২০ এপ্রিল ২০১৯

কেন ৪০তম বিসিএস পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা দিলেন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী প্রার্থীরা

কেন ৪০তম বিসিএস পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা দিলেন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী প্রার্থীরা - নয়া দিগন্ত

আগামী ৩ মে অনুষ্ঠেয় ৪০তম বিসিএসের প্রিলিমিনারী পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী প্রার্থীরা। বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ তুলে তারা এ ঘোষণা দিয়েছেন।

পাশাপাশি নিজেদেরকে নোংরা রাজনীতির শিকার বলেও অভিযোগ তাদের। সোমবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে তারা এ ঘোষণা দেন।

সংবাদ সম্মেলনে কিছু প্রমাণ তুলে ধরে লিখিত বক্তব্যে চাকরি প্রত্যাশী দৃষ্টি প্রতিবন্ধী গ্র্যাজুয়েট পরিষদের পক্ষে আলী হোসেন বলেন, কর্ম কমিশন কখনো প্রতিবন্ধীবান্ধব ছিল না। পিএসসি প্রদত্ত শ্রুতি লেখকের ইতোপূর্বে এমন পরীক্ষা দেয়ার অভিজ্ঞতা আছে কিনা তা নিশ্চিত নয়।

লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, এমন কাউকে বিসিএসের মত সর্বোচ্চ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বসালে তার ফল কখনো ইতিবাচক হতে পারে না। এসময় পাবলিক পরীক্ষায় শ্রুতিলেখক যেন তারা নিয়ে যেতে পারেন সে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান।

এতে আরো বলা হয়, তাকে পিএসসি প্রদত্ত প্রশ্নপত্র ভালোভাবে পাঠও করতে হবে। এছাড়া পিএসসির পরীক্ষায় অতিরিক্ত সময় দেয়া হয় না। ফলে শ্রুতিলেখক সীমিত সময়ের মধ্যে প্রশ্নপত্র পাঠ এবং ওএমরআর পূরণ করতে পারবে কি না তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।

এছাড়া পরবর্তীতে লিখিত পরীক্ষার সময় সঙ্কট আরও প্রকট হবে বলে বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরো বলা হয়, অতীতে পিএসসির পক্ষ থেকে দেয়া শ্রুতি লেখক নিয়ে তিক্ত অভিজ্ঞতা রয়েছে। পিএসসির হঠকারী ও স্বেচ্ছাচারী সিদ্ধান্তের কারণে তারা এ সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছেন বলে দাবি করেন।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে আবুল হোসেন, আশরাফুল ইসলাম, এরশাদ শাহীন ভূইয়াসহ আরো অনেক দৃষ্টি প্রতিবন্ধী চাকরিপ্রত্যাশী উপস্থিত ছিলেন।

আরো পড়ুন : ৪০ বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা ৩ মে
নিজস্ব প্রতিবেদক, (২৯ মার্চ ২০১৯)

৪০তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা আগামী ৩ মে অনুষ্ঠিত হবে। গতকাল সরকারি কর্মকমিশনের (পিএসসি) এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। দেশের সব বিভাগীয় সদরে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে বলে পিএসসির এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

পিএসসি সূত্রে জানা গেছে, ৪০তম বিসিএসের আবেদনকারী প্রার্থী হচ্ছেন চার লাখ ১২ হাজার ৫৩২ জন। বিসিএস পরীক্ষার ইতিহাসে এটিই সর্বোচ্চ আবেদনের রেকর্ড।

৪০তম বিসিএসে মোট এক হাজার ৯০৩ জন ক্যাডার নিয়োগ দেয়া হবে। তবে এই সংখ্যা আরো বাড়তে পারে। ক্যাডার অনুসারে প্রশাসনে ২০০, পুলিশে ৭২, পররাষ্ট্রে ২৫, কর বিভাগে ২৪, শুল্ক আবগারিতে ৩২ ও শিক্ষা ক্যাডারে সর্বাধিক ৮৭০ জন নিয়োগ দেয়ার কথা রয়েছে।

গত বছরের ১১ সেপ্টেম্বর ৪০তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছিল পিএসসি। প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল, এই বিসিএসে প্রার্থীদের ২০০ নম্বরের একটি লিখিত এমসিকিউ প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। পরীক্ষার সময় হবে ২ ঘণ্টা।

বাংলাভাষা ও সাহিত্যে ৩৫ নম্বর, ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্যে ৩৫ বাংলাদেশ বিষয়াবলিতে, আন্তর্জাতিক বিষয়াবলিতে ২০, ভূগোল (বাংলাদেশ ও বিশ্ব), পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় ১০, সাধারণ বিজ্ঞান ১৫, কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি ১৫, গাণিতিক যুক্তি ১৫, মানসিক দক্ষতায় ১৫, নৈতিকতা মূল্যবোধ ও সুশাসন বিষয়ে ১০ নম্বরের প্রশ্ন থাকবে। এ পরীক্ষা থেকে আবেদনকারী বাংলা বা ইংরেজি ভাষায় পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন।

এই বিসিএসে প্রার্থীদের ১১০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা দিতে হবে। এর মধ্যে সাধারণ ক্যাডারদের জন্য বাংলায় ২০০, ইংরেজিতে ২০০, বাংলাদেশ বিষয়াবলিতে ২০০, আন্তর্জাতিক বিষয়াবলিতে ১০০, গাণিতিক যুক্তি ও মানসিক দক্ষতায় ১০০, সাধারণ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে ১০০ নম্বর থাকবে। মৌখিক পরীক্ষায় ২০০ নম্বর থাকবে।

টেকনিক্যাল ক্যাডারদের জন্য বাংলায় ১০০, ইংরেজিতে ২০০, বাংলাদেশ বিষয়াবলিতে ২০০, আন্তর্জাতিক বিষয়াবলিতে ১০০, গাণিতিক যুক্তি ও মানসিক দক্ষতায় ১০০, সংশ্লিষ্ট পদ বা সার্ভিসের জন্য প্রাসঙ্গিক বিষয়ে ২০০ নম্বর থাকবে। মৌখিক পরীক্ষায় ২০০ নম্বর থাকবে।


আরো সংবাদ




iptv al Epoksi boya epoksi zemin kaplama Daftar Situs Agen Judi Bola Net Online Terpercaya Resmi

Hacklink

Bursa evden eve nakliyat
arsa fiyatları tesettür giyim
Canlı Radyo Dinle hd film izle instagram takipçi satın al ofis taşıma Instagram Web Viewer

canli radyo dinle

Yabanci Dil Seslendirme

instagram takipçi satın al