১৮ এপ্রিল ২০১৯

নিম্নমানের ‘ভিটামিন এ ক্যাপসুল’ কিনতে বাধ্য করেছে ভারতীয় কোম্পানি!

স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ডা: মো: মুরাদ হাসান - সংগৃহীত

ক্যাপসুলের মান খারাপ ও নিম্নমানের হওয়ায় সরকার আকস্মিকভাবে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর কর্মসূচী স্থগিত করেছে। আজ শনিবার সারাদেশের ২ কোটি ২০ লাখ শিশুকে এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর কথা ছিল।

এই ক্যাপসুলের ব্যাপারে গতকাল শুক্রবার স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী এক বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ডা: মো: মুরাদ হাসান বলেছেন, ‘ ভারতীয় একটি অখ্যাত কোম্পানির কাছ থেকে নিম্নমানের ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল কিনতে বাধ্য করা হয়েছে। ক্যাপসুলের মান নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন আপাতত স্থগিত করা হয়েছে।’

গতকাল দুপুরে কিশোরগঞ্জ সার্কিট হাউজে কিশোরগঞ্জে সরবরাহ করা ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুলের নমুনা পর্যবেণের সময় সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘মামলা করে নিম্নমানের ওই ক্যাপসুল কিনতে বাধ্য করা হয়েছে। সরবরাহ করা এসব ক্যাপসুল কৌটার সাথে লেগে আছে। আলাদা করা যাচ্ছে না। এ বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘এ কোম্পানির কোনো সুনাম নেই। মামলা করে তারা আমাদের এ ক্যাপসুল কিনতে বাধ্য করেছে। লাল ক্যাপসুল নিয়ে কিছু অভিযোগ পাওয়া গেছে। কেন এ রকম হলো পরীক্ষার পর তা বলা যাবে। তবে দেশের কোম্পানি থেকে কেনা সবুজ রঙের ট্যাবলেটে কোনো সমস্যা নেই।’
‘ভিটামিন এ ক্যাপসুলে শিশুদের যেন কোনো ধরনের সমস্যা না হয় এ জন্য আপাতত এ কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছে। তবে শিগগিরই এ প্লাস ক্যাম্পেইন শুরু হবে’ যোগ করেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী। জাগো নিউজ।

এ সময় জেলা প্রশাসক সারওয়ার মুর্শেদ চৌধুরী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) তরফদার মো: আক্তার জামিল, সিভিল সার্জন ডা: মো: হাবিবুর রহমান, জেলা ২৫০ শয্যা কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের উপপরিচালক রাজিয়া সুলতানা, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এম এ আফজাল, জেলা বিএমএর সভাপতি ড. মাহবুব ইকবাল, সাধারণ সম্পাদক ডা: আবদুল ওয়াহাব, জেলা স্বাধীনতা চিকিৎসা পরিষদের সভাপতি ডা: দীন মোহাম্মদসহ জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পরে ২৫০ শয্যা কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল ও শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন করেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী।

প্রসঙ্গত, মূলত রাতকানা রোগ প্রতিরোধের জন্য ১৯৯৪ সাল থেকে দেশের শিশুদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হচ্ছে। ২০১২ সালেও ভিটামিন এ ক্যাপসুল নিয়ে জটিলতা দেখা দেয়। অবশ্য মান নিয়ে কোনো কথা ওঠেনি। জটিলতা হয় মূলত কার্যাদেশ দেয়া নিয়ে।


আরো সংবাদ

iptv al Epoksi boya epoksi zemin kaplama Daftar Situs Agen Judi Bola Net Online Terpercaya Resmi

Hacklink

Bursa evden eve nakliyat
arsa fiyatları tesettür giyim
Canlı Radyo Dinle hd film izle instagram takipçi satın al ofis taşıma Instagram Web Viewer

canli radyo dinle

Yabanci Dil Seslendirme

instagram takipçi satın al