দক্ষ কর্মকর্তাদের ভেতর থেকে ডিএমপি কমিশনার নিয়োগের বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। কর্মকর্তাদের ভেতর থেকে বর্তমানে পুলিশের অ্যাডিশনাল আইজি হিসাবে কর্মরত সিআইডির শফিকুল ইসলাম, চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন, অ্যাডিশনাল আইজি শেখ মুহম্মদ মারুফ হাসান, ডিআইজি মনিরুল ইসলাম, ডিআইজি হাবিবুর রহমান প্রমুখের নাম এ পদে নিয়োগের জন্য শোনা যাচ্ছে।

শফিকুল ইসলাম, শেখ মারুফ হাসান ও আবদুল্লাহ আল মামুন ১৯৮৯ সালে পুলিশ সার্ভিসে যোগদান করেন। তারা বিসিএস অষ্টম ব্যাচের কর্মকর্তা। পক্ষান্তরে ডিআইজি মনিরুল ১৫তম বিসিএস এবং হাবিবুর রহমান আঠারো ব্যাচের কর্মকর্তা। তাদের উভয়ের বাড়ি গোপালগঞ্জ। চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন সুনামগঞ্জের এবং শেখ মারুফ হাসান খুলনার অধিবাসী। শফিকুল ইসলাম বৃহত্তর কুষ্টিয়ার অধিবাসী। ডিএমপির কমিশনার পদটি আগে ডিআইজি পদমর্যাদার হলেও এখন এ পদের আপগ্রেড করা হয়েছে। এ পদে এখন অতিরিক্ত আইজিপিদের দায়িত্ব দেয়া হয়। সম্প্রতি বিদায়ী কমিশনার আসাদুজ্জামান মিয়াকে সচিব হিসেবে পদোন্নতি দেয়া হয়। মনিরুল ইসলাম ও হাবিবুর রহমান সরকারের গুডবুকে থাকলেও তারা অপেক্ষাকৃত জুনিয়র হওয়ায় তাদের সম্ভাবনা কম বলে একটি সূত্র জানিয়েছে। তবে অন্য একটি সূত্র জানিয়েছে মনিরুল ইসলামকে এ পদে নিয়োগ দেয়া হলে তাকে ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে হতে পারে। 

১৯৭৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মেট্টোপলিটন পুলিশের যাত্রা শুরু হয়। তার আগে ঢাকা জেলা পুলিশ এই শহরের নাগরিক শৃঙ্খলার বিষয়টি দেখভাল করত। শুরুতে ডিএমপিতে জনবল ছিলো মাত্র ছয় হাজার। থানা ছিল ১২টি। সময়ের ব্যবধানে এখন থানার সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫০টি। আর ডিএমপি হেডকোয়ার্টারের অধীনে ৪২টি বিভাগে কর্মকর্তাসহ ৩৪ হাজার পুলিশ সদস্য এখন দায়িত্ব পালন করছেন। এই নগরীতে পুলিশের আকার, পরিধি ও জনবল সবই বেড়েছে। নগর পুলিশে এখন আধুনিকতার ছোঁয়াও লেগেছে। কিন্তু এখানে পুলিশের নাগরিক সেবাদানের বিষয়টি এখনো প্রশ্নবোধকই রয়েছে।


আরো সংবাদ

আয়কর আপিল ট্রাইব্যুনালে জেলা জজ নিয়োগ দেয়া হবে : আইনমন্ত্রী ডিআইজি প্রিজনস পার্থ গোপালের জামিন নাকচ খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবিতে মৎস্যজীবী দলের মানববন্ধন দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যাংক কর্মকর্তাদের তালিকা পাঠানোর নির্দেশ অধিক সার ব্যবহার পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর : কৃষি মন্ত্রী যথাযথ সেবা পেলে মানুষ কর দিতে উৎসাহিত হবে : এলজিআরডি মন্ত্রী নিরাপদ অভিবাসনের লক্ষ্য পূরণই আমাদের অঙ্গীকার প্রতিবন্ধীদের অধিকার সুরক্ষা আইন ২০১৩ বাস্তবায়নের আবেদন সাইটসের্ভাসের ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে আ’লীগের মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটির সম্মেলন করার নির্দেশ হাসপাতালে নবজাতক কন্যা ফেলে বাবা-মা উধাও ঢাবিতে ‘ইয়ুথ ইমপ্যাক্ট : আনলিশিং দ্য পাওয়ার অব ইয়ুথ’ শীর্ষক সেমিনার শুরু

সকল