১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯
ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে দুদকের অভিযান

দুই দালাল হাতে নাতে গ্রেফতার

দুই দালাল হাতে নাতে গ্রেফতার - সংগৃহীত

গ্রাহক সেজে ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এসময় দুই দালালকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়। পরে আটককৃতদের ভ্রাম্যমান আদালতের নিকট হস্তান্তর করে। এছাড়াও দালালদের সাথে যোগসাজশকারী জিএম, ডিজিএমসহ ০৪ জন কর্মকর্তাকে চিহ্নিত করে রাষ্ট্রীয় দুর্নীতি বিরোধী সংস্থাটি।

দুদক সূত্র জানায়, বিদ্যুৎ অফিসে কর্মকর্তাদের যোগসাজসে গ্রাহকদের জিম্মি করে দালালরা গ্রাহকদের অতিরিক্ত অর্থ দিতে বাধ্য করছে। দুদক অভিযোগ কেন্দ্রে (হটলাইন- ১০৬) এমন অভিযোগের ভিত্তিতে ঢাকার নবাবগঞ্জ ও কেরানীগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে অভিযান চালায় দুদক।

সরেজমিন অভিযানে দুদক টিম দেখতে পায়, নতুন সংযোগ প্রদান, মিটার প্রাপ্তিসহ বিভিন্ন কাজে দালাল ছাড়া কর্মকর্তারা কোন কাজ করেননা, ফাইল নিয়ন্ত্রণ করে দালালরা। এসময় দুই দালালকে হাতে নাতে গ্রেফতার করা হয়।

এ বিষয়ে দুদক এনফোর্সমেন্ট বিভাগের মহাপরিচালক মোহাম্মাদ মুনীর চৌধুরী বলেন, এ দুর্নীতির সাথে জড়িত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। দুর্নীতিবাজদের অবৈধ স¤পদের অনুসন্ধান করা হবে।

আরো পড়ুন : জাহালমের ঘটনায় দুদক প্রশ্নবিদ্ধ: টিআইবি
নয়া দিগন্ত অনলাইন ( ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৮:৫২)

সোনালী ব্যাংকের অর্থ আত্মসাৎ মামলায় বিনা অপরাধে তিন বছর কারাবাসের পর শেষ পর্যন্ত হাইকোর্টের হস্তক্ষেপে পাটকল শ্রমিক জাহালম মুক্তি পাওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। তবে জাহালমের জীবন থেকে মূল্যবান তিনটি বছর নষ্ট হওয়ায় অবিলম্বে তাকে যথোপযুক্ত ক্ষতিপূরণ প্রদান এবং এই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে সংস্থাটি।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘নিরাপরাধ জাহালমকে মুক্তির নির্দেশ এবং ভুল তদন্তে জড়িত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দিয়ে আদালত ন্যায়বিচারের গুরুতর বিচ্যুতির অবসান ঘটিয়েছেন।

তবে জাহালম মুক্তি পেয়ে গেছেন এটা ভেবেই আত্মতুষ্টিতে ভোগার সুযোগ নেই। বরং হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী তাকে অবিলম্বে যথাযথ ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। যদিও জাহালমকে যে অবর্ণনীয় ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে তার প্রকৃত ক্ষতিপূরণ কখনই সম্ভব নয়।’

এই বিবেচনা থেকেই এই ঘটনার গুরুত্ব নির্ধারণ করতে হবে এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। ড. জামান বলেন, ‘এই ঘটনায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। এতে করে কমিশনের প্রতি দেশের জনগণের আস্থাহীনতা সৃষ্টির আশংকা রয়েছে। তাই কিভাবে এই ঘটনা সংঘটিত হলো, কারা জড়িত ছিলেন, কেন এমন ভুল তারা করলেন, নাকি প্রকৃত অপরাধীর সঙ্গে যোগসাজশে তারা এই জালিয়াতিতে অংশগ্রহণ করেছেন- এই সবগুলো বিষয়ই তদন্ত করে দেখতে হবে।

দুদক যে তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন, তারা সুষ্ঠুভাবে দায়িত্ব পালন করবেন এবং তদন্তের ফলাফল ও তার ভিত্তিতে কি পদক্ষেপ গৃহীত হলো সে সম্পর্কে দুদক দেশের জনগণকে অবহিত করবেন সেটাই আমরা প্রত্যাশা করি।

এই তদন্তে যারা দোষীসাব্যস্ত হবেন তাদের বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় ও আইনগত ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে, যেন ভবিষ্যতে এ ধরণের অবিচার আর কারও সঙ্গে না হয়।’

ড. জামান আরো বলেন, ‘এই ঘটনা আরো কিছু প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে, যার উত্তর পাওয়াটা জরুরি। যেমন, গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে আমরা জানতে পেরেছি যে, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন গত বছর মে মাসেই বিষয়টি দুর্নীতি দমন কমিশনকে অবহিত করেছিল। তারপর দীর্ঘ আট মাসেও দুদক কেন কোন পদক্ষেপ নিল না তা খতিয়ে দেখতে হবে। এখানে কোন যোগসাজশের সম্ভবনা তদন্ত ছাড়া নাকচ করে দেওয়ার সুযোগ নেই। এছাড়া দুদকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন উঠা অস্বাভাবিক নয়। সেক্ষেত্রে দুদক কর্তৃপক্ষকে তদন্ত কর্মকর্তাদের দক্ষতা বাড়ানোর উদ্যোগ নিতে হবে জরুরি ভিত্তিতে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করতে চাই, জাহালমের মতো আর কেউ এভাবে বিনাবিচারে কারভোগ করছেন না এবং ভবিষ্যতেও এধরণের ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে না।’ শুধু দুঃখ প্রকাশ নয়, জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনতে দুদক আন্তরিকভাবে সচেষ্ট হবেন বলেও আশা প্রকাশ করেন ড. ইফতেখারুজ্জামান।


আরো সংবাদ

স্মিথ ব্যর্থ হলে হারে অস্ট্রেলিয়া, জিতল ইংল্যান্ড তুরস্কে শাসক দলে সঙ্কট, রাজনীতিতে নতুন মোড়? ভারতীয় বিদ্যুৎনির্ভর হচ্ছে বাংলাদেশ আয়কর আপিল ট্রাইব্যুনালে জেলা জজ নিয়োগ দেয়া হবে : আইনমন্ত্রী ডিআইজি প্রিজনস পার্থ গোপালের জামিন নাকচ খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবিতে মৎস্যজীবী দলের মানববন্ধন দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যাংক কর্মকর্তাদের তালিকা পাঠানোর নির্দেশ অধিক সার ব্যবহার পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর : কৃষি মন্ত্রী যথাযথ সেবা পেলে মানুষ কর দিতে উৎসাহিত হবে : এলজিআরডি মন্ত্রী নিরাপদ অভিবাসনের লক্ষ্য পূরণই আমাদের অঙ্গীকার প্রতিবন্ধীদের অধিকার সুরক্ষা আইন ২০১৩ বাস্তবায়নের আবেদন সাইটসের্ভাসের

সকল